Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৪ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সুদের হার না কমালে বিনিয়োগের মুখ থুবড়ে পড়বে

    জুলাই ২১, ২০২৫ ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ16
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    নতুন বিনিয়োগ আনতে হলে ব্যাংক ঋণের সুদ কমাতেই হবে। অন্যথায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। অগ্রাধিকার খাত, বিশেষ করে কৃষি, এসএমই (ছোট ও মাঝারি শিল্প), স্বাস্থ্য, শিা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আবাসন, গার্মেন্টস এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে সহজ শর্তের ঋণ পাওয়ার পদপে নিতে হবে।

    ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের বিকাশ ঘটাতে দ্রুত ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমাতে হবে বলে মনে করেন আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচনে সহ-সভাপতি প্রার্থী ও ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ শামীম।

    আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচন, ব্যাংক ঋণের সুদ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় এসব কথা বলেন সাকিফ শামীম।

    তিনি বলেন, অনেক ব্যবসায়ী ৯ শতাংশের কম সুদ বিবেচনায় ঋণ নিয়ে এরই মধ্যে শিল্প স্থাপন করেছেন। কিন্তু এখন সুদ গুনতে হচ্ছে ১৪-১৫ শতাংশ। নীতি সুদহার এভাবে বাড়তে থাকলে আগামীতে ঋণের খরচ আরও বেড়ে সামগ্রিকভাবে সংকট তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সমতা হারাবে বাংলাদেশ। যারা উচ্চসুদে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেছেন, তারা ঋণের ভারে খেলাপি হয়ে পড়বেন। সোজা কথায় বলা চলে, সুদহার বাড়া মানেই ব্যবসায়ীদের গলা টিপে হত্যা করার শামিল।

    বর্তমানে ব্যাংকগুলো কর্তৃক নির্ধারিত সুদের হার অনেক বেশি, যা এই খাতগুলোর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে সুদহার কমানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

    খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত কৃষি, এসএমই (ছোট ও মাঝারি শিল্প), জ্বালানি এবং স্বাস্থ্যের মতো খাতগুলোতে ঋণের সুদ কমানো জরুরি। এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতগুলোতে সুদের হার বেশি থাকার কারণে ঋণগ্রহীতারা ঋণ নিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে। সরকারের উচিত, এ খাতগুলোতে ঋণ দেওয়ার েেত্র সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদপে নেওয়া। এতে ঋণ গ্রহণকারীরা সহজে ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে মনোযোগ দিতে পারবেন এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

    এসব বাস্তবতায় ব্যাংক ঋণের বিপরীতে উচ্চ সুদহার কমিয়ে আনতে হবে বলে মনে করেন তিনি। সাকিফ শামীম বলেন, উচ্চ সুদের কারণে নতুন বিনিয়োগ না হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং একটি নির্দিষ্ট সীমা ছাড়িয়ে গেলে ব্যবসায়ীরা নতুন বিনিয়োগ করবেন না। আসন্ন নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হতে পারলে এফবিসিসিআইয়ের প থেকে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

    বর্তমান সরকারের উচিত, বাজারভিত্তিক সুদহার নীতিমালার পাশাপাশি অগ্রাধিকার খাতগুলোর জন্য বিশেষ সুদহার নির্ধারণ করা। এতে এ খাতগুলোতে ঋণ প্রবাহ বাড়বে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

    সম্প্রতি স্ট্যার্টআপ বিনিয়োগে ৪ শতাংশ সুদহারে ঋণ পাওয়ার উদ্যোগের প্রশংসা করে সাকিফ শামীম বলেন, অগ্রাধিকার খাতগুলোর জন্যও এ হার নির্ধারণ করা যেতে পারে। মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আসায় সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের সুদ কমানো হয়েছে। এখন ব্যাংক ঋণের সুদ কমানো প্রয়োজন। স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণের জন্য ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করা এবং এজন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। এছাড়া সুদ ভর্তুকি এবং অন্য প্রণোদনা প্যাকেজ তৈরি করে অগ্রাধিকার খাত আরও শক্তিশালী করা যেতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলোর উচিত তাদের পরিচালন ব্যয় কমিয়ে এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঋণের সুদহার কমানো। এতে ঋণগ্রহীতারা সহজে ঋণ নিতে পারবেন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি অবদান রাখতে পারবেন। বিশেষ করে কৃষিখাতে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গঠিত ৫০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম খুবই প্রশংসনীয়। এ ধরনের উদ্যোগ আরও বেশি করে নেওয়া উচিত। সব মিলিয়ে অগ্রাধিকার খাতে ঋণের সুদ কমানো হলে, তা দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করবে।

    কৃষকদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ নিশ্চিত করা গেলে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এসএমই খাত। হাসপাতাল নির্মাণ, ওষুধ উৎপাদন, রোগ নির্ণয়কেন্দ্র, ডায়াগনস্টিক সেন্টার প্রতিষ্ঠায় ঋণের ওপর উচ্চহারে সুদ নিচ্ছ ব্যাংকগুলো। ফলে এ খাতে নতুন বিনিয়োগ আসছে না, স্বাস্থ্যসেবায় খরচ বেড়ে যাচ্ছ। অথচ স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। ●

    অকা/ব্যাংখা/ফর/রাত/২০ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হচ্ছে প্রশাসক

    ১০ হাজার কোটি টাকার জরুরি তহবিল চায় ইসলামী ব্যাংক

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ব্রাজিল–মরক্কো লড়াইয়ে কেউ কারও চেয়ে কম নয়

    জমির বদলে পাওয়া ফ্ল্যাটেও কর

    ওপারে আসছে জয়ার ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’

    স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ৬৫৯০ টাকা

    ইতিহাসগড়া জয়ে বিশ্বকাপ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

    আসছে ‘সুড়ঙ্গ-২’, ভিন্ন রূপে ফিরছেন নিশো

    ফার্মহাউস নিয়ে স্বস্তিতে সালমান খান

    আমানতকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান গভর্নরের

    সিনেমা বানাচ্ছেন আদনান আল রাজীব

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

    অবশেষে উৎপাদনে ফিরছে বিডি থাই ফুড

    বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার বিভ্রাট

    বরাদ্দ বাড়লো বিদ্যুৎ জ্বালানিখাতে

    সামনে লক্ষ্য ‘এআই বাংলাদেশ’

    জলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব

    একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

    পেলের পরই সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার মোরা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.