রুনা হোসেন
১৯ বছর বয়স, ১৯ নম্বর জার্সি, আর ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ জয়ের অনন্য কীর্তি—স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামালকে ঘিরে এমন বিরল মিল এখন ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তিনটি ‘১৯’-এর সংযোগকে অনেকেই ‘ডেস্টিনির সাইন’ বা ভাগ্যের অদ্ভুত বার্তা হিসেবে দেখছেন।
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। সেই ঐতিহাসিক জয়ে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন লামিন ইয়ামাল। বিশ্বকাপ জয়ের দিন ছিল ১৯ জুলাই। আর তখন তার বয়সও মাত্র ১৯ বছর। কাকতালীয়ভাবে তিনি খেলছিলেন ১৯ নম্বর জার্সি পরে। একই দিনে এই তিনটি ‘১৯’ একসঙ্গে মিলিয়ে যাওয়ায় তা ভক্তদের বিস্মিত করেছে।
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করেছেন ইয়ামাল। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তার গতি, ড্রিবলিং, সৃজনশীলতা ও পরিণত ফুটবলবোধ স্পেনকে শিরোপার পথে বড় শক্তি জুগিয়েছে। ফাইনালেও প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে চাপে রাখার ক্ষেত্রে ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার), ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে ‘১৯’ সংখ্যার এই অদ্ভুত মিল নিয়ে হাজারো পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ লিখেছেন, "১৯ বছর, ১৯ নম্বর জার্সি, ১৯ জুলাই—এ যেন ইতিহাস আগেই লেখা ছিল।" আবার কেউ বলছেন, "ফুটবলের নতুন রাজপুত্রের জন্য ১৯ সংখ্যাটিই সৌভাগ্যের প্রতীক।"
যদিও এটি নিছক একটি কাকতালীয় ঘটনা, তবু খেলাধুলার ইতিহাসে এমন সংখ্যাগত মিল খুব একটা দেখা যায় না। তাই লামিন ইয়ামালের বিশ্বকাপ জয়ের গল্পে ‘১৯’ সংখ্যাটি এখন বিশেষ একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
এত অল্প বয়সে বিশ্বকাপ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই নিজের নাম লিখিয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের বিশেষ অধ্যায়ে। সামনে তার ক্যারিয়ার আরও দীর্ঘ। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের এই ‘তিনটি ১৯’-এর গল্প হয়তো বহু বছর ধরে ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে ফিরবে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 1 day আগে

