বিনোদন ডেস্ক>
বলিউড অভিনেতা সোহেল খান ও ফ্যাশন ডিজাইনার সীমা সচদেবের প্রেম, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের গল্প এখনও আলোচনায় আসে। ভিন্ন ধর্মের হওয়ায় তাঁদের বিয়ে নিয়ে শুরুতে দুই পরিবারের মধ্যে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পরিবারের ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে হিন্দু রীতিতেই বিয়ে করেছিলেন এই যুগল।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লির একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রথম দেখা হয় সোহেল ও সীমার। প্রথম দেখাতেই সীমার প্রেমে পড়েন সোহেল। এরপর কয়েক মাস যোগাযোগ না থাকলেও একটি রেস্তোরাঁয় আবার দেখা হওয়ার পর তাঁদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সীমার পরিবার আপত্তি জানায়। ভিন্ন ধর্মের পাশাপাশি সে সময় খান পরিবারকে ঘিরে বিভিন্ন বিতর্ক থাকায় মেয়েকে সেখানে বিয়ে দিতে রাজি ছিলেন না সীমার বাবা।
পরিবারকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়ে এক রাতে সীমাকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে আসেন সোহেল। গভীর রাতে বিষয়টি জানতে পারেন তাঁর বাবা, চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। তবে বিয়ে সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সীমাকে বাড়িতে রাখা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।
এরপর সেদিন রাতেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন সোহেল ও সীমা। প্রথমে ইসলামি রীতিতে বিয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও পরে সীমার পরিবারের ইচ্ছার প্রতি সম্মান জানিয়ে হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুসারেই তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোহেল খান ও সীমা সচদেব। পরে তাঁদের সংসারে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় বলিউডের পরিচিত দম্পতি হিসেবে একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা।
তবে প্রায় ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন এই দম্পতি। যদিও বিচ্ছেদের পরও তাঁদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 7 hours আগে

