Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক খাতের প্রায় সব সূচকেই নেতিবাচক অবস্থা

    আগস্ট ২১, ২০২৩ ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতের প্রায় সব সূচকেই নেতিবাচক অবস্থা বিরাজ করছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোয় ঝুঁকির মাত্রাও বেড়েছে। বেড়েছে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণও, যা ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি থেকে বেড়ে এখন ১ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। অন্যান্য খাতের সব ঝুঁকি মিলে বাস্তবে এর পরিমাণ সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি। মূলত খেলাপি ঋণ ও অবলোপন করা খেলাপি ঋণের বিপরীতে এবং অন্যান্য খাতে পর্যাপ্ত প্রভিশন না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা এ সংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    এদিকে মূলধন সংরক্ষণের দিক থেকে ১০ শতাংশের কম রয়েছে ১১টি ব্যাংকে। ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ৩ শতাংশ বাড়লে ব্যাংক খাতে মূলধন সংরক্ষণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। তবে এখানে সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো-বর্তমানে এ খাতের তিনজন বড় ঋণগ্রহীতা খেলাপি হলেই ২২টি ব্যাংকের মূলধন ঝুঁকিতে পড়বে।

    এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলোয় খেলাপি ঋণ এখন বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। ঋণ আদায় বাড়িয়ে এগুলো কমানোর কোনো বিকল্প নেই। তবে ঋণ পুনঃতফশিল করে খেলাপির হার কমানো হলেও বাস্তবে সুফল মিলবে না। এজন্য ব্যাংকগুলোকে কঠোর হতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ছাড় দেওয়া বন্ধ করতে হবে। সরকারকে কঠোর আইন করতে হবে।

    সূত্রমতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে মাত্রাতিরিক্ত হারে। এর বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের হার কমেছে। ফলে সার্বিকভাবে মূলধন সংরক্ষণের হারও কমেছে। চাহিদা অনুযায়ী মূলধন না থাকায় ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ বেড়ে গেছে। গ্রাহকদের আমানত প্রবাহও কমেছে। ফলে ব্যাংকগুলোয় তারল্য প্রবাহের মাত্রাও কমেছে। এজন্য অনেক ব্যাংক তারল্য সংকটে ধুঁকছে। ডলার সংকটের কারণে বেশির ভাগ ব্যাংকেরই ঝুঁকি বেড়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে সুদহারের ঝুঁকি। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক খাতে সুদের হার বাড়ার পাশাপাশি এর বিপরীতে ঝুঁকিও বেড়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা থেকে সার্বিকভাবে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের বিপরীতে মূলধন রাখতে হয় কমপক্ষে ১০ শতাংশ। ঝুঁকির মাত্রা বেশি হলে এবং খেলাপি ঋণ বাড়লে ১২ শতাংশ রাখতে হয়। কিন্তু ব্যাংক খাতে মূলধন রাখার হার কম। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত মূলধন সংরক্ষণের হার ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ২০২১ সালে ছিল ১১ দশমিক ৮ শতাংশ। ব্যাংকিং খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ বাড়ায় গড় হিসাবে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের হার কয়েক বছর ধরে কমছে। কিন্তু ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে এ হার বেড়ে গেছে। ২০২১ সালে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের হার ছিল ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ। ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ১৭ শতাংশে। ফলে গত এক বছরের তুলনায় পরিমাণের দিক থেকেও ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ বেড়েছে।

    অপরদিকে ঋণ বিতরণের দিক থেকে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকির মাত্রাও বেড়েছে। শীর্ষ ৫ ব্যাংক ২৬ শতাংশ ঝুঁকিতে রয়েছে। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের ঝুঁকি ৪১ শতাংশের বেশি। কেননা কিছু ব্যাংক সীমার চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করে ঝুঁকিতে পড়েছে। আবার কিছু ব্যাংক সীমার চেয়ে অনেক কম ঋণ বিতরণ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মন্দায় ব্যাংকগুলোর গড় হিসাবে ঋণ বিতরণের সক্ষমতা কমেছে। ফলে ঋণ ও আমানতের অনুপাতও সীমার চেয়ে কম। বর্তমানে প্রচলিত ব্যাংকগুলো তাদের মোট আমানতের ৮৩ শতাংশ ও ইসলামি ব্যাংকগুলো সাড়ে ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু ব্যাংকগুলো গড়ে বিনিয়োগ করেছে ৮০ শতাংশের কম। ফলে ব্যাংকগুলোর হাতে অতিরিক্ত অর্থ থাকায় তাদের আয় কমেছে। আবার কোনো কোনো ব্যাংক তারল্য সংকটে ভুগছে। এসব ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাড়তি তারল্যের জোগান দিতে হচ্ছে।

    মূলধনের বিপরীতে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের ঝুঁকি রয়েছে ৩২ শতাংশ। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের ঝুঁকি রয়েছে সাড়ে ৫৪ শতাংশ। সব ব্যাংক মিলে এ খাতে ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ।

    একইভাবে ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার বাড়ার কারণেও ব্যাংকগুলোয় ঝুঁকি বেড়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের ঝুঁকি বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের ঝুঁকি বেড়েছে ৬৮ শতাংশ। সার্বিকভাবে শুধু বিনিময় হারের কারণে সব ব্যাংক ঝুঁকিতে রয়েছে ২৯ শতাংশ। এসব কারণে ব্যাংকগুলোর পরিচালন ঝুঁকিও বেড়েছে। শীর্ষ ৫ ব্যাংকের পরিমাণগত ঝুঁকি বেড়েছে ২৬ শতাংশ এবং শীর্ষ ১০ ব্যাংকের ৪৪ শতাংশ। সব ব্যাংকের পরিচালনগত ঝুঁকি রয়েছে ৮ শতাংশ।

    ব্যাংকিং খাতে মার্চ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অবলোপন, আদালতের নিষেধাজ্ঞায় খেলাপি করতে না পারা এবং খেলাপির তথ্য গোপন করা মিলে এর পরিমাণ ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি হবে বলে অনেকে মনে করেন। সেক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ আরও হবে।

    প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্যাংক খাতে মোট ঋণের মধ্যে ৭ থেকে ৮ শতাংশ নতুন ঋণ প্রতিবছর খেলাপি হচ্ছে। এতে পরিমাণভাবে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। কিন্তু ঋণ বিতরণের পরিমাণ বাড়ায় শতকরা হারে খেলাপি ঋণ কমে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের হার ৯ শতাংশের মতো। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে এ হার ৩ শতাংশের বেশি হলেই একে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়। সে হিসাবে খেলাপি ঋণের কারণেও বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত ঝুঁকিতে রয়েছে। পাঁচ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ থাকলেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই ব্যাংককে ঝুঁকিতে রয়েছে বলে চিহ্নিত করে। এ হিসাবে সব সরকারি ব্যাংক ঝুঁকিতে রয়েছে। বেসরকারি খাতের ১৪টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে। ফলে এসব ব্যাংকও ঝুঁকিতে।

    এদিকে করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সাল থেকে ঋণ আদায় ও ঋণ শ্রেণীকরণে শিথিলতা দেখানো শুরু হয়, যা কমবেশি এখনো চলছে। এতে ব্যাংকগুলোর ঋণ আদায় কম হচ্ছে। অন্যদিকে বিশেষ ছাড়ে ঋণ নিয়মিত থাকলে এর বিপরীতে সুদের একটি অংশ আদায় না করেও ব্যাংক আয় খাতে নিতে পারছে। এভাবে ব্যাংকগুলো সুদ আদায় না করেই কাগুজে মুনাফা দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। ফলে এ খাতেও ব্যাংকের ঝুঁকি বাড়ছে।

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকগুলোয় আয়ের প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু সেগুলো কাগুজে মুনাফা, বাস্তবে নয়। এ আয় দিয়ে ব্যাংকগুলোর টেকসই মূলধন প্রবৃদ্ধি করা সম্ভব হবে না।

    অকা/ব্যাংখা/ সকাল, ২১ আগস্ট, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ব্যাংক খাতের প্রায় সব সূচকেই নেতিবাচক অবস্থা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    ডলার বাজারে ফের চাপ

    খেলাপি ঋণে কড়াকড়ি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    প্রিমিয়ার ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ১৮৪ শতাংশ

    শেয়ারবাজারে বড় পতন থামাল মিউচুয়াল ফান্ড

    সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারবাজারে বড় পতন

    দেশে প্রথমবারের মতো ক্রস-বর্ডার নীতিমালা

    ১ কোটি টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে কারাগারে প্রিন্স মামুন

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি

    রফতানি আয় সময়মতো না আনলে মিলবে না ইডিএফ সুবিধা

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

    এবার কমলো সোনার দাম

    উৎসে কর তদারকির ক্ষমতা স্থগিতের দাবি শীর্ষ ৮ চেম্বারের

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.