Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ৫ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সরকার নতুন ঋণ নেওয়ার চেয়ে পরিশোধ করেছে বেশি

    জানুয়ারি ৯, ২০২৪ ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার তুলনায় আগের ঋণ বেশি পরিশোধ করেছে। সরকারের উন্নয়ন বাজেটের ব্যয় ব্যাপক কমে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজারে অর্থের প্রবাহ কমাতে সরকারের ঋণ নেওয়া কমেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ঋণাত্মক ৭,৮৪৬ কোটি টাকা। যদিও চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাত থেকে ১.৩২ লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের।

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ২৭ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে; আর এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে ৩৪ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। ২০২২ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ২৬ হাজার ৯৭ কোটি টাকা।

    একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের জন্য সরকার সব ধরনের উন্নয়ন ব্যয় ব্যাপকভাবে কমানোর কারণে সরকারের ঋণ নেওয়া কমে গেছে। তিনি বলেন, উন্নয়ন ব্যয় কমানোর সঙ্গে সঙ্গে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগের ঋণ পরিশোধ করেছে।

    ওই ব্যাংকার বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন সরকারকে ঋণ দেয়, তখন কার্যকত অর্থনীতিতে নতুন অর্থ প্রবেশ করে। এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে পণমূল্য এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে।

    'সরকার যেহেতু ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে, তাই তারা এ সময়ে ব্যাংক থেকে ধার করা কমিয়েছে,' বলেন তিনি।

    গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ১.২৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিয়েছিল ৯৮ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নিয়েছিল ২৫ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা ঋণ।

    সরকারের একজন সাবেক অর্থ সচিব নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে উন্নয়ন বাজেটে কম ব্যয় করতে চাওয়ায় এই সময়কালে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কম ছিল।

    'এ সময়ে কর রাজস্ব আহরণে ১৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সরকারকে ব্যয় মেটাতে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করেছে,' বলেন তিনি।

    তবে অর্থবছরের প্রথমার্ধে সরকারের উন্নয়ন ব্যয় কম হওয়াটা অস্বাভাবিক নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

    সাবেক এই অর্থ সচিব বলেন, 'অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে খুব সম্ভব সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা [সরকারকে] শেষপর্যন্ত ব্যাংকিং উৎস থেকে আরও ঋণ নিতে বাধ্য করবে।'

    ব্যাংকঋণের মতো সঞ্চয়পত্র থেকেও সরকারের ঋণের পরিমাণ ঋণাত্মক রয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে সরকারের নিট ঋণ ছিল ঋণাত্মক (–৩,৮৫৮ কোটি টাকা)। যদিও এই খাত থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। 

    এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারের নিট ঋণ ঋণাত্মক ছিল (–১,৬১০ কোটি টাকা)।

    বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে ২.৭৪ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যদিও অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ব্যয় হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা, বা মাত্র ১৭ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো মূল্যস্ফীতি কমানো। সে লক্ষ্যেই সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নেওয়া কমিয়েছে।

    'এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে দেওয়া ঋণের অন্যতম টুল পলিসি রেট বাড়িয়ে ৭.৭৫ শতাংশ করেছে। যদিও এক বছর আগে এই পলিসি রেট ছিল ৬ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংকঋণের সুদহারের ৯ শতাংশ ক্যাপ [সীমা] তুলে দিয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর ঋণের সুদহার প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি, যা বাজারে টাকার প্রবাহ আরও কমিয়ে দিয়েছে,' বলেন তিনি।

    ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সর্বশেষ আপডেট তথ্য বলছে, গত নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৪৯ শতাংশ। এছাড়া গত এক বছরের গড় মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ।

    একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান বলেন, 'সরকারের ব্যাংক খাত থেকে ঋণ কম নেওয়ার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট। অনেক ব্যাংক এখনও তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) এবং স্ট্যাটুটরি লিকুইডিটি রেশিও (এসএলআর) সংরক্ষণ করতে পারছে না।'

    ব্যাংকাররা বলছেন, বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার ফলে ব্যাংকিং খাতে বিদ্যমান তারল্য সংকট আরও খারাপ হতে পারে।

    সেপ্টেম্বরে যেখানে ব্যাংকিং খাতে অতিরিক্ত তারল্য ছিল ১.৭ লাখ কোটি টাকা, অক্টোবরে তা ১.৬ লাখ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

    অকা/ব্যাংখা/দুপুর/৯ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    সরকার নতুন ঋণ নেওয়ার চেয়ে পরিশোধ করেছে বেশি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    ব্যাংকিং খাতে গভীর ক্ষত
    সংকোচন নীতির চাপে প্রবৃদ্ধি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নগদ সহায়তায় স্বস্তি পেল পোশাক খাত

    রফতানিতে টানা ৭ মাসের মন্দা

    পুনঃতফসিলের ছোঁয়ায় খেলাপি ঋণ কমলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যাংক খাতে

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে রপ্তানিতে নতুন ধাক্কা: আকাশপথে অচলাবস্থা, সাগরপথে অনিশ্চয়তা

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা জোরদারে হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালার উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে রেকর্ড পতন: বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে অচলাবস্থার আশঙ্কা

    রমজানে ঢাকার বাজারে স্বস্তির খোঁজে দীর্ঘ লাইন

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধঝুঁকি: বাংলাদেশের জ্বালানি ও অর্থনীতির অস্বস্তি

    মাথাপিছু আয় বেড়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমেছে

    বিদেশি বিনিয়োগে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত শেয়ার বাজারে

    ফার্মাসলিউশনের সঙ্গে এনআরবি ইসলামিক লাইফের গ্রুপ বীমা চুক্তি

    বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর হলেন মোস্তাকুর রহমান

    জানুয়ারিতে রাজস্ব আদায়ে ধস – পুনর্নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা এখন অধরাই

    নির্বাচন-পরবর্তী আস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর পথে শেয়ার বাজার

    মার্কিন শুল্ক অনিশ্চয়তায় থমকে পোশাক রফতানি

    ঋণ পরিশোধে শিথিলতা: ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন স্বস্তি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    ব্যাংক খাতের ত্রিমুখী সংকট

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.