Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    খেলাপি ঋণের ৬৫ শতাংশই ১০ ব্যাংকে

    জানুয়ারি ১৭, ২০২৪ ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ কেন্দ্রীভূত হয়ে যাচ্ছে। কয়েকটি বড় খেলাপির কাছেই যেমন আটকে রয়েছে মোটা অঙ্কের ঋণ। তেমনি সরকারিসহ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকেই রয়েছে খেলাপি ঋণের সিংহভাগ। ব্যাংক খাতের মোট খেলাপি ঋণের ৬৫ শতাংশই রয়েছে শীর্ষ ১০ ব্যাংকের কাছে।

    খেলাপি ঋণে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে রয়েছে মোট খেলাপির ৪৮ শতাংশ। একইভাবে সম্পদের দিক থেকেও মোট সম্পদের ৩১ শতাংশ রয়েছে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে। মোট সম্পদের ৪২ শতাংশ রয়েছে শীর্ষ ১০ ব্যাংকের কাছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘আর্থিক স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের জুন পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতি তিন মাস পরপর আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিয়ে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে এসব প্রতিবেদন কোনো প্রান্তিক শেষ হওয়ার পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে প্রকাশ করত। এবার তা প্রকাশ করল সাড়ে ৬ মাস পর।

    প্রতিবেদনে দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এতে ঝুঁকির বিষয়গুলো যেমন রয়েছে, তেমনি সম্ভাবনার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, গত মার্চের তুলনায় জুনে ব্যাংকগুলোর সম্পদের গুণগত মান কমেছে। তবে মুনাফার প্রবণতা বেড়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ কিছুটা বাড়লেও মুনাফা কমেছে। ব্যাংক ও আর্থিক দুই খাতেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব দেশে আর্থিক খাতে আরও স্পষ্ট হচ্ছে। এর প্রভাবে ডলার সংকট বেড়েছে। আমদানি কমেছে। সব মিলে বৈশ্বিকভাবে দেশের আর্থিক খাত চাপের মধ্যে রয়েছে।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত জুন পর্যন্ত ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে ১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা মোট ঋণের ১০ দশমিক ১১ শতাংশ। এর মধ্যে ৪৮ শতাংশ খেলাপি ঋণই রয়েছে ৫টি ব্যাংকে। এসব ব্যাংকের সবগুলোই সরকারি খাতের। বাকি ৫২ শতাংশ অন্য ব্যাংকে। এ হিসাবে মোট খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই শীর্ষ ৫ ব্যাংকের কাছে। খেলাপি ঋণের শীর্ষ ১০ ব্যাংকের কাছে আটকে রয়েছে মোট খেলাপির ৬৫ শতাংশ। অন্য ব্যাংকে রয়েছে ৩৫ শতাংশ। আগে এ হার আরও কম ছিল। বর্তমানে কিছু ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় একদিকে যেমন এর পরিমাণ বেড়েছে। অন্যদিকে খেলাপি ঋণ বেশি মাত্রায় কেন্দ্রীভ‚ত হয়ে পড়েছে।

    একইভাবে মোট সম্পদের ৩১ শতাংশই রয়েছে শীর্ষ ৫ ব্যাংকের হাতে। বাকি ব্যাংকের কাছে রয়েছে ৬৯ শতাংশ। শীর্ষ ১০ ব্যাংকের কাছে সম্পদ রয়েছে ৪৫ শতাংশ। অন্য ব্যাংকের কাছে রয়েছে ৫৫ শতাংশ। ২ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে মাত্র ৭টি ব্যাংকের কাছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ২ শতাংশের কম খেলাপি ছিল ১০টি ব্যাংকের কাছে। এ হিসাবে ৩টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। ২ শতাংশের বেশি থেকে ৩ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে ৪টি ব্যাংকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৮টি ব্যাংকে। অর্থাৎ ছয় মাসে ৪টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ৩ শতাংশের বেশি থেকে ৫ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ রয়েছে ১৭টি ব্যাংকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ছিল ২০টি ব্যাংকে।

    আন্তর্জাতিকভাবে ৩ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ থাকলে ওই ব্যাংককে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ধরা হয়। বাংলাদেশে ৫ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ থাকলে ওই ব্যাংককে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে ধরা হয়। এ হিসাবে ৫ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে ৩৩টি ব্যাংকের। দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ৩৩টি ব্যাংকই খেলাপি ঋণের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায়।

    এদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়ে গত জুনে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। মোট ঋণের ২৭ দশমিক ৬৫ শতাংশই খেলাপি।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/১৭ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    খেলাপি ঋণের ৬৫ শতাংশই ১০ ব্যাংকে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    অর্থপাচারের অভিযোগ থাকলে ফেরা যাবে না ব্যাংকের বোর্ডে

    ট্রেজারি বন্ডের সুদহারে উল্লম্ফন: ব্যাংক ঋণের ব্যয় বাড়ছে সরকারের

    আরো বাড়লো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.