Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ঋণ এলো, চলে গেল ঋণ শোধেই

    জুন ২৪, ২০২৬ ৪:৪৮ অপরাহ্ণUpdated:জুন ২৪, ২০২৬ ৪:৪৮ অপরাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ ডেস্ক

    বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় চাপ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে যে পরিমাণ ঋণ ছাড় হয়েছে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই ব্যয় হয়েছে পূর্বে নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে। একই সঙ্গে নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি এবং অর্থছাড়—দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য হ্রাস লক্ষ্য করা গেছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) জুলাই-মে সময়ের বৈদেশিক ঋণসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ হিসেবে পেয়েছে ৪৫৭ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বিপরীতে পুরোনো ঋণের সুদ ও আসল বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪১৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার। ফলে মোট প্রাপ্ত ঋণের মাত্র ৪৪ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার নিট হিসাবে অবশিষ্ট রয়েছে। অর্থাৎ ছাড় হওয়া বৈদেশিক ঋণের ৮৯ দশমিক ২৮ শতাংশই ঋণ পরিশোধে চলে গেছে।

    নতুন ঋণ প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রেও গতি কমেছে। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৪২২ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার ডলারের ঋণ ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৬ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার কম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ছিল ৫৬০ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    সবচেয়ে বেশি পতন দেখা গেছে অনুদান প্রতিশ্রুতিতে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে অনুদান প্রতিশ্রুতি এসেছে মাত্র ১৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৩৮ কোটি ৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

    ঋণের অর্থছাড়েও উল্লেখযোগ্য সংকোচন ঘটেছে। চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছে ৪৫৭ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০৩ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ডলার কম। গত অর্থবছরের একই সময়ে ছাড় হয়েছিল ৫৬০ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, গত এক দশকে নেওয়া বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প ও উচ্চমূল্যের বৈদেশিক ঋণের অনেকগুলোর গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে আসায় এখন ঋণ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়ছে। ফলে নতুন ঋণ আসলেও তার বড় অংশ পুরোনো দায় পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে।

    চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে মোট পরিশোধ হয়েছে ৪১৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৩৭৮ কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ এক বছরে ঋণ পরিশোধ বেড়েছে ৩৪ কোটি ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ হাজার ৮৩৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সমপরিমাণ।

    এর মধ্যে সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে ১৪৪ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ১৪০ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার ডলারের তুলনায় বেশি। অন্যদিকে আসল ঋণ পরিশোধও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরে আসল পরিশোধ করা হয়েছে ২৬৮ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২৩৮ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

    সার্বিক পরিস্থিতি ইঙ্গিত করছে, বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীল উন্নয়ন অর্থায়নের মডেল এখন নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে নতুন ঋণের প্রবাহ কমছে, অন্যদিকে পুরোনো ঋণ পরিশোধের চাপ দ্রুত বাড়ছে। ফলে বৈদেশিক অর্থায়নের নিট সুবিধা সংকুচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    অর্থছাড় ঋণ ঋণের সুদ পরিশোধ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    যন্ত্রপাতি বন্দরে, ঋণের বোঝা ব্যাংকে—উৎপাদনহীন ৭ হাজার কোটির প্রকল্প

    সেপ্টেম্বরে ২ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন

    বিশ্ববাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ২৫ এজেন্সি নিয়ে উদ্বেগ

    ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারবে পিডিবি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    যন্ত্রপাতি বন্দরে, ঋণের বোঝা ব্যাংকে—উৎপাদনহীন ৭ হাজার কোটির প্রকল্প

    সেপ্টেম্বরে ২ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন

    বিশ্ববাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    দাউদপুরে এক মাঠে স্বাস্থ্য-ভূমি-এনআইডিসহ সব সরকারি সেবা

    গ্লোবাল মিশনে বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও সঞ্জয় দত্ত

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ২৫ এজেন্সি নিয়ে উদ্বেগ

    ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারবে পিডিবি

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন

    পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

    ভাই চার্লস স্পেসারের চোখে প্রিন্সেস ডায়ানার রোজনামচা

    বিয়ের নামে বিদেশযাত্রা, চীনে গিয়ে নিখোঁজ বা নির্যাতনের অভিযোগ

    ছাদেই হবে ১৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

    ইউএস-বাংলার দিগন্ত ছোঁয়ার প্রস্তুতি

    বিনিয়োগে গতি ফেরাতে সব বাধা দূর করার অঙ্গীকার

    শেয়ারবাজরেও জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাব

    বেসিক ব্যাংক পুনঃপ্রতিষ্ঠা চায় সরকার

    পরীমণি–মাসরুর বিতর্কে নতুন তথ্য, সামনে আসছে নামের বিভ্রান্তি

    ইউনানের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.