Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৬ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জুতা কারখানায় কাজে ব্যস্ত কারিগররা

    মার্চ ২৩, ২০২৫ ১১:৩৭ অপরাহ্ণ11
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সব কারখানাতেই এখন নানা ধরনের জুতা তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। সেরকমই একটি কারখানা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘পিও ফুটওয়্যার’। এখানে যন্ত্রে তৈরি জুতা কারখানায় কাজে ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে কারিগরদের। আর এসব তৈরি জুতা সারা দেশে যায়। এই ঈদ মৌসুমে ১৮ থেকে ২১ লাখ জোড়া জুতা তৈরির ল্য রয়েছে তাদের। এসব জুতা বিক্রি করে তাদের আনুমানিক ৪৫ থেকে ৬৫ কোটি টাকার মতো আয় হতে পারে।

    এ জেলায় হাতে ও যন্ত্রে দুভাবেই জুতা তৈরি করা হয়। এর মধ্যে যন্ত্রে তৈরি জুতার কারখানাকে বলা হয় ‘পিও ফুটওয়্যার’। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিও ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, এ জেলায় পিও ফুটওয়্যারের ৩৮টি কারখানা এবং হাতে তৈরির বা সনাতন পদ্ধতির ২০ থেকে ২৫টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় প্রায় ছয় হাজার শ্রমিক কাজ করেন।

    ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন এসব কারখানায় গড়ে প্রায় সোয়া লাখ জোড়া জুতা তৈরি হয়। শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের স্যান্ডেল, দুই ফিতার জুতা ও বেল্ট প্রভৃতি পণ্য তৈরি হয় এখানে। প্রতি জোড়া জুতা পাইকারিতে ২৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হয়। সেই হিসাবে জেলায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিন থেকে চার কোটি টাকার জুতা তৈরি হয়। সব মিলিয়ে চলতি মাসে এ জেলায় ১৮ থেকে ২১ লাখ জোড়া জুতা তৈরি হবে।

    স্থানীয় জুতার কারিগরেরা জানান, তাদের উৎপাদিত জুতা সারা দেশে যায়। বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরের ব্যবসায়ীরা এসে এখান থেকে জুতা কিনে নিয়ে যান। সম্প্রতি শহরতলির পীরবাড়ি ও সদর উপজেলার শরীফপুর এলাকায় বেশ কিছু কারখানা ঘুরে দেখেন প্রথম আলোর এ প্রতিবেদক। এ সময় সেভেন স্টার পিও ফুটওয়্যার, নিউ চায়না ফুটওয়্যার, ইনটেক্স পিও সফটওয়্যার, গ্র্যান্ড পিও ফ্যাশন ফুট ও ভরসা সুজসহ বিভিন্ন কারখানায় গিয়ে কারিগরদের ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে।

    কারিগরেরা রং মেশানো থেকে শুরু করে, সেলাই, পিন ও হুক লাগানো, সোল কাটা, জুতার বিভিন্ন অংশে আঠা লাগানো ও জুতার ওপরের অংশে কারখানার মোহর (সিল) দেয়াসহ যন্ত্রে জুতার সোল প্রস্তুত করেন। কারিগরেরা জানান, কারখানায় এখন দিনরাত কাজ হয়। বিশেষ করে দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজের চাপ বেশি থাকে।

    সেভেন স্টার পিও ফুটওয়্যারের কারিগর মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ বলেন, ‘এক মাস ধরে দৈনিক ১০ ঘণ্টা করে কাজ করছি। সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত তিন হাজার জোড়া ফাইবারে (সোল) সিল মারতে পারি।’ আরেক কারিগর জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ঈদ এলে দিনে ১৭-১৮ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। কাজের চাপ বেশি থাকায় আমি দুজন সহকারী নিয়োগ করেছি।’

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিও ফুটওয়্যার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হানিফ মিয়া বলেন, ঈদ মৌসুমকে কেন্দ্র করে সাধারণ যেকোনো মাসের তুলনায় জুতা উৎপাদন বেশি হয়। এখানকার পাদুকা-বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য উদ্যোক্তাদের ঋণসহায়তা প্রয়োজন।

    জুতা নিতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আল আমিন বলেন, ‘আমি সারা বছরই ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে জুতা নিয়ে বিক্রি করি। সামনে ঈদ। এ জন্য ৬০ কার্টন জুতা কিনেছি। এখানকার জুতার মান অনেক ভালো, দামও সাশ্রয়ী।’

    নিউ চায়না ফুটওয়্যারের মালিক ফারুক ওসমান জানান, ‘তাদের কারখানায় উৎপাদিত জুতার পাইকারি মূল্য ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা। অন্যান্য কারখানায়ও দর মোটামুটি এমনই। জুতার মানের বিষয়ে আমরা আপসহীন থাকি। এ জন্যই সারা দেশে এখানকার জুতার সুনাম আছে।’

    ফারুক ওসমান জানান, গত বছর রাসায়নিকের সংকট ছিল। এবার সেই সংকট নেই। গত এক বছরে জেলায় কারখানাও অনেক বেড়েছে। সব মিলিয়ে চলতি ঈদ মৌসুমে সবাই মোটামুটি ভালো ব্যবসা করছেন। তবে তাঁদের প্রত্যাশা আরও বেশি। তিনি আরও বলেন, ‘সরকার সহায়তা করলে আমরাও ভালো মানের জুতা বিদেশে রপ্তানি করতে পারব।’

    ভরসা সুজের ব্যবস্থাপক রাজু ভট্টাচার্যও ব্যবসায়ে ভালো অবস্থার কথা শোনালেন। তিনি জানান, প্রতিদিন দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার জোড়া জুতা তৈরি হয় তাদের কারখানায়। এসব জুতা বেশি যায় উত্তরবঙ্গে। ●

    অকা/শিবা/ফর/রাত/২৩ মার্চ, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও লোকসানের ঝুঁকি
    যুদ্ধের অভিঘাতে শিল্পে ‘কস্ট-পুশ’ সংকট

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    বিকল্প কী ধরনের সুবিধা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আমরা ভাবছি-বাণিজ্য সচিব

    শিল্পায়নের নতুন সুযোগ গ্রিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি-শিল্প উপদেষ্টা

    প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
    অর্ডার বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.