Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    জুলাই ১৪, ২০২৬ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক (আরএমজি) রফতানিকারক দেশ হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। তবে এই অবস্থানের আড়ালে উদ্বেগজনক একটি বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—রফতানি প্রবৃদ্ধি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশ্ববাজারে পোশাকের চাহিদা বাড়লেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। বরং এশিয়ার প্রধান প্রতিযোগী দেশগুলো যখন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ১ শতাংশেরও নিচে। ফলে বিশ্ববাজারে দেশের অংশীদারিত্ব কমছে এবং দ্বিতীয় অবস্থানও এখন চাপে পড়েছে।

    বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে। ২০২৪ সালে এই আয় ছিল ৩৮ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রফতানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। অথচ একই সময়ে বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অর্থাৎ বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারিত হলেও সেই প্রবৃদ্ধির সুবিধা নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

    বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা বাড়ার পরও বাংলাদেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশের নিচে থাকা কেবল সাময়িক দুর্বলতার ইঙ্গিত নয়; এটি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমে যাওয়ারও একটি স্পষ্ট বার্তা। উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং নীতিগত জটিলতার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের নতুন অর্ডার আকর্ষণে দেশটি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    ডব্লিউটিওর তথ্য বলছে, শীর্ষ রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে ২০২৫ সালে কেবল চীন, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি কমেছে। বিপরীতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগীরা উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সবচেয়ে দ্রুত এগিয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটি ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে ৩৭ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি করেছে। ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারে। কয়েক বছর আগেও এই ব্যবধান ছিল অনেক বেশি।

    শুধু ভিয়েতনামই নয়, কম্বোডিয়া ১৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে নজির স্থাপন করেছে। পাকিস্তানের রফতানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং ভারতের ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রায় সব প্রধান প্রতিযোগী দেশই বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সক্ষম হয়েছে।

    এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে। ২০২৪ সালে বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে তা কমে ৬ দশমিক ৭৬ শতাংশে নেমে এসেছে। বিপরীতে ভিয়েতনামের অংশীদারিত্ব ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে দ্বিতীয় অবস্থানের ব্যবধান এখন ইতিহাসের অন্যতম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

    অন্যদিকে দীর্ঘদিনের শীর্ষ রফতানিকারক চীনের আধিপত্যও ক্রমেই কমছে। ২০২৫ সালে দেশটির পোশাক রফতানি ৪ দশমিক ৯২ শতাংশ কমে ১৫৭ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে বিশ্ববাজারে চীনের অংশীদারিত্ব ছিল ৩১ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে কমে ২৭ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমেছে। তবে চীনের ছেড়ে দেওয়া বাজারের বড় অংশ দখল করতে সক্ষম হয়েছে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ সেই সুযোগ প্রত্যাশিত মাত্রায় কাজে লাগাতে পারেনি।

    খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের মতে, প্রতিযোগী দেশগুলো উৎপাদন সক্ষমতা, প্রযুক্তি, অবকাঠামো এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ধারাবাহিক বিনিয়োগ করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ এখনও জ্বালানি ও গ্যাস সংকট, উচ্চ সুদহার, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নতুন বিনিয়োগের ধীরগতির মতো বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত। এসব কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, সময়মতো পণ্য সরবরাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

    গত কয়েক বছরের প্রবৃদ্ধির ধারাও একই ধরনের অস্থিরতার চিত্র তুলে ধরে। ২০২২ সালে বাংলাদেশের পোশাক রফতানিতে রেকর্ড ২৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। ২০২৩ সালে তা কমে ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে আসে। ২০২৪ সালে ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধি আবার ১ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়ায় পুনরুদ্ধারের ধারাবাহিকতা ভেঙে গেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ নয়; বরং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রফতানি বৈচিত্র্য আনা, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি। অন্যথায় ভিয়েতনামের দ্রুত অগ্রযাত্রার মুখে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশের অবস্থান ধরে রাখা বাংলাদেশের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠবে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 17 hours আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুখবর
    আরও সহজ হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর নিয়ম

    প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু রাজস্ব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলছে না

    ডিজিটাল ঋণ বিতরণে নতুন ইতিহাস
    ১০ হাজার কোটি টাকার ন্যানো লোন দিলো সিটি ব্যাংক-বিকাশ

    বিশ্ব পোশাক বাণিজ্যে অংশ কমলো বাংলাদেশের

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ফ্রান্সকে বিদায় করে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

    হরমুজে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প

    দেশে ফেরার আগে বাংলার লোকগানে মুগ্ধ করলেন সানজয়

    মান্নাত নিয়ে আইনি লড়াইয়ে জয়, স্বস্তিতে শাহরুখ খান

    বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ২০২৯ সালে চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর

    প্রকাশ পেল সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকের ফার্স্ট লুক

    ঋণ আদায় আগের চেয়ে আশাব্যঞ্জক - এমডি
    বিডিবিএল আগের নামে ফিরছে

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

    একক ভ্যাট ও করপোরেট করহার চায় আইএমএফ

    যে গণতান্ত্রিক রায় রক্তক্ষরণে পরিণত হয়েছিল: ১৯৭১-এর নির্মম বাস্তবতা

    পুতুলের কণ্ঠে সৈয়দ রেজা আলীর নতুন মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বেখেয়ালি মন’

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুখবর
    আরও সহজ হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর নিয়ম

    ৪ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

    দামের কারসাজিতে আলোচিত পৌর কর্মচারী, অবশেষে বদলি

    ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের রেফারি কে এই ইভান বার্টন?

    প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু রাজস্ব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলছে না

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.