Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ২৪ কোম্পানির শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীর মালিকানা ১০ শতাংশের নিচে
    নিয়ন্ত্রণে উদ্যোক্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক গ্রুপ

    জুন ২৯, ২০২৫ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ২৪টি কোম্পানির শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং আমারস্টক ডটকমের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য বলছে, এসব কোম্পানির শেয়ারের বড় অংশ এখন উদ্যোক্তা পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে। এতে বাজারে শেয়ারের ফ্রি ফ্লোট বা লেনদেনযোগ্য অংশ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা তরলতা ও স্বচ্ছতা হ্রাসের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

    বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারধারিতার হার কমে যাওয়ার কারণে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে বাজারে দরবৃদ্ধি বা পতনের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক ওঠানামা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে দর নিয়ন্ত্রণে বড় বিনিয়োগকারী বা উদ্যোক্তাদের একক প্রভাব তৈরি হয়, যা বাজারের স্বাভাবিক গতিপথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। একইসঙ্গে এতে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও আগ্রহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    তালিকাভুক্ত এসব কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া, বাটা সু, ব্র্যাক ব্যাংক, বিএটিবিসি, বার্জার পেইন্টস, বিএসআরএম স্টিল, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, ডেসকো, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, এনভয় টেক্সটাইল, গ্রামীণ ফোন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), ইসলামী ব্যাংক, যমুনা অয়েল, ম্যারিকো বাংলাদেশ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, এমজেএল বাংলাদেশ, পাওয়ার গ্রিড, রেনেটা, রেকিট বেনকিজার, রবি আজিয়াটা, রূপালী ব্যাংক, ইউনিলিভার কনজুমার কেয়ার এবং ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।

    উদাহরণস্বরূপ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক কোম্পানি, যার মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮৮০টি। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে মাত্র ০.৭৩ শতাংশ শেয়ার। বিপরীতে উদ্যোক্তা পরিচালকদের দখলে রয়েছে ৯৫ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৪.০৭ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.২০ শতাংশ শেয়ার।

    ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানির (বিএটিবিসি) শেয়ারের সংখ্যা ৫৪ কোটি। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৮.১৫ শতাংশ, উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৭২.৯১ শতাংশ, সরকারের কাছে ০.৬৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪.১১ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে ৪.১৯ শতাংশ।

    বাটা সু কোম্পানির শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার, যার মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৯.৪৫ শতাংশ। উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৭০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৯.৩৪ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ১.২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

    গ্রামীণ ফোন, দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর হিসেবে পরিচিত হলেও, এর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে মাত্র ২.৫৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। উদ্যোক্তাদের কাছে রয়েছে ৯০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬.৫১ শতাংশ এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ০.৯৬ শতাংশ।

    আইসিবি-এর মোট শেয়ার ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬১টি। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে মাত্র ২.১৭ শতাংশ। উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৬৯.২০ শতাংশ, সরকারের কাছে ২৭ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ১.৬৩ শতাংশ শেয়ার।

    রবি আজিয়াটা, যার মোট শেয়ার সংখ্যা ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ, সেখানে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা মাত্র ৭.৯৭ শতাংশ। ৯০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তাদের দখলে এবং বাকিটা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভক্ত।

    ইউনিলিভার কনজুমার কেয়ার, দেশের অন্যতম বৃহৎ কনজ্যুমার ব্র্যান্ড, যার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশ মাত্র ৩.৫০ শতাংশ। এই কোম্পানির ৯২.৮০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে, ৩.৫৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এবং ০.১১ শতাংশ বিদেশিদের হাতে।

    এই ধরনের পরিস্থিতিতে বাজারে অংশগ্রহণ ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা। তারা বলেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশীদারিত্ব কমে গেলে বাজারে দর নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় বিনিয়োগকারীদের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে ছোট বিনিয়োগকারীরা ন্যায্য সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

    তারা আরও বলেন, শেয়ারবাজারে একটি স্বাস্থ্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন নীতিগত সংস্কার, যেমন — উদ্যোক্তা ও প্রাতিষ্ঠানিকদের শেয়ার ধারণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ, ফ্রি ফ্লোট শেয়ারের ন্যূনতম হার বাধ্যতামূলক করা এবং পুঁজিবাজারে অধিকতর স্বচ্ছতা ও তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা।

    সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেশ কিছু কোম্পানিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ বৈষম্যের একটি বড় ইঙ্গিত বহন করে। বাজারের ভারসাম্য, স্বচ্ছতা এবং আস্থার জন্য এ চিত্র পরিবর্তনের দাবি সময়ের প্রয়োজন। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২৯ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.