Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংকে টাকা রাখার ওপর খরচ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এনবিআর

    জুন ২, ২০২৪ ১:১৬ পূর্বাহ্ণUpdated:জুন ২, ২০২৪ ১:১৬ পূর্বাহ্ণ16
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের বাজেটে ব্যাংকে টাকা রাখার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে এনবিআর। এটি কার্যকর হলে ব্যাংকে টাকা রাখার খরচ সর্বোচ্চ ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এদিকে কর ফাঁকি রোধে ফার্নেস, বেইজ ও লুব্রিকেন্ট তেলের ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য দ্বিগুণ করা হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

    ২০২১-২২ অর্থ বছরে ব্যাংকে টাকা জমা রাখার আবগারি শুল্ক বাড়িয়েছিল সরকার। দুই অর্থ বছর বিরতি দিয়ে এ শুল্ক আবারও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে এক বছরের মধ্যে যে কোনো সময় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ টাকা জমা টাকার ওপর কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হয় না। এক লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ পর্যন্ত স্থিতির ওপর ১৫০ টাকা দিতে হয়, যা ২৪-২৫ বাজেটে ২০০ টাকা হতে পারে। ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর বিদ্যমান শুল্ক ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০০ টাকা হতে পারে।

    ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর বর্তমানে ৩ হাজার টাকা দিতে হয়। এই ধাপকে দুটি ভাগে ভাগ করা হতে পারে। প্রথম ভাগে ১০ লাখ টাকা থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ৩ হাজার টাকা এবং ৫০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকার ওপর ৩ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হতে পারে।

    বর্তমানে বছরে যে কোনো সময়ে কোনো ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি টাকা থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যাংকে স্থিতি থাকলে তার ওপর এক্সাইজ ডিউটির পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা। এই শ্রেণির ব্যাংক হিসাবধারীদের দুটি ভাগে ভাগ করা হতে পারে। ১ কোটি টাকা থেকে ২ কোটি টাকার হিসাবধারীদের অপরিবর্তিত রেখে ২ কোটি টাকা থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হিসাবধারীদের ওপর তা বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হতে পারে। আর ৫ কোটি টাকার ওপরে জমা থাকা অর্থের ওপর বিদ্যমান ৫০ হাজার টাকার এক্সাইজ ডিউটি অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে।

    প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কোনো ব্যাংক হিসাবে আমানতের পরিমাণ যদি একবার এক লাখ টাকা বা তার ওপরের স্তরগুলোর সীমা স্পর্শ করে, তাহলে নির্দিষ্ট হারে আবগারি শুল্ক দিতে হয়। একাধিকবার স্পর্শ করলেও একবারই আবগারি শুল্ক কাটা হয়।

    বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যৌক্তিক হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আমিন বলেন, বর্তমানে ব্যাংক আমানতকারী থেকে ছয় ধরনের চার্জ কাটা হয়। এ অবস্থায় নতুন করে আবগারি শুল্ক বাড়ানো একেবারেই অযৌক্তিক। ব্যাংক আমানত থেকে সহজেই রাজস্ব কেটে রাখা সম্ভব। তাই এভাবে শুল্ক বাড়ানো হলে জনগণ ব্যাংকে আমানত রাখতে নিরুৎসাহিত হবেন। এতে করে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার সৃষ্টি হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ব্যাংক হিসাবধারীর সংখ্যা ১৫ কোটি ৩৫ লাখ। এর মধ্যে যারা এক্সাইজ ডিউটির আওতায় আসবে অর্থাৎ ২ লাখ টাকার ওপরে হিসাবধারীর সংখ্যা প্রায় ৯৯ লাখ। আর এক কোটির ওপর হিসাবধারীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার।

    এদিকে কর ফাঁকি এড়াতে ফার্নেস, বেইজ ও লুব্রিকেন্ট তেলের ন্যূনতম শুল্কায়ন মূল্য দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়াতে যাচ্ছে এনবিআর। ফলে আমদানিকারকদের মিথ্যা ঘোষণার কারণে বর্তমানে হাতছাড়া হওয়া প্রায় ৯০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহের আশা করা হচ্ছে।

    সূত্র জানায়, ফার্নেস অয়েলের ট্যারিফ মূল্য দ্বিগুণ হতে পারে। অন্যদিকে বেইজ তেল ও লুব্রিকেন্ট তেলের ট্যারিফ বিদ্যমান স্তর থেকে ৫০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। বর্তমানে ফার্নেস তেলের ট্যারিফ মূল্য প্রতি টনে ২৬৫ ডলার। বেইজ তেল (লুব্রিকেন্ট তেল তৈরির একটি কাঁচামাল) ও লুব্রিকেন্টে তেলের ট্যারিফ মূল্য যথাক্রমে ৭০০ ও দুই হাজার ডলার। এ ছাড়া এ তিন ধরনের তেলের মোট করহার যথাক্রমে ৩৪ শতাংশ, ৩১ শতাংশ ও ৪৯ শতাংশ।

    ভারী জ্বালানি তেলচালিত (এইচএফও) বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রে ফার্নেস অয়েল ব্যবহৃত হয়। শিল্প, পরিবহন ও অন্যান্য খাতে বিভিন্ন ইঞ্জিনে লুব তেল ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের প্রায় ৬০টি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফার্নেস তেল ব্যবহার করে। ●

    অকা/অখা/সকাল/ ২ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    এনবিআর ব্যাংকে টাকা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে মিলবে কর ছাড়

    অংশীদারত্ব জোরদারে আরএকে সিরামিকসের বিশেষ উদ্যোগ

    এক ক্লিকেই করদাতার সব তথ্য
    এনবিআরকে নতুন রোডম্যাপ দিল আইএমএফ

    আগে রিটার্ন, কম কর; দেরি করলেই জরিমানা

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    উৎসে কর মনিটরিং জোরদার, এনবিআরের বিশেষ টিম

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সেপ্টেম্বরে ২ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন

    বিশ্ববাজারে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি

    ৮ মাসে কাজ হারিয়েছে ৬২ হাজার শ্রমিক

    দাউদপুরে এক মাঠে স্বাস্থ্য-ভূমি-এনআইডিসহ সব সরকারি সেবা

    গ্লোবাল মিশনে বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও সঞ্জয় দত্ত

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে ২৫ এজেন্সি নিয়ে উদ্বেগ

    ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কিনতে পারবে পিডিবি

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন

    পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

    ভাই চার্লস স্পেসারের চোখে প্রিন্সেস ডায়ানার রোজনামচা

    বিয়ের নামে বিদেশযাত্রা, চীনে গিয়ে নিখোঁজ বা নির্যাতনের অভিযোগ

    ছাদেই হবে ১৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

    ইউএস-বাংলার দিগন্ত ছোঁয়ার প্রস্তুতি

    বিনিয়োগে গতি ফেরাতে সব বাধা দূর করার অঙ্গীকার

    শেয়ারবাজরেও জ্বালানি সঙ্কটের প্রভাব

    বেসিক ব্যাংক পুনঃপ্রতিষ্ঠা চায় সরকার

    পরীমণি–মাসরুর বিতর্কে নতুন তথ্য, সামনে আসছে নামের বিভ্রান্তি

    ইউনানের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

    এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

    বাংলাদেশের স্বার্থেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন জরুরি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.