অর্থকাগজ ডেস্ক
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান পরিবর্তন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন ঘোষণায় তিনি জানিয়েছেন, শুল্ক আরোপের পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকেই অগ্রাধিকার দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নেবে এবং এ পথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে শুল্ক আদায় করা হবে। তবে ওই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে ইরান এ উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক নৌ-আইনের পরিপন্থী বলে কঠোর সমালোচনা করে।
হোয়াইট হাউসের সর্বশেষ অবস্থান অনুযায়ী, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। এই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে গুরুত্ব দিয়েই শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা থেকে আপাতত সরে এসেছে ওয়াশিংটন। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা না বাড়িয়ে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথগুলোর একটি। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের উল্লেখযোগ্য অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যেকোনও সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্য এবং ভূরাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হরমুজকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ট্রাম্পের সর্বশেষ অবস্থান পরিবর্তনের ফলে পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 3 hours আগে

