Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    সোমবার, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১১ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    মে ১১, ২০২৬ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    টানা প্রায় চার বছর ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে আটকে আছে। জীবনযাত্রার ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, সেই তুলনায় মজুরি ও বেতন বৃদ্ধির হার অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আমদানিনির্ভর ভোক্তা বাজারে। একসময় মধ্য ও উচ্চবিত্তের নিত্যব্যবহারের তালিকায় থাকা বিদেশি প্রসাধনী, চকোলেট, জুতা কিংবা লাইফস্টাইল পণ্য এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে বাজারজুড়ে তৈরি হয়েছে এক ধরনের নীরব স্থবিরতা।

    ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি কিংবা চট্টগ্রামের অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে এখন একই চিত্র। প্রিমিয়াম পণ্যের তাক আগের মতো ঝলমলে নয়, ক্রেতার ভিড়ও কমে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিক্রেতারা বলছেন, যেসব গ্রাহক আগে দামের দিকে না তাকিয়ে কেনাকাটা করতেন, তারাও এখন একাধিক দোকান ঘুরে দাম যাচাই করছেন অথবা অনেক ক্ষেত্রে কেনাকাটা স্থগিত রাখছেন।

    বাজারে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে আমদানিকৃত এফএমসিজি ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্যে। একসময় সুপারশপের তাকজুড়ে থাকা জিলেট রেজর, হেড অ্যান্ড শোল্ডার্স, ওরাল-বি, ফেরেরো রোশার বা কিটক্যাটের মতো পণ্য এখন অনেক ক্ষেত্রেই অনুপস্থিত। কোথাও কোথাও দেশি বিকল্প পণ্য সেই জায়গা দখল করেছে। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশি ব্র্যান্ডের পণ্যের সরবরাহ কমে যাওয়ায় পুরো খুচরা বাজারের চরিত্রই বদলে যাচ্ছে।

    খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, লাইফস্টাইল ও ফ্যাশন পণ্যের বিক্রি ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। একইভাবে আমদানিকৃত চকোলেট ও খাদ্যপণ্যের বাজারেও বড় ধস নেমেছে। আগে যেখানে বিদেশি ব্র্যান্ডের আধিপত্য ছিল, এখন সেখানে দেশি পণ্যের অংশ বাড়ছে দ্রুত। আমদানিকারকরা বলছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ শুল্ক, এলসি খোলায় কড়াকড়ি এবং টাকার অবমূল্যায়নের কারণে বিদেশি পণ্যের দাম এতটাই বেড়েছে যে সাধারণ ভোক্তারা সেগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।

    সুপারশপগুলোতেও এই পরিবর্তন স্পষ্ট। কয়েক বছর আগেও যে কিটক্যাট ২৫ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তার দাম প্রায় দ্বিগুণ। ফেরেরো রোশারের মতো প্রিমিয়াম চকোলেটের দাম চার বছরে ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকায় পৌঁছেছে। একইভাবে সিরিয়াল, স্কিনকেয়ার ও শিশুখাদ্যের মতো পণ্যের দামও অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ হয়েছে।

    খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের আচরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এখন অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া আমদানিকৃত পণ্য কিনতে চাইছেন না। কেউ কেউ নির্দিষ্ট পণ্য খুঁজতে একাধিক দোকান ঘুরছেন, আবার অনেকে অনলাইনে খুঁজলেও উচ্চমূল্য বা ‘আউট অব স্টক’ সমস্যার মুখে পড়ছেন।

    ব্যাংকিং খাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২২ সালে ডলার সংকট শুরুর পর সরকার বিলাসজাত পণ্যের আমদানিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। খাদ্য ও জরুরি পণ্যের এলসিকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় চকোলেট, কসমেটিকস, ফ্যাশন ও গাড়ির মতো পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। পরবর্তীতে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল হলেও বাজার আগের অবস্থায় আর ফিরতে পারেনি।

    বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড পরিচালনাকারী বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন চাপের মুখে। নাইকি, পুমা, অ্যাডিডাস, লেভিস কিংবা জিওর্ডানোর মতো ব্র্যান্ডের বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনাকারীরা বলছেন, ক্রেতাদের ব্যয় সংকোচন ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিক্রি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিপুল ছাড় দিয়েও পণ্য বিক্রি বাড়ানো যাচ্ছে না। নতুন কালেকশন আনার আগেই পুরোনো স্টক জমে থাকছে।

    সুপারশপগুলোর ‘প্রিমিয়াম’ ভাবমূর্তিও ক্ষয় হচ্ছে দ্রুত। আমদানিকৃত প্রসাধনী, স্কিনকেয়ার কিংবা স্ন্যাকসের তাক এখন আগের তুলনায় অনেক ফাঁকা। অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে দেশি বিকল্প পণ্যের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, উচ্চমূল্যের কারণে অনেক ক্রেতাই এখন বিদেশি পণ্য কেনা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছেন।

    প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল খাতেও একই চিত্র। বিউটি, ফ্যাশন ও বিলাসপণ্যের বিক্রি সচল রাখতে বড় বড় ব্র্যান্ডকে এখন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিতে হচ্ছে। তবুও শপিংমলগুলোতে আগের মতো ক্রেতা দেখা যাচ্ছে না। মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এখন উৎসব বা প্রয়োজন ছাড়া শৌখিন কেনাকাটা এড়িয়ে চলছে।

    আমদানিকারকরা আরও বলছেন, কাস্টমস মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে অনেক পণ্যের ‘মিনিমাম অ্যাসেসেবল ভ্যালু’ বাড়ানো হয়েছে। ফলে শুল্ক বেড়ে আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ছোট আমদানিকারকদের অনেকেই ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

    এই সংকটের সবচেয়ে বড় প্রতীক হয়ে উঠেছে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান Procter & Gamble–এর কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া। প্রায় তিন দশক ব্যবসা পরিচালনার পর ২০২৫ সালের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রধান ডিস্ট্রিবিউশন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। এর ফলে জিলেট, প্যাম্পার্স, ওরাল-বি ও ওলের মতো জনপ্রিয় পণ্য বাজারে আরও দুর্লভ হয়ে পড়ে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা মূল্যস্ফীতি, ডলারের অস্থিরতা, এলসি সংকট এবং ভোক্তাদের আস্থাহীনতা মিলিয়ে পুরো প্রিমিয়াম বাজার এখন কঠিন সময় পার করছে। উচ্চ আয়ের পরিবারগুলোও এখন ব্যয়ের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অনেক বেশি সতর্ক। ফলে বিলাসপণ্য খাতে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, তা শুধু অর্থনৈতিক নয়—এটি ভোক্তাদের মানসিকতা ও আস্থার সংকটেরও প্রতিফলন।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 9 hours আগে

    আমদানি পণ্য বাজার মূল্যস্ফীতি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ঈদের আগে চাঙ্গা প্রবাসী আয়

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    গভর্নরের কাছে ডিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা

    এপ্রিলেও বাড়লো মূল্যস্ফীতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    ঈদের আগে চাঙ্গা প্রবাসী আয়

    অনিরাপদ অভিবাসনের কারণ ও প্রতিকার

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    কোরবানির আগে কমেছে মসলার দাম

    গভর্নরের কাছে ডিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ডিএপি কারখানা চালু হচ্ছে আজ

    ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা

    আকুর বিল পরিশোধ
    ৩৪ বিলিয়নের নিচে নামল দেশের রিজার্ভ

    পর্যবেক্ষণ লেখকের নিজস্ব
    দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণ রক্ষাকবচ নয়

    ডলারের বাইরে ঋণ ভাবনায় বাংলাদেশ

    ব্যাংক খাতে মুনাফার উল্লম্ফন তবুও বাড়ছে দুর্বল প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা

    এপ্রিলেও বাড়লো মূল্যস্ফীতি

    আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

    এবার বাড়লো লঞ্চের ভাড়া

    ওয়ালটনের সর্ববৃহৎ আইকনিক কর্পোরেট অফিস নির্মাণ

    নতুন কর কাঠামোতে বাড়ছে ব্যক্তির করচাপ

    নীতির বাইরে দ্রুত বাড়ছে সৃজনশীল অর্থনীতি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.