Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ইলিশ এখনও ক্রেতা নাগালের বাইরে

    আগস্ট ২৬, ২০২১ ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ● 

    ইলিশ মাছের এখন ভরা মৌসুম।জেলের জালে ধরা পড়ছে ইলিশ।অথচ তুলনামূলক আগের চেয়ে দাম বেশ্।অর্থাৎ ইলিশ মাছ এখন ক্রেতার নাগালের বাইরে!স্বাদের সুনাম ধরে রেখে বাংলার জাতীয় মাছ ইলিশ বিশ্বজুড়ে এখনো ছড়াচ্ছে দ্যুতি। বিশ্বে উৎপাদিত ইলিশের ৮৬ শতাংশের বেশি মেলে বাংলাদেশের নদ-নদীতে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ইলিশ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। বর্ষা মৌসুম এলেই বছর বছর ডিম ছাড়তে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ চলে আসে নদীর মোহনায়। এ সুযোগে জেলেরা ইলিশ ধরতে নামেন নদী থেকে সমুদ্রে। ভরা মৌসুমে ইলিশে ভরে যায় জেলের নৌকা। জেলের মুখে দোল খায় হাসি। তাই বাজারেও সস্তায় মেলে ইলিশ। তবে এবারের ছবি একেবারেই আলাদা। ভরা মৌসুমেও ইলিশের দামে আগুন। এবার যেন ‘মাছের রাজা’ বদলে ‘দামের রাজা’ হয়ে উঠেছে ইলিশ। সস্তায় ইলিশ কেনার আশায় যারা দিন গুনছিল, এবার তাদের ডিপ ফ্রিজ খালিই থাকছে। অন্য বছর ক্রেতারা হালি হালি, ডজন ডজন ইলিশ কিনলেও এবার এখনো অনেকের পাতেই ওঠেনি এক টুকরো ইলিশ!

    ইলিশের দাম এবার কেন বেশি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, এবার জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভৌগোলিক ও পরিবেশগত কারণে ইলিশের ঝাঁক সাগরে থাকে। পরিভ্রমণশীল হওয়ায় সব সময় একই স্থানে ইলিশের প্রাচুর্য সমান থাকে না। আবহাওয়াজনিত কারণে এবার কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে ইলিশের মৌসুম। পূর্ণিমার সময় জোয়ার যখন বেশি থাকে তখন ইলিশ ধরা পড়ে বেশি। তবে এবার জোয়ারের পানির উচ্চতা অন্তত তিন ফুট কম থাকছে। এর সঙ্গে রয়েছে নদীদূষণ ও নাব্যতাসংকট। ফলে জালে মিলছে না ইলিশ। এবার মৎস্যপল্লীগুলোতেও নেই তেমন কর্মচঞ্চল্য। খাঁ খাঁ করছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ও মাছের আড়তগুলো। ইলিশের আশায় মাঝসমুদ্রে সারা রাত জাল ফেলে ভোরে অনেকটাই গোমড়া মুখে ফিরছেন জেলেরা।

    গেল বছর এই ভরা মৌসুমে ইলিশের দাম কম থাকলেও এবার দামটা অনেকের নাগালের বাইরে। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে তেমন ইলিশ নেই। মূলত বাজারে এবার সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দামে আগুন। সরবরাহ না বাড়লে কমবে না দাম।

    জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ইলিশের ভরা মৌসুম। ভরা মৌসুমেও ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই, বরগুনার পাথরঘাটা, বাগেরহাটের শরণখোলায় সেভাবে ইলিশের বাজার জমে ওঠেনি।

    রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, দুই দিন আগের চেয়ে ২৪ আগস্ট বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। সেই আড়তে এক কেজি ২০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি বিক্রি হয়েছে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ২৫০ টাকায়, এক কেজি থেকে এক কেজি ১০০ গ্রাম এক হাজার থেকে এক হাজার ১০০ টাকায়, ৮০০-৯০০ গ্রাম ৭০০-৮০০ টাকায়, ৫০০-৬০০ গ্রাম ৪৮০-৫০০ টাকা এবং ৪০০ গ্রাম ৪০০-৪২০ টাকায়। ছোট ইলিশ পাঁচ-ছয়টিতে এক কেজি ৩০০-৩৫০ টাকা এবং সাত-আটটিতে এক কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    একইদিনে চাঁদপুর বড় স্টেশন পাইকারি বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ১২৫ টাকা, এক কেজির নিচে ৮০০ গ্রামের বেশি প্রতি কেজি ৮২৫-৮৫০, ৬০০-৮০০ গ্রাম ৫০০-৫২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    রাজধানীর সুপারশপগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, স্বপ্ন ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি পিস ইলিশ ৩৬৫ টাকা এবং ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ৬৬৮ টাকায় বিক্রি করছে। মীনাবাজারে এক কেজি থেকে এক কেজি ১.১৯৯ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ৪৭৫ টাকায় বিক্রি করছে। আগোরায় ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি পিস ৩৭৯ টাকায় এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি এক হাজার ১৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    কারওয়ান বাজার রেললাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা পাইকারি মাছের বাজারের সামনের ফুটপাতে ৩০-৩৫ জন বিক্রেতা ডালায় ইলিশ সাজিয়ে বসে আছেন। কিন্তু দাম বেশি থাকায় ক্রেতাদের আনাগোনা নেই খুব একটা। যে দু-একজন কিনছেন, প্রত্যেকেই চড়া দামে ইলিশ কিনে বাড়ি ফিরছেন। আবার অনেকে দাম শুনেই কপালে ভাঁজ ফেলছেন।  ক্রেতা আল মামুন বলেন, ‘কারওয়ান বাজারে এসেছিলাম কম দামে ইলিশ কিনতে। কিন্তু এখানেই যে দাম চায় তা শুনে দরদাম করার সাহস পাচ্ছি না। এত দাম দিয়ে আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষের ইলিশ খাওয়ার সাধ্য নেই। ইলিশ খাওয়াটা জরুরি কিছুও না যে এত দাম দিয়েই খেতেই হবে।’

    শান্তিনগর উড়াল সেতুর নিচে আজ (২৬ আগস্ট) সকালে ক্রেতা শরীফ আহম্মদ (৬৫) এক কেজি জাটকা কিনলেন ৪০০ টাকায়।  তিনি বলেন, কেজিতে পাঁচটি পেলাম। ৭০০কিলোগ্রাম ওজনের গোটা একটা ইলিশের দাম হাঁকছে ১১০০ টাকা।  সাহস হলো না।কেনার। তাই ইলিশের স্বাদ মিটাচ্ছি জাটকায়।

    খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এবার ইলিশ মাছ খুব কম আসছে, তাই আড়ত থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। দাম চড়া থাকায় মানুষ এবার ইলিশ কম কিনছে। দাম কম থাকায় গেল বছর সব আকারের ইলিশ হালি হিসেবে বিক্রি করেছি, এবার দাম বেশির কারণে কেজি হিসেবে বিক্রি করতে হচ্ছে। কারওয়ান বাজারের ৯ নম্বর আড়তের আড়তদার আব্দুর রহমান সবুজ বলেন, ‘এখন ইলিশের ভরপুর সিজন। কিন্তু নদীতে মাছ কম, তাই বাজার গরম। তবে দুই দিন আগের চেয়ে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছটা বেড়েছে। তাই সব সাইজের ইলিশের দামও কিছুটা কম। এখন বরিশাল থেকেই বেশি ইলিশ বাজারে আসছে। ইলিশের বাজারটা হচ্ছে সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কমে যায়, আবার সরবরাহ কমে গেলে দাম বেড়ে যায়। বাজারে গতবারের মতো ইলিশ থাকলে প্রতি কেজিতে ১৫০-৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম কম থাকত।’পাইকারি বাজারের ৪১ নম্বর আড়তদার মো. আলাল বলেন, ‘এবার ইলিশের আমদানি খুবই কম, তাই দাম বেশি। দাম বেশি থাকলেও ইলিশের চাহিদা আছে।’কারওয়ান বাজারের খুচরা বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘বাজারে দাম বাড়তি থাকার কারণে ক্রেতা ইলিশ কম কিনছে। গত বছর এই সিজনে প্রতিদিন চার-পাঁচ মণ ইলিশ বিক্রি করা যেত। এ বছর এখন পর্যন্ত দিনে সর্বোচ্চ দেড় মণের মতো ইলিশ বিক্রি করতেই কষ্ট হচ্ছে।’

    ইলিশের প্রজনন মৌসুম ঘিরে গেল ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন জাল ফেলে ইলিশ পাচ্ছেন না জেলেরা। সাগরে যাওয়া আসার তেল খরচের টাকাও উঠছে না অনেকের। মৌসুমের শুরুতে নৌকা, জাল কেনা ও মেরামতের জন্য ধারদেনাসহ স্থানীয় পর্যায়ে ঋণ করেন জেলেরা। মৌসুম এলে চার-পাঁচ মাস ইলিশ শিকার করেন। দেনা ও কিস্তির ঋণ পরিশোধ করেন মাছ বিক্রির আয় দিয়ে। বাকি টাকায় সংসার চলে। এবার ইলিশ না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে দুর্বিষহ দিন কাটছে তাঁদের।

    ইলিশের দেখা মিলছে না এবার সাগরেও। এক রকম খালি ট্রলার নিয়ে ফিরছেন জেলেরা। মৌসুমের পাঁচ মাস পার হলেও এ পর্যন্ত লাভের মুখ দেখেননি কোনো মহাজন। সাগর থেকে উঠে আসার পর সবার চোখে-মুখে দেখা যাচ্ছে হতাশার ছাপ। এক ট্রিপে দুই লাখ টাকা বিনিয়োগ করে একটি ইলিশও জালে ধরা পড়েনি, এমন ট্রলারও রয়েছে। কেউ কেউ পুঁজি হারিয়ে সাগরে ট্রলার পাঠাতে পারছেন না বলেও জানা গেছে। একেকটি ট্রলার সাগরে পাঠাতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। মাছ না মেলায় তেল খরচও ওঠেনি অনেক মহাজনের।

    চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায়ও জেলেদের প্রত্যাশিত ইলিশ মিলছে না। চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আব্দুল বারী মানিক জানান, পাইকারি বাজার বড় স্টেশনে সাগর ও উপকূলে ধরা পড়া ইলিশের চালানই মূল উৎস। তবে স্থানীয় নদীতে যে পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ে তা চাহিদা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত নয়।

    বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের চাঁদপুরের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান বলেন, ইলিশ পরিভ্রমণশীল হওয়ায় সব সময় একই স্থানে ইলিশের প্রাচুর্য সমান থাকে না। এ ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের চলাচলের পথ ও জীবনচক্রে কিছুটা বিঘ্ন ঘটতেও পারে। এ কারণেও জেলের জালে ইলিশ কম আসতে পারে।

    #

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.