Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    এমএসএমইর শক্তিই টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি

    জুন ২৯, ২০২৬ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ8
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    রুনা হোসেন> 

    বিশ্ব অর্থনীতির আলোচনায় বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী, বহুজাতিক কোম্পানি কিংবা প্রযুক্তি জায়ান্টদের নামই বেশি উচ্চারিত হয়। অথচ বাস্তবতা হলো, একটি দেশের অর্থনীতির প্রকৃত ভিত্তি গড়ে ওঠে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের হাত ধরে। বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবসা এবং ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কর্মসংস্থান এই খাতের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ অর্থনীতির প্রাণশক্তি লুকিয়ে আছে এমএসএমই খাতে।

    তবু সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো, যে খাত অর্থনীতিকে সচল রাখে, সেই খাতই সবচেয়ে বেশি অর্থায়ন সংকটে ভোগে। জাতিসংঘের তথ্য বলছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ৪১ শতাংশ এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ৩০ শতাংশ উদ্যোক্তা প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা পান না। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। নতুন উদ্যোক্তাদের বড় একটি অংশ মূলধনের অভাবে ব্যবসা শুরু করতে পারেন না, আবার অনেকে ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেও হিমশিম খান।

    বিশ্ব যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন ও ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এমএসএমই খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিকল্প নেই। প্রযুক্তি অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু প্রযুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে মানুষকে। কারণ প্রযুক্তি কখনো উদ্যোক্তার সৃজনশীলতা, সাহস কিংবা উদ্ভাবনী চিন্তার বিকল্প হতে পারে না। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা উৎপাদন, বিপণন, হিসাব ব্যবস্থাপনা ও বাজার সম্প্রসারণে আরও দক্ষ হতে পারেন।

    বাংলাদেশে এমএসএমই খাতের গুরুত্ব বহুমাত্রিক। এই খাত শুধু কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে না, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রও তৈরি করে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়লে পারিবারিক আয় যেমন বাড়ে, তেমনি সামাজিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র এখনো আশাব্যঞ্জক নয়। দেশে প্রায় এক কোটি পুরুষ উদ্যোক্তার বিপরীতে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা মাত্র সাত লাখ। এই বৈষম্য দূর করা সময়ের দাবি।

    সরকার নতুন বাজেটে এমএসএমই খাতকে গুরুত্ব দিয়েছে। সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা, ক্লাস্টার ম্যাপিং হালনাগাদ এবং শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ‘ইয়েস প্রোগ্রাম’ চালুর উদ্যোগ ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে শুধু পরিকল্পনা গ্রহণ করলেই হবে না, তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। মাঠপর্যায়ে উদ্যোক্তারা যাতে সহজে এসব সুবিধা পান, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

    সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো অর্থায়ন। এখনও অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা জামানতের অভাবে ব্যাংকঋণ পান না। আবার যারা ঋণ পান, তাদের অনেককে উচ্চ সুদের চাপ সামলাতে হয়। ফলে ব্যবসা সম্প্রসারণের বদলে তারা টিকে থাকাই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন। তাই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উচিত ঝুঁকি মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতি চালু করা, যাতে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ পান। পাশাপাশি বিকল্প অর্থায়নের পথ—যেমন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, ক্রাউডফান্ডিং কিংবা ডিজিটাল ঋণসেবা—আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

    এমএসএমই খাতের আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ দক্ষতা ও বাজারসংযোগ। অনেক উদ্যোক্তার ভালো পণ্য থাকলেও আধুনিক বিপণন কৌশল, ব্র্যান্ডিং কিংবা রপ্তানি সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা নেই। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং ডিজিটাল মার্কেটপ্লেসে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

    জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রায় ৬০ কোটি নতুন কর্মসংস্থানের প্রয়োজন হবে। এর ৭০ শতাংশই আসবে এমএসএমই খাত থেকে। অর্থাৎ ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি এই খাতের হাতেই।

    বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের পথে এগোচ্ছে। এই যাত্রায় বড় শিল্পের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের আরও শক্তিশালী করা অপরিহার্য। কারণ একটি শক্তিশালী এমএসএমই খাত মানেই শক্তিশালী স্থানীয় অর্থনীতি, বিস্তৃত কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি।

    অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কেবল কয়েকটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের হাতে নয়; বরং লাখো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার স্বপ্ন, পরিশ্রম ও উদ্ভাবনী শক্তির ওপর নির্ভর করছে। তাই সময় এসেছে এমএসএমই খাতকে কেবল একটি শিল্পখাত হিসেবে নয়, বরং দেশের টেকসই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করার।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 weeks আগে

    অর্থনীতি খাত বাংলাদেশ বিশ্ব

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ফিলাডেলফিয়ায় গুলিতে বাংলাদেশি চক্ষুচিকিৎসক নিহত

    সিটিটিসি-এটিইউ-র‍্যাবের চ্যালেঞ্জ, বাড়ছে জঙ্গি হুমকি

    ‘সম্পর্ক’ মুগ্ধ করল কলকাতার দর্শকদের

    প্রথমবারের মতো নারীর নেতৃত্বে মার্কিন শেয়ারবাজার

    অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য কেন ঐক্য জরুরি

    অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সে ধীরগতি, কমেছে ৩ শতাংশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অভিনব কায়দায় স্বর্ণ পাচার; পাচারকারী আটক

    ফিলাডেলফিয়ায় গুলিতে বাংলাদেশি চক্ষুচিকিৎসক নিহত

    ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর অনুমোদন
    এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব বিনিয়োগ সেবা

    নতুন আমদানি নীতির চূড়ান্ত অনুমোদন
    এলসির বিকল্পে সেলস কনট্রাক্টে আমদানির সুযোগ

    জাল নোট রাখলে শাস্তি, আসছে কঠোর আইন

    শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

    বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলার

    একের পর এক রেকর্ডে নাম লেখাচ্ছেন এমবাপ্পে

    অবশেষে থামল মরক্কোর অবিশ্বাস্য জয়রথ

    মরক্কোর স্বপ্নভঙ্গ; ফাইনালের স্বপ্নে বিভোর ফ্রান্স

    ফ্ল্যাট বিক্রিতে ধস, আবাসন খাতে নেমেছে সংকট

    ভালো কোম্পানির শেয়ারে আসছে ‘ডে নেটিং’ সুবিধা

    বিকল্প অর্থায়নের নতুন উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

    এক স্বশিক্ষিত শিল্পীর সাম্রাজ্য: নরসিংদীর আলামিনের হাহাকার

    ফের কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা

    সিজেএফডি’র নতুন সভাপতি মোবারক, সাধারণ সম্পাদক সবুজ

    কিংবদন্তি কণ্ঠ বনি টাইলারের বিদায়

    এমি অ্যাওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ২৫ মনোনয়ন ‘দ্য পিট’-এর, নজরে ‘হ্যাকস’ও

    সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

    ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স বিধিমালায় যে জটিলতা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.