Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলার সংকটে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সব খাতেই নেতিবাচক পরিস্থিতি

    জুন ১২, ২০২৩ ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    দেশে ডলার সংকটের কারণে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সব খাতেই নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে কমেছে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানি। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে একদিকে জনজীবনে চরম ভোগান্তি বেড়েছে। 

    অন্যদিকে নতুন শিল্প স্থাপন, শিল্পোৎপাদন, কৃষি উৎপাদন, বাণিজ্যিক পণ্যের সরবরাহ ও কর্মসংস্থানের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে পণ্যের দাম বেড়েছে। ফলে আমদানি নিয়ন্ত্রণ ‘শাঁখের করাতে’ পরিণত হয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হলেও দীর্ঘ সময় তা অব্যাহত রাখায় এখন উলটো মূল্যস্ফীতির হার আরও বেড়েছে। এতে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নতুন সংকটের সূচনা হয়েছে। 

    সূত্র জানায়, করোনার আগেই ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে মন্দা ছিল। ২০২০ সালের শুরুতে করোনার সংক্রমণ সারা বিশ্বে ছাড়িয়ে পড়লে অর্থনৈতিক সংকট প্রকট হয়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বেশির ভাগ স্থবির হয়ে পড়ে। ওই বছরে করোনা প্রতিরোধী বিভিন্ন উপকরণ বেশি আমদানি হলেও সার্বিক আমদানির এলসি খোলা কমে যায় ১০ শতাংশ। করোনা সংক্রমণ কমার পর ২০২০-২১ অর্থবছরে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যায়, অন্যদিকে সরবরাহ সংকট দেখা দেয়। 

    এতে পণ্যের দাম বেড়ে যায়। ফলে ওই অর্থবছরে অর্থের হিসাবে আমদানির এলসি ২০ শতাংশ বাড়লেও পরিমাণগতভাবে কমে যায়। করোনার ক্ষত কাটিয়ে ওঠার আগেই ২০২১-২২ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে। এতে পণ্যের সরবরাহ আরও বাধাগ্রস্ত হয় ও দাম বেড়ে যায়। ওই সময়ে আমদানির এলসি বেড়েছিল ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ গত দুই অর্থবছর পণ্যের বাড়তি দামের কারণে বেশি অর্থ খরচ করে কম পণ্য আমদানি করতে হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিলে এলসি কমেছে ২৭ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে কমেছিল ৮ শতাংশ। 

    তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গড়ে গত চার বছর ধরেই আমদানি কমছে। মে-জুনে আরও কমতে পারে। কারণ সংকট মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বহুলাংশে কমিয়ে দিয়েছে। তারা রিজার্ভ ধরে রাখতে চাচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন ব্যাংকে রফতানি ও রেমিট্যান্স বাবদ যে ডলার আসছে তা দিয়ে আমদানি ব্যয়ও মেটানো যাচ্ছে না। 

    ফলে অনেক ব্যাংকই এখন এলসি খুলতে পারছে না। বিশেষ করে যাদের ডলার আয় আছে অর্থাৎ রফতানিকারকরাই এখন চাহিদা অনুযায়ী এলসি খুলতে পারছেন। যাদের ডলার নেই তারা শতভাগ মার্জিন দিয়েও এলসি খুলতে পারছেন না। এভাবে রফতানি পণ্যের কাঁচামাল ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ছাড়া সব খাতে আমদানি কমে যাচ্ছে। 

    এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিলে ভোগ্যপণ্যের ১৮ শতাংশ, শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামালে ৩১ শতাংশ, শিল্পের কাঁচামালের ৩২ শতাংশ, শিল্পের যন্ত্রপাতির ৬০ শতাংশ, বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ৪৬ শতাংশ ও অন্যান্য খাতে এলসি খোলা কমেছে ২০ শতাংশ। শুধু জ্বালানি তেল আমদানির এলসি বেড়েছে আড়াই শতাংশ ও কয়লার এলসি বেড়েছে ২৮ শতাংশ। গ্যাসের আমদানিও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়ায় একদিকে আমদানি খরচ বেড়েছে, অন্যদিকে আমদানির পরিমাণ কমেছে। 

    চাহিদা অনুযায়ী এসব পণ্য আমদানি করতে না পারায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় সংকট দেখা দিয়েছে। একদিকে প্রচণ্ড দাবদাহ, অন্যদিকে লোডশেডিং ও পানির সংকট-এই তিনে মিলে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে আসে। তবে গত দু’দিনের বৃষ্টিতে ভোগান্তি কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে শিল্প ও কৃষি খাতে উৎপাদনে বড় বিপর্যয় নেমে আসে। বৈশ্বিক মন্দায় রপ্তানির আদেশ কমে যায়। এর মধ্যে রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি কমেছে ৩৫ শতাংশ। আগামীতে রফতানিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। 

    এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, শিল্প বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে বেশি দাম দিয়েও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ চেয়েছিলাম। সেটি মিলছে না। এতে শিল্পের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। বড় শিল্পগুলো এখন কোনো রকমে টিকে আছে। ছোট শিল্প এখন বড় সংকটে। এ অবস্থা যত বেশি দীর্ঘায়িত হবে ক্ষতি তত বেশি বাড়বে। ব্যবসা বাণিজ্যে নতুন নতুন সংকট দেখা দেবে। 

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে আমদানি কমানোর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ শতাংশ। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে গত জুলাই-এপ্রিল সময়ে কমেছে সাড়ে ১৪ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সাড়ে ৫ শতাংশ বেশি কমেছে। এতে ডলার কিছুটা সাশ্রয় হলেও আমদানিনির্ভর শিল্পগুলোর সঙ্গে জড়িত কর্মসংস্থান যেমন কমেছে, সরবরাহ সংকটে পণ্যের দামও বেড়েছে। ফলে আমদানি কমানোর দায় এখন ভোক্তার কাঁধে চেপেছে দুইভাবে। একদিকে তাদেরকে বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে আয় কমেছে, নতুন কর্মের বাজার সংকুচিত হয়েছে। বেকারদের চাকরি মিলছে না। 

    এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ডলার সংকটের কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আমদানি নিয়ন্ত্রণের কারণে অর্থনীতিতে নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আমদানি কমায় পণ্যের সরবরাহ কমে গেছে, বেড়েছে দাম। আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে মূল্যস্ফীতির হার কমানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন আমদানি কম হওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ছে। এর নেতিবাচক প্রভাব সামনের দিনগুলোতে আরও বাড়তে থাকবে। 

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় গত বছরের মার্চে আমদানি সর্বোচ্চ এলসি খোলা হয়েছিল ৯৫১ কোটি ডলার। এর আগে ওই অর্থবছরে পরপর চার মাসে এলসি খোলা ৮০০ কোটি ডলারের উপরে উঠেছিল। মার্চে আমদানি বাড়ার পর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। ওই বছরের ১১ এপ্রিল প্রথম ২৫ শতাংশ মার্জিন আরোপ করে। পরে একে আরও বাড়িয়ে বিলাসী পণ্যে শতভাগ করা হয়। শুল্ক বাড়ানোসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রণও আরোপ করা হয়। ফলে এপ্রিলে আমদানি কমে ৮৪১ কোটি ডলারে নামে। মে মাসে ৬৯৬ কোটি ডলার এবং জুনে ৭০২ কোটি ডলারে নামে। 

    চলতি অর্থবছরের জুলাই আগস্টে তা আরও কমে ৬০০ কোটি ডলারের মধ্যে ছিল। অক্টোবরে নেমে আসে ৫০০ কোটি ডলারের ঘরে। নভেম্বরে আরও কমে ৪৭৫ কোটি ডলারে নামে। রোজা ও ঈদের কারণে ডিসেম্বর থেকে এলসি খোলা আবার বাড়তে থাকে। ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে ৫০০ কোটি ডলারের ঘরে এলসি খোলা হয়েছিল। এপ্রিলে আরও কমে ৪৩০ কোটি ডলারে নামে। মন্দার মধ্যে এখন তা সর্বনিম্ন।

    অকা/প্র/ সকাল, ১২ জুন, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ডলার সংকটে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সব খাতেই নেতিবাচক পরিস্থিতি

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.