Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    পলিথিনে পরিবেশ দূষণ

    সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৪ ৬:৫২ পূর্বাহ্ণUpdated:সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৪ ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ54
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    প্রণব মজুমদার ●

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিদিন ত্রিশ হাজার টন কঠিন বর্জ্য তৈরি হয়। যার মধ্যে সাত হাজার টন উৎপাদন হয় ঢাকা শহরে এবং এর মধ্যে দশ শতাংশই হচ্ছে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক। হিসাবটি দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে। প্লাস্টিকের একটা অংশ রিসাইকেল করা হলেও, তা সামান্য, তার মানে ঢাকাতেই প্রতিদিন প্রায় ৭০০ টন বা তারও বেশি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ঢাকার ড্রেন, জলাভূমি, খাল, নদী ও পরিত্যক্ত স্থানে জমতে থাকে। আবার এসব বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে ব্যবস্থাপনার অভাবে নির্বিচারে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। শহর অঞ্চলের খালগুলো তো অবশ্যই, পানির প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে নদীগুলোও নর্দমা হওয়ার দশা। তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার ৬৫টি খালের মধ্যে ২২টি খাল ভরে গেছে মূলত পলিথিনের কারণে। বাদ নেই বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদীও।  আজকাল মাছে পেটেও পলিথিন দেখা যায়। পলিথিন যে কীভাবে খাল ও নদী গিলে ফেলেছে তার প্রমাণ মোহাম্মদপুরের সোসাইটি খাল, মিরপুরের প্যারিস ও হবিগজ্ঞের খোয়াই নদী।  অবশ্যই সবক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি সমস্যা। পরিবেশ দূষণের বিষয়টি বিবেচনা করলে পলিথিনের বিপর্যয় এখন এমন একটা অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখান সমাধানের পথ খোঁজা ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় নেই।  পলিথিন বন্ধের সরকারি প্রতিশ্রুতি আগেও ছিল।

    পরিবেশের জন্য বড় সমস্যা হচ্ছে, ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যাপক দূষণ। পলিথিন ব্যাগ, বিভিন্ন পণ্য সামগ্রিক মোড়ক ও পেট বোতল।  জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক যোগে প্লাস্টিক পণ্য তৈরি করা হয়। তবে এই ধরণের পলিথিনের বিপদটা আরও বিস্তৃত এবং দিনে দিনে বাড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিক প্রভাবের মতো।  নগর তো বটেই, গ্রামেও দিনে দিনে এর প্রকোপ বাড়ছে।

    কয়েক দশকে দেশে বাজার ব্যবস্থাপনায় একটি পলিথিন সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে মূলত উৎপাদন, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দাপটে। সে ক্ষেত্রে ভোক্তারাও কম যান না। আমাদের প্রত্যেকটা বাজার একেকটা যেন আস্ত পলিথিনের গোডাউন। ক্রেতা ও বিক্রেতা সবাই যেন পলিথিনেই ভরসা খুঁজে পায়। প্রতিদিনের চাল, ডাল, আলু ও অন্যান্য বাজারের সঙ্গে থরে থরে পলিথিন আসতে থাকে ঘরে, তার কোনো কোনোটা এক-দুবার ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয় অন্যসব গৃহস্থালি বর্জ্যের সঙ্গে।  এতে করে ব্যাপক পরিমাণ পলিথিন বর্জ্য তৈরি করছে। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ঢাকায় প্রতিদিন আড়াই কোটি পলিথিন ব্যাগ একবার ব্যবহার করে ফেলে দেওয়া হয়।  অসচেতন লোকজন ব্যববহারের পর তাও রাস্তা ও যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ দূষণকে ত্বরান্বিত করছে।

    ২০২৬ সালের মধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার ৯০ শতাংশ কমানোর পরিকল্পনা নিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। তা বাস্তবায়ন হলে সবার জন্যই মঙ্গল। প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহার ও রিসাইকেল দুটোই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ বেড়ে যাওয়া ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়া একই সুতায় গাঁথা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের জীবন চক্রের প্রত্যেকটি পর্যায়ে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ করে থাকে, এর শুরু থেকে রিসাইকেল করা পর্যন্ত। পৃথিবীর ৩ শতাংশ গ্রিন হাউজ গ্যাসের জন্য দায়ী প্লাস্টিক পণ্য এবং তা ধীরে ধীরে আরও বাড়ছে। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, শুধু সচেতনতা সৃষ্টি ও জনগণের অভ্যাসগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পলিথিনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।  এর জন্য এখন প্রয়োজন পলিথিনবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং এর মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করা। পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খুবই প্রয়োজন, তবে তা করতে হবে উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে। অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষায় ইতিমধ্যে প্রকৃতিতে চলে যাওয়া পলিথিন সংগ্রহ করে যতটুকু সম্ভব ততটুকু পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনায় আওতায় নিয়ে আসতে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আর সেটাই হবে পরিবেশ ব্যবস্থাপনার সঠিক উদ্যোগ। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ থাকলে খাল বা প্রাকৃতিক জলাধারগুলোতে প্লাস্টিক মুক্ত করা কঠিন কাজ নয়। এগুলোকে নর্দমা থেকে আবার প্রাকৃতিক জলাধার হিসেবে তৈরি করা সম্ভব। নতুন সরকার বিশেষ করে বিশিষ্ট পরিবেশবিদ পরিবেশ উপদেষ্টার কাছে পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন দূষণমুক্ত করার বাস্তবমুখি উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানাই। ●

    লেখক কথাসাহিত্যিক, কবি এবং অর্থকাগজ সম্পাদক

    reporterpranab@gmail.com

    অকা/প/বিকেল/৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

     

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    গ্রিন হাউজ দূষণ পরিবেশ পরিবেশ উপদেষ্টা পলিথিন প্লাস্টিক বর্জ্য

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    জলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অপরাধ নিয়ন্ত্রণেই অর্থনীতি ও বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ

    বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম

    জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস, ইকুয়েডরে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

    মোংলায় হচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল, নতুন বিনিয়োগ চুক্তি

    বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

    ব্যক্তিগত ঋণের মেয়াদ বেড়ে হলো ৮ বছর

    সিপিডি ও ক্রিশ্চিয়ান এইডের যৌথ সংলাপ
    কর বৈষম্যের বৃত্তে বন্দী এবারের বাজেট

    মোবাইল ডাটা ও বিমান ভাড়ার চড়া মূল্য নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

    জনবল পুনর্গঠন: ডিএসই’র চার ডিজিএম চাকরিচ্যুত

    ১১ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ১৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন

    ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করবেন যেভাবে

    বাংলাদেশিদের জন্য চালু হচ্ছে ভারতের পর্যটন ভিসা

    বিকাশে ভুল নম্বরে টাকা চলে গেলে যেভাবে ফেরত পাবেন

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈঠক
    তিস্তাসহ বিভিন্ন প্রকল্পে চীনকে পাশে চায় বাংলাদেশ

    দুর্নীতি ও ঘুষে শীর্ষে পাসপোর্ট অফিস, দ্বিতীয় বিআরটিএ

    ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন গলার কাঁটা : অর্থমন্ত্রী

    ফ্রেশ অনন্যা স্যানিটারি ন্যাপকিন
    দেশব্যাপী নারীদের সচেতনতায় উন্নয়নমূলক কর্মসূচি

    ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে?

    অসুস্থ কাঙালিনী সুফিয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের বিশেষ সহায়তা

    দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার নকআউটে দক্ষিণ আফ্রিকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.