Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    সোমবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৮ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাংলাদেশি বাজারে বহুজাতিক কোম্পানির ক্রমবর্ধমান প্রভাব

    নভেম্বর ১৯, ২০২৫ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ13
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের বাজারে সক্রিয় বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমশ প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। স্থানীয় অনেক প্রতিষ্ঠান যেখানে বিক্রি সংকোচন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাজার অনিশ্চয়তায় টিকে থাকার লড়াই করছে, সেখানে বিদেশি কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। বিশেষত বড় মূলধনী বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর পণ্যের চাহিদা ও বাজার বিস্তার দুটোই বাড়ছে।

    তবে বিপরীতচিত্র দেখা যাচ্ছে মুনাফা ব্যবহারের ক্ষেত্রে। বেশ কয়েক বছর ধরে বিদেশি কোম্পানিগুলো তাদের অর্জিত আয়ের বড় অংশ নিজ দেশে নিয়ে যাচ্ছে, এমনকি কেউ কেউ লোকসান দেখিয়েও পুঁজি প্রত্যাহার করেছে। ফলে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বজায় থাকলেও দেশ থেকে নগদ অর্থ বহির্গমন বাড়ছে।

    দেশে ২০০–এর বেশি বিদেশি কোম্পানি ব্যবসা পরিচালনা করছে, যাদের মধ্যে ১৩টি বড় প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) সবগুলো প্রতিষ্ঠানই বিক্রি বৃদ্ধি করেছে। সম্মিলিতভাবে আয় বেড়েছে ৮ শতাংশের বেশি, যা আগের দুই অর্থবছরের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধিরই সম্প্রসারণ। বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ঝিমিয়ে পড়লেও বিদেশি কোম্পানিগুলো তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ব্যবস্থাপনা, বহুমাত্রিক পণ্য পোর্টফোলিও ও দৃঢ় বাজার কৌশলের কারণে বিক্রি ধরে রাখতে পেরেছে। তাদের ধারণা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি কমলে চাহিদা আরও বাড়বে, তখন স্থানীয় কোম্পানিগুলোও পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাবে।

    ইডিজি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী আলী ইমামের মতে, বিক্রিতে যে উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তা মূলত আগের বছরের নিম্নভিত্তির প্রতিক্রিয়া। ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা বাড়েনি, তাই প্রকৃত চাহিদা-পুনরুদ্ধার এখনো ঘটেনি। উচ্চ কাঁচামাল ব্যয়, পরিচালন খরচ এবং সুদের হার মুনাফায় চাপ তৈরি করেছে। তার মতে, মূল্যস্ফীতি যদি নিয়ন্ত্রণে আসে তবে কোম্পানিগুলো খরচ সামলে মুনাফায় বাস্তব প্রবৃদ্ধি দেখতে পাবে।

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে তালিকাভুক্ত ১৩ প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে আয় করেছে ১৯১.৯৬ বিলিয়ন টাকা, আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৭৭.৪৯ বিলিয়ন টাকা। সর্বোচ্চ আয় করেছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো—৯৪.৬৮ বিলিয়ন টাকা, যা বছরে ১১ শতাংশ বেশি। প্রবৃদ্ধির হারে এগিয়ে আরএকে সিরামিকস (৫৪ শতাংশ), এরপর ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার (২৫ শতাংশ), এবং ম্যারিকো (২৩ শতাংশ)। বাটা শু, সিঙ্গার ও রেকিট বেনকিজারও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণফোন, রবি, বার্জার, লাফার্জহোলসিম ও লিন্ডে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে সীমিত—১ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে।

    আয় বাড়লেও মুনাফায় অগ্রগতি হয়নি বলা যায়। তিন মাসে ১৩ কোম্পানির সম্মিলিত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২১.৫০ বিলিয়ন টাকা—আগের বছরের তুলনায় সামান্য কম। ১১টি কোম্পানি মুনাফা করলেও ২টি কোম্পানি লোকসান দিয়েছে এবং যেসব কোম্পানি মুনাফা করেছে তাদের বেশির ভাগের মুনাফা বৃদ্ধিও ন্যূনতম। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর মুনাফা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, কারণ সরকারের বাড়তি কর আরোপ ও ভ্যাট-শুল্ক মিলিয়ে প্রায় আট হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। গ্রামীণফোনের মুনাফাও কমেছে। বিপরীতে রবি, লাফার্জহোলসিম, ম্যারিকো, বার্জার, রেকিট বেনকিজার ও ইউনিলিভার সামান্য মুনাফা বৃদ্ধিতে সক্ষম হয়েছে। আরএকে সিরামিকস ও হাইডেলবার্গ সিমেন্ট লোকসান থেকে ঘুরে দাঁড়ালেও সিঙ্গার ও বাটা শু’র লোকসান আরও বেড়েছে।

    লাফার্জহোলসিমের সিইও ইকবাল চৌধুরীর মতে, চাহিদার তুলনায় সিমেন্ট শিল্পে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ও সরকারি প্রকল্পের গতি কমে যাওয়ায় কোম্পানিগুলোকে বিক্রি ধরে রাখতে অতিরিক্ত প্রণোদনা দিতে হয়েছে। ফলে বিক্রি বেড়েছে, কিন্তু মুনাফা কমেছে। একই মতামত ভিআইপিবির প্রধান নির্বাহী শহীদুল ইসলামের—তার মতে, বিক্রি বৃদ্ধি অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়, তবে মূল্যস্ফীতির প্রভাব পরিস্থিতিকে নাজুক করে রেখেছে।

    লভ্যাংশ নীতি বিশ্লেষণ করলে আরও গভীর চিত্র পাওয়া যায়। ১৩টির মধ্যে ৯টি কোম্পানি গত অর্থবছরে তাদের নিট মুনাফার চেয়েও বেশি লভ্যাংশ দিয়েছে। সম্মিলিত মুনাফা ছিল ৮১.৬৭ বিলিয়ন টাকা, অথচ লভ্যাংশ হিসেবে শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া হয়েছে ৯৭.৯৪ বিলিয়ন টাকা। লোকসান থাকা সত্ত্বেও সিঙ্গার ও আরএকে সিরামিকস বড় অঙ্কের লভ্যাংশ দিয়েছে। বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করে, ডলার সংকটের কারণে আগের বছরগুলোতে যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ নিতে পারেনি, এখন সংকট শিথিল হওয়ায় তারা একসঙ্গে তহবিল প্রত্যাহার করছে। অন্য একটি কারণ হলো টাকার অবমূল্যায়ন—আগামী দিনে আরও অবমূল্যায়ন হলে লভ্যাংশের প্রকৃত মূল্য কমে যাবে, এই আশঙ্কায় তারা দ্রুত অর্থ সরিয়ে নিচ্ছে।

    সার্বিক চিত্র বলে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বাজার অবস্থান শক্তিশালী হলেও মুনাফা ও লভ্যাংশ নীতিতে ঝুঁকি বাড়ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতি ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা ক্ষয় করছে, অন্যদিকে রেমিট্যান্সকৃত লভ্যাংশ দেশ থেকে বিদেশে নগদ প্রবাহ বাড়াচ্ছে। এই দুই চাপ মিলিয়ে ভবিষ্যতে দেশীয় বাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশের স্থিতিস্থাপকতা বড় পরীক্ষার মুখে পড়তে পারে। ●
    অকা/প্র/ই/সকাল/১৯ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    মিউচুয়াল ফান্ডে নতুন নীতিমালায় উচ্ছ্বাস

    ঈদের আগে চাঙ্গা প্রবাসী আয়

    অনিরাপদ অভিবাসনের কারণ ও প্রতিকার

    ধানে দাম নেই, খরচে দিশেহারা কৃষক

    কোরবানির আগে কমেছে মসলার দাম

    গভর্নরের কাছে ডিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব

    পাইকারদের ‘কারসাজি’তে ডিমের বাজার

    ডিএপি কারখানা চালু হচ্ছে আজ

    ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা

    আকুর বিল পরিশোধ
    ৩৪ বিলিয়নের নিচে নামল দেশের রিজার্ভ

    পর্যবেক্ষণ লেখকের নিজস্ব
    দারিদ্র্য বিমোচনে ক্ষুদ্র ঋণ রক্ষাকবচ নয়

    ডলারের বাইরে ঋণ ভাবনায় বাংলাদেশ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.