Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতির সমান্তরাল সংকট

    মে ৬, ২০২৫ ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ২০২৪ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ নতুন এক ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে, যা কেবল একটি অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান নয়—বরং সামগ্রিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ভিত্তিমূলেই কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বছরের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের ২০.২০ শতাংশ। এই সময়ে ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণস্থিতি ছিল ১৭ লাখ ১১ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যানে দেখা যায়—প্রায় প্রতি ৫ টাকার মধ্যে ১ টাকা ব্যাংকগুলো আদায় করতে পারছে না। যা কেবল ব্যাংকের আয় নির্ভরযোগ্যতা কমায় না, বরং তাদের মূলধন ভিত্তিকে সরাসরি দুর্বল করে তোলে।

    খেলাপি ঋণের চাপ: মূলধনের ওপর সরাসরি আঘাত

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) ২০টি ব্যাংকের সম্মিলিত মূলধন ঘাটতি ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকায়। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৫৩ হাজার ২৫৩ কোটি টাকা। এই বিস্ময়কর বৃদ্ধির পেছনে মূলত দুটি কারণ রয়েছে:
    ১. খেলাপি ঋণের হঠাৎ প্রবৃদ্ধি,
    ২. মূলধন গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আয়ের ঘাটতি ও প্রভিশনিংয়ের ঘাটতি।
    বাংলাদেশ ব্যাংকেরই আরেক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকে ১০টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ৩৯ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা, যা এক বছরে বেড়ে প্রায় চারগুণে পৌঁছেছে। অর্থাৎ একটি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত দুর্বলতা ক্রমান্বয়ে গভীরতর হয়ে উঠছে।

    সিআরএআর পতন: আর্থিক স্থিতিশীলতার সংকেত?

    মূলধন ঘাটতির এই পরিস্থিতি দেশের ব্যাংক খাতে মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত বা সিআরএআর (Capital to Risk-Weighted Asset Ratio) কে ভয়াবহভাবে নিচে নামিয়ে এনেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এই অনুপাত দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩.০৮ শতাংশে, যেখানে আগের প্রান্তিকে (সেপ্টেম্বর ২০২৪) এটি ছিল ৬.৮৬ শতাংশ। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যাসেল-৩ অনুযায়ী এই অনুপাত কমপক্ষে ১০ শতাংশ থাকা বাধ্যতামূলক। এই অনুপাত মূলত একটি ব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের তুলনায় তার মূলধনের পরিমাণকে নির্দেশ করে। নিম্ন সিআরএআর মানে, ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ বেশি দিচ্ছে, অথচ সেগুলোর বিপরীতে যথেষ্ট মূলধন সংরক্ষণ করছে না—যা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংকট ডেকে আনতে পারে।

    ব্যাসেল-৩ ও বাস্তবতার ফারাক

    ব্যাসেল-৩ নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যাংককে ন্যূনতম ১০ শতাংশ অথবা ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ মূলধন সংরক্ষণ করতে হয়। এই শর্ত পূরণ না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে মূলধন ঘাটতির আওতায় গণ্য করা হয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী, এমন ঘাটতি থাকলে ব্যাংকগুলো শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ বিতরণ করতে পারে না। এর ফলে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যায় এবং বাজারে তাদের শেয়ারের দরও নিম্নমুখী হয়।

    কাঠামোগত দুর্বলতা না কি নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতা?

    বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে—এই ঘাটতি কি কেবল অর্থনৈতিক প্রভাবের ফল, নাকি নীতিগত উদাসীনতার প্রতিফলন? ব্যাংকগুলোর অনেক ক্ষেত্রেই ঝুঁকিপূর্ণ খাত যেমন—রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প, রাজনৈতিক প্রভাবাধীন ঋণ বিতরণ এবং দুর্বল প্রভিশনিং ব্যবস্থাপনা—খেলাপি ঋণ বাড়ার অন্যতম কারণ। তদুপরি, নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে তদারকি ও নজরদারির ঘাটতিও সমস্যাটিকে দীর্ঘায়িত করেছে।
    বাংলাদেশের ব্যাংক খাত বর্তমানে একটি ত্রিমাত্রিক সংকটে রয়েছে—খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি, মূলধন ঘাটতির বিস্তার এবং সিআরএআর-এর ধস। যদি এই সংকটকে সময়মতো যথাযথ নীতিমালার মাধ্যমে মোকাবিলা না করা হয়, তাহলে ব্যাংকিং খাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশে। ●
    অকা/ব্যাংখা/সকাল/ ৬ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 12 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.