Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ইএসজি – সময়ের দাবি থেকে নীতিগত বাস্তবতা

    জানুয়ারি ২০, ২০২৬ ১০:১৪ পূর্বাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বিশ্বজুড়ে পরিবেশ সুরক্ষা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন—এই তিনটি স্তম্ভকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ইএসজি (ESG) রিপোর্টিং গত এক দশকে বৈপ্লবিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। একসময় যা ছিল স্বেচ্ছামূলক করপোরেট চর্চা, এখন তা উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির শেয়ার বাজারগুলোতে বাধ্যতামূলক আইনি কাঠামোর অংশ। লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ, ইউরোনেক্সট ও ফ্রাঙ্কফুর্ট স্টক এক্সচেঞ্জের মতো প্রধান ইউরোপীয় বাজারের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর ও ভারতের শেয়ার বাজারেও ইএসজি রিপোর্টিং এখন আর ঐচ্ছিক নয়—এটি বিনিয়োগযোগ্যতার একটি মৌলিক শর্ত।

    এই বৈশ্বিক প্রবণতার বিপরীতে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ইএসজি রিপোর্টিং এখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা পায়নি। কিছু বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং মৌলভিত্তি শক্তিশালী দেশীয় কোম্পানি সীমিত আকারে পরিবেশ বা সামাজিক দায়বদ্ধতার তথ্য প্রকাশ করলেও, নিয়ন্ত্রক পর্যায়ে এখনো কার্যকর ও বাধ্যতামূলক কোনো কাঠামো গড়ে ওঠেনি। ফলে এই চর্চা অনেক ক্ষেত্রেই বিচ্ছিন্ন, অসম্পূর্ণ এবং ধারাবাহিকতাহীন থেকে যাচ্ছে।

    খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদেশি বিনিয়োগের দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতা। নীতিমালার ঘনঘন পরিবর্তন, তথ্য প্রকাশে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক ইএসজি মানদণ্ডে পিছিয়ে থাকার বিষয়টিকেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। এই প্রেক্ষাপটে বাজারে আস্থা ফেরানো এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ইএসজি আর বিলাসী ধারণা নয়, বরং সময়ের অপরিহার্য দাবি।

    এরই মধ্যে কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত ১৬টি কোম্পানি ব্লুমবার্গ ইএসজি ইউনিভার্সে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে গ্রামীণফোন, বিএটি বাংলাদেশ, মারিকো বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ওয়ালটন হাইটেক, লাফার্জহোলসিম, এমজেএল বাংলাদেশ, বিএসআরএম, লিন্ডে বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ, সিঙ্গার বাংলাদেশ, হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশ, রবি আজিয়াটা ও সিটি ব্যাংক। যদিও সংখ্যাটি এখনো সীমিত, তবু এটি ইঙ্গিত দেয় যে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তরণের পথে কিছু প্রতিষ্ঠান নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে শুরু করেছে।

    এলডিসি উত্তরণ–পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের তাগিদে ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর মধ্যেও ইএসজি নিয়ে তৎপরতা বাড়ছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ইএসজি উন্নয়ন ও নীতিগত প্রস্তুতির জন্য ইতোমধ্যে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যা বেসরকারি খাতের মধ্যে সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    যদিও দেশে এখনো ইএসজি রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক নয়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে, যাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী টেকসইতা প্রতিবেদন তৈরি করতে পারে। তবে অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে প্রতিবেদন তৈরি করলেও সেই চর্চা দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারেনি।

    বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম জানিয়েছেন, শেয়ার বাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি জোরদারে ইএসজি রিপোর্টিংকে আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে কমিশন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তাঁর মতে, বিদ্যমান করপোরেট গভর্ন্যান্স কোডে ইএসজি বিষয়গুলো আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় যথেষ্ট নয়। এ কারণে কোড সংশোধনের মাধ্যমে ইএসজি রিপোর্টিংকে আরও শক্ত, স্পষ্ট ও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত হস্তক্ষেপ ইতোমধ্যে আর্থিক খাতে ইএসজি ধারণার প্রভাব দেখাতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের পরিবেশ ও সামাজিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (ইএসআরএম) নির্দেশনা এবং ২০২০ সালের টেকসই অর্থায়ন নীতিমালার ফলে ব্যাংকগুলো এখন পরিবেশ ও সামাজিক ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফল হিসেবে সবুজ ও টেকসই অর্থায়নে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে সবুজ অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা এবং টেকসই অর্থায়ন প্রায় ১ লাখ ৪৯ হাজার কোটি টাকা, যা যথাক্রমে ২১ শতাংশ ও ৬৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।

    সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক পুঁজি বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত হতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠনে বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ইএসজি রিপোর্টিংকে আর বিলম্বিত করার সুযোগ নেই। এখন প্রয়োজন নীতিগত দৃঢ়তা, বাধ্যতামূলক কাঠামো এবং ধারাবাহিক বাস্তবায়ন—যার মাধ্যমেই ইএসজি কাগুজে অঙ্গীকার থেকে কার্যকর বাজার-বাস্তবতায় রূপ নিতে পারে। ●

    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২০ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 weeks আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    রেমিট্যান্স ও উচ্চ সুদে ৫০ মাসের সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি রফতানিতে নতুন গতি

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.