Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শুক্রবার, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ | ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    শেয়ার বাজারে প্রভিশন ঘাটতিতে বিপর্যস্ত ৩১১ বাজার প্রতিষ্ঠান

    নভেম্বর ২৩, ২০২৫ ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দীর্ঘস্থায়ী পতনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের শেয়ার বাজারের সম্পূর্ণ ইকোসিস্টেম। শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারী নয়, বাজারসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ভয়াবহ আর্থিক চাপে রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ডিএসই, সিএসই ও মার্চেন্ট ব্যাংক মিলিয়ে মোট ৩১১টি প্রতিষ্ঠান বর্তমানে বড় ধরনের প্রভিশন ঘাটতিতে ডুবে আছে। এদের সম্মিলিত ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫৪ কোটি টাকারও বেশি। এই তালিকায় রয়েছে ডিএসইর ২১১টি স্টেকহোল্ডার, সিএসইর ৩৬টি প্রতিষ্ঠান এবং ৪৪টি মার্চেন্ট ব্যাংক—যাদের সবার ওপরেই লোকসানের বিপরীতে বাধ্যতামূলক প্রভিশন সংরক্ষণের চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

    ২০১৬ সাল থেকে প্রভিশনিং কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিএসইসি নিয়ম চালু করলেও প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় প্রতিবছরই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করেছে। চলতি বছর কমিশন ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ সময় বাড়ালেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান এখনও কার্যকর কর্মপরিকল্পনা জমা দেয়নি। গত ১৩ নভেম্বরের কমিশন সভায় আরও ২৮টি ব্রোকারেজ ও মার্চেন্ট ব্যাংককে পরিকল্পনা জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় দিতে হয়েছে। কমিশনের কর্মকর্তাদের বক্তব্য—সময়সীমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যর্থতার অভিযোগ তোলা যাবে না, কিন্তু বাস্তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তুতি খুবই দুর্বল।

    বাজারসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা—শেয়ার বাজারে বছরের পর বছর ধরে চলা মন্দা এখন বড় আকারের আনরিয়েলাইজড লস তৈরি করেছে। পূর্ববর্তী কমিশনের আরোপিত ফ্লোর প্রাইস বাজারকে স্থবির করে দিয়েছে; বিনিয়োগ আটকে থেকে অনেক প্রতিষ্ঠানের ইকুইটি ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। ব্যবসা-লেনদেন কমে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি আয় করতে পারেনি, ফলে প্রভিশন সংরক্ষণের সক্ষমতাও কমে গেছে।

    সর্বশেষ আগস্ট পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী ডিএসইর ২১১ প্রতিষ্ঠানের আনরিয়েলাইজড লোকসান দাঁড়িয়েছে ১,৯০৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা; প্রভিশন আছে মাত্র ৯১৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার। সিএসইর ৫৬ প্রতিষ্ঠানে লোকসান ২২ কোটি ১৩ লাখ টাকা; প্রভিশন মাত্র ১০ কোটি ৭৫ লাখ। অন্যদিকে ৪৪টি মার্চেন্ট ব্যাংকের আনরিয়েলাইজড লোকসান প্রায় ১,৮০৭ কোটি টাকা; প্রভিশন করা হয়েছে মাত্র ৬৫৫ কোটি ৩৫ লাখ। সব মিলিয়ে ৩,৭৩৫ কোটি টাকার লোকসানের বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রভিশন করতে পেরেছে মাত্র ১,৫৮১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২,১৫৪ কোটি টাকায়।

    এই পরিস্থিতির পেছনে শুধু বাজারমন্দাই দায়ী নয়। ২০১০ সালের ধসের পর থেকেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কৌশলে ব্যাপক দুর্বলতা রয়ে গেছে। বাজারের স্বল্পমেয়াদি উত্থান দেখে পরিকল্পনাহীনভাবে বিনিয়োগ করা, লোকসানি কোম্পানিতে অযথা অর্থ ঢালা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অনুপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় সময়ে শেয়ার বিক্রি না করে ধরে রাখা—এসব কারণে বছরে বছরে আনরিয়েলাইজড লস ফুলে উঠেছে। ফলে পোর্টফোলিও আটকে যাওয়ার পাশাপাশি বাজারের সামগ্রিক তারল্য সংকটও তীব্র হয়েছে।

    সবচেয়ে বিপদে রয়েছে যেসব মার্চেন্ট ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি হিসেবে বাজারে বিনিয়োগ করেছিল। ২০০০ সালের দিকে কিছু ব্যাংক বাজার থেকে বড় মুনাফা করায় অনুকরণে অন্যান্য ব্যাংকও সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা ঢালে। ২০০৯–১০ সালের বুমের পর ধস নামতেই এসব প্রতিষ্ঠানের পোর্টফোলিও ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়ে। এখন তারা প্রভিশন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতায় সবচেয়ে বড় আর্থিক চাপে রয়েছে—এবং সামগ্রিক বাজারের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২৩ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 weeks আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ-রসায়ন খাতে মিশ্র চিত্র

    চাহিদা কমায় বাজারে মন্থরতার ছায়া
    নিলামে ডলার কেনায় স্থিতিশীলতা

    অনলাইন ভ্যাট রিফান্ডে স্থবিরতা

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও এনবিএফআই সংকটে শেয়ার বাজারে টানা দরপতন

    শেয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি মন্দা

    চার মাসের ধারাবাহিক পতনে উদ্বেগ বাড়ছে
    রফতানি আয় টানা চাপে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কর কাঠামোর বৈষম্য, গ্রে মার্কেটের দাপট এবং বাজারের অদক্ষতা
    বাংলাদেশে স্মার্টফোনের অস্বাভাবিক দাম

    পুঁজি বাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ-রসায়ন খাতে মিশ্র চিত্র

    কৃত্রিম মুনাফায় বোনাস বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর বিধিনিষেধ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানত ফেরত – ধাপে উত্তোলন স্কিম চূড়ান্ত

    চাহিদা কমায় বাজারে মন্থরতার ছায়া
    নিলামে ডলার কেনায় স্থিতিশীলতা

    অনলাইন ভ্যাট রিফান্ডে স্থবিরতা

    নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী

    রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও এনবিএফআই সংকটে শেয়ার বাজারে টানা দরপতন

    জামানতহীন ঋণ বন্ধে আইএমএফের চাপ

    শেয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি মন্দা

    খেলাপি ঋণ সংকটে আংশিক অবলোপন নীতি

    চার মাসের ধারাবাহিক পতনে উদ্বেগ বাড়ছে
    রফতানি আয় টানা চাপে

    প্রভিশন ঘাটতিতে ব্যাংক খাতের চাপ আরও তীব্র

    একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ডিলিস্টিং প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তায়

    বেসরকারি খাতে ঋণে চার বছরের সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি

    দাম কমলেও ভোক্তারা সুবিধা পাচ্ছেন না
    পাম অয়েলে বিশ্ববাজারে বড় পতন

    মিউচুয়াল ফান্ড খাতে গভীর অচলাবস্থা ও আস্থাহীনতার সংকট

    মুদ্রাস্ফীতি কমলেও ঋণ প্রবাহে স্থবিরতা

    এনবিএফআই অবসায়নে শেয়ার বাজারে নতুন আতঙ্ক

    বিআইপিডি এর উদ্যোগে জাতীয় সেমিনারের আয়োজন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.