Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    শনিবার, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১৩ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বরাদ্দ বাড়লো বিদ্যুৎ জ্বালানিখাতে

    জুন ১২, ২০২৬ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণUpdated:জুন ১২, ২০২৬ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এবারের মোট বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

    সব মিলিয়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৩৯৩ কোটি টাকা কম। এ বছর এইখাতে সংশোধিত বাজেট ছিল ১৬ হাজার ৯৫২ কোটি টাকা।

    প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৯৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয়ে ৫৭ কোটি এবং উন্নয়ন ব্যয়ে ১৪ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।

    অন্যদিকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য ২ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ৯৫ কোটি এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ হাজার ২৫৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ বিভাগের বরাদ্দ গিয়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ প্রায় ২.৩২ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতি এবং এ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট ও অর্থ পাচার হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের বেশ কিছু মেগা প্রকল্পে একতরফা ও বিতর্কিত শর্ত থাকায় বিদ্যুৎ আমদানি ও ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা আমাদের ওপর চেপে বসেছে। এ খাতে বার্ষিক ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।’’

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট (আমদানি ও অন-গ্রিড নবায়নযোগ্যসহ) হলেও নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনও নিশ্চিত হয়নি।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ খাতে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত নিবিড় মনিটরিং চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি অদক্ষ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া ‘লিস্ট কস্ট জেনারেশন’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কাজও চলছে। একই সঙ্গে সঞ্চালন ও বিতরণ নেটওয়ার্কের পূর্ণাঙ্গ আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট গ্রিড উন্নয়নের মাধ্যমে সিস্টেম লস কমিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫,০০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা এবং সঞ্চালন লাইন ১৫,০০০ সার্কিট কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তিনি বলেন, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম ইউনিট হতে জানুয়ারি ২০২৭ নাগাদ ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত করা। তিনি বলেন, তারা বিশ্বাস করি উল্লিখিত উদ্যোগগুলোর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা দেশে তুলনামূলক সাশ্রয়ী, নিরবচ্ছিন্ন, পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো।

    মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি খাতে দীর্ঘস্থায়ী ভুল নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, আমদানি নির্ভরতা জ্বালানি খাতকে গভীর সংকটে ফেলেছে। এ সময় শুধুমাত্র তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং জ্বালানি তেল আমদানির ওপর জোর দেওয়া হয়। দেশের নিজস্ব স্থলভাগ ও বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে, জ্বালানি তেল রিফাইনিং ও মজুদ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

    তিনি জানান, ‘‘সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক সংকটের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল (ডিজেল) ও এলএনজি’র স্পট মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু আমরা সাধারণ জনগণের কথা বিবেচনা করে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়েছি এবং জ্বালানি তেলের দাম সামান্য সমন্বয় করেছি। অন্যদিকে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছি।’’

    অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার, রিফাইনিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আমদানি উৎস বহুমুখীকরণসহ নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যেমন- জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যয় সাশ্রয়ী ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘‘আমরা জ্বালানির কৌশলগত মজুত ব্যবস্থা গড়ে তুলবো। দেশের ভেতরে ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসনন্ধান ও উত্তোলনে প্রাধান্য দিচ্ছি। দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেগওয়া হচ্ছে।’’

    সর্বশেষ হালনাগাদ 13 hours আগে

    জ্বালানি খাত বরাদ্দ বাজেট

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

    সামনে লক্ষ্য ‘এআই বাংলাদেশ’

    জলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিনেমা বানাচ্ছেন আদনান আল রাজীব

    প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সন্তোষজনক: বিকেএমইএ

    কালো টাকা সাদা করার সুযোগ অগ্রহণযোগ্য : সিপিডি

    ঋণনির্ভর উচ্চাভিলাষী লুটপাটের বাজেট : জামায়াত

    পে স্কেল অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

    অবশেষে উৎপাদনে ফিরছে বিডি থাই ফুড

    বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার বিভ্রাট

    বরাদ্দ বাড়লো বিদ্যুৎ জ্বালানিখাতে

    সামনে লক্ষ্য ‘এআই বাংলাদেশ’

    জলবায়ু ট্রাস্টে শত কোটি টাকার প্রস্তাব

    একনজরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পুরো বাজেট

    পেলের পরই সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার মোরা

    চেক প্রজাতন্ত্রকে হারাল এশিয়ান পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া

    লাল কার্ডের ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো

    আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগে ফের দায়মুক্তি

    সাংবাদিকতার নামে ভিউ বাণিজ্য, শেষ কোথায়!

    বাজেট ২০২৬-২৭
    ৫ বছরের আয়কর রোডম্যাপ ঘোষণা

    ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অর্থনীতিতে বড় মাইলফলক অর্জন
    ৫০১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল দেশের জিডিপি

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বসানো হচ্ছে প্রশাসক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.