Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    হুমকিতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান
    আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের চাপে কাগজ শিল্প

    জুলাই ১৩, ২০২৬ ৩:০০ অপরাহ্ণ9
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন

    একসময় দেশের শিল্পায়নের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত কাগজ শিল্প এখন বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি। উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও স্বল্পমূল্য দেখিয়ে প্রস্তুত কাগজ আমদানি, আন্ডার-ইনভয়েসিং, রাজস্ব ফাঁকি এবং অসম প্রতিযোগিতার কারণে একের পর এক কাগজকল উৎপাদন কমাতে বা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের দাবি, দ্রুত কার্যকর নীতি গ্রহণ না করা হলে কয়েক দশকের বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে।

    বাংলাদেশ পেপার মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমএ) বলছে, প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম মূল্য দেখিয়ে প্রস্তুত কাগজ আমদানির প্রবণতা এখন দেশীয় শিল্পের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে। এর ফলে একদিকে সরকার বিপুল পরিমাণ শুল্ক ও কর রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশীয় কারখানাগুলো বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না।

    শিল্প মালিকদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে কাগজ শিল্পে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। এ খাতে প্রায় ১০ লাখ মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান হয়েছে, আর পরিবহন, কাঁচামাল, বিপণন ও অন্যান্য সহযোগী খাত মিলিয়ে পরোক্ষভাবে প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জীবিকা এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। অথচ দীর্ঘদিনের বাজার বৈষম্যের কারণে ইতোমধ্যে ৮০টি কাগজকল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও ২৬টি মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে বিপিএমএ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে আমদানিকৃত প্রস্তুত কাগজের ন্যূনতম অ্যাসেসমেন্ট মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৯৪৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্ধারিত ২৯ দশমিক ৫ ইঞ্চি রোল, ২০/৩০ শিট এবং ৭০/৮০ জিএসএম অফ-হোয়াইট ন্যাচারাল শেড প্রিন্টিং পেপার বিদেশ থেকে আমদানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে, কারণ এসব কাগজ দেশীয় শিল্পেই উৎপাদন করা সম্ভব বলে দাবি করা হচ্ছে।

    শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো দেশের উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি থাকা সত্ত্বেও বিদেশি কাগজের ওপর নির্ভরতা কমছে না।

    মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেডের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) মোহাম্মদ ইয়ারুল ইসলাম বিদ্যুৎ জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ৩০টি রাইটিং ও প্রিন্টিং পেপার মিল চালু রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন, যেখানে দেশের মোট চাহিদা মাত্র ৯ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদা পূরণের পরও বছরে প্রায় ৭ লাখ মেট্রিক টন অতিরিক্ত উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

    তার মতে, সরকার যদি নীতিগত সহায়তা এবং সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করে, তাহলে শুধু এনসিটিবির প্রয়োজনীয় সব কাগজই নয়, উদ্বৃত্ত উৎপাদন আন্তর্জাতিক বাজারেও রফতানি করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ পাল্প আমদানি করে উৎপাদনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কিন্তু প্রস্তুত কাগজের অব্যাহত আমদানি সেই বিনিয়োগকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

    দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগে দেশে বাঁশ ও কাঠ থেকে পাল্প উৎপাদিত হলেও বর্তমানে কাঁচামালের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায় পুরো শিল্প বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পাল্পের ওপর নির্ভরশীল।

    তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাল্প আমদানির ক্ষেত্রে প্রতি টনের অ্যাসেসমেন্ট মূল্য ৮৪০ মার্কিন ডলার ধরা হলেও অনেক আমদানিকারক প্রস্তুত কাগজের মূল্য মাত্র ৬০০ মার্কিন ডলার দেখিয়ে শুল্কায়ন করছেন। ফলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে কাঁচামালের ঘোষিত মূল্যই প্রস্তুত পণ্যের ঘোষিত মূল্যের চেয়ে বেশি। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, এটি শুধু অস্বাভাবিকই নয়, বরং সম্ভাব্য আন্ডার-ইনভয়েসিংয়েরও স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

    তাদের যুক্তি, পাল্প আমদানির মূল্য, উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি, শ্রম, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় প্রস্তুত কাগজের অ্যাসেসমেন্ট মূল্য বাস্তবসম্মতভাবে প্রতি টন প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার হওয়া উচিত। এ কারণে বিপিএমএর প্রস্তাবিত ৯৪৫ ডলারের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণকে তারা যৌক্তিক বলেই মনে করছেন।

    শিল্প মালিকরা অবশ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে আমদানি চলবে, তবে সেটি হতে হবে প্রকৃত মূল্য ঘোষণা এবং সমান প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে। অন্যথায় যারা নিয়ম মেনে উৎপাদন করছে, তারা ক্রমেই বাজার হারাবে এবং অসাধু আমদানিকারকরা সুবিধা পাবে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, কাগজ শিল্প শুধু একটি উৎপাদন খাত নয়; শিক্ষা, প্রকাশনা, প্যাকেজিং, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও রফতানিমুখী শিল্পের সঙ্গে এর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এ শিল্প দুর্বল হলে তার প্রভাব বহুমাত্রিক হবে। একই সঙ্গে শিল্প বন্ধ হলে ব্যাংকঋণ আদায়, কর্মসংস্থান, সরকারি রাজস্ব এবং শিল্পায়নের গতিও নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত হবে।

    বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংকট মোকাবিলায় সরকারের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় রয়েছে। প্রথমত, আন্ডার-ইনভয়েসিং ও শুল্ক ফাঁকি রোধে আন্তর্জাতিক মূল্য যাচাই এবং ঝুঁকিভিত্তিক কাস্টমস অডিট জোরদার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা বিবেচনায় সরকারি ক্রয়ে স্থানীয় শিল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি কার্যকর করা প্রয়োজন। তৃতীয়ত, কাগজ শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে জ্বালানি ব্যয়, অর্থায়ন এবং কাঁচামাল আমদানিতে যৌক্তিক নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

    শিল্পসংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার, স্বচ্ছ শুল্ক ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের কাগজ শিল্প শুধু দেশের চাহিদা পূরণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং ভবিষ্যতে এটি একটি সম্ভাবনাময় রফতানিমুখী শিল্পে পরিণত হতে পারে। তবে সে জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের চাপ, রাজস্ব ফাঁকি এবং বাজার বৈষম্যের কারণে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় এই শিল্প আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, এ বিষয়ে শিল্প মালিকদের অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে বক্তব্য জানতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 day আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ২০২৯ সালে চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুখবর
    আরও সহজ হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর নিয়ম

    প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু রাজস্ব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলছে না

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    ডিজিটাল ঋণ বিতরণে নতুন ইতিহাস
    ১০ হাজার কোটি টাকার ন্যানো লোন দিলো সিটি ব্যাংক-বিকাশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজে শুল্ক আরোপের হুমকি থেকে সরে এলেন ট্রাম্প

    দেশে ফেরার আগে বাংলার লোকগানে মুগ্ধ করলেন সানজয়

    মান্নাত নিয়ে আইনি লড়াইয়ে জয়, স্বস্তিতে শাহরুখ খান

    বাড়ছে বৈদ্যুতিক গাড়ি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

    ২০২৯ সালে চালু হবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর

    প্রকাশ পেল সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকের ফার্স্ট লুক

    ঋণ আদায় আগের চেয়ে আশাব্যঞ্জক - এমডি
    বিডিবিএল আগের নামে ফিরছে

    সবুজ কারখানায় নতুন মাইলফলকে বাংলাদেশ

    তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

    একক ভ্যাট ও করপোরেট করহার চায় আইএমএফ

    যে গণতান্ত্রিক রায় রক্তক্ষরণে পরিণত হয়েছিল: ১৯৭১-এর নির্মম বাস্তবতা

    পুতুলের কণ্ঠে সৈয়দ রেজা আলীর নতুন মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বেখেয়ালি মন’

    রাজস্ব ঘাটতির কারণ খুঁজছে এনবিআর

    শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুখবর
    আরও সহজ হলো বিদেশে অর্থ পাঠানোর নিয়ম

    ৪ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

    দামের কারসাজিতে আলোচিত পৌর কর্মচারী, অবশেষে বদলি

    ফ্রান্স-স্পেন সেমিফাইনালের রেফারি কে এই ইভান বার্টন?

    প্রবৃদ্ধি আছে, কিন্তু রাজস্ব চাহিদার সঙ্গে তাল মিলছে না

    দ্বিতীয় অবস্থানেও গতি হারাচ্ছে পোশাক রফতানি

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.