Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    বুধবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ১০ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    কম এলসি খোলা হয়েছে এপ্রিলে

    মে ১৮, ২০২৩ ৬:৫০ পূর্বাহ্ণUpdated:মে ১৮, ২০২৩ ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা বিধিনিষেধ ও ডলার সংকটের কারণে গত এপ্রিলে আগের ৩২ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম এলসি (ইম্পোর্ট লেটার অব ক্রেডিট) খোলা হয়েছে। এছাড়া ডলার সংকটসহ গত কয়েকমাসে এলসি খোলা কমে যাওয়ায় এপ্রিলে এলসি নিষ্পত্তি হয়েছে গত ২১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত এপ্রিলে মাত্র ৪.৩০ বিলিয়নের আমদানি এলসি খোলা হয়। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ৪৯% কম।

    এরচেয়ে কম এলসি খোলা হয়েছিল ২০২০ সালের আগস্টে। করোনার কারণে দেশের অর্থনীতিতে তখন কিছুটা স্থবিরতা থাকায় ৩.৭০ বিলিয়নের এলসি খোলা হয় সেসময়।

    এছাড়া গত এপ্রিলে আমদানি এলসি সেটেলমেন্ট করা হয়েছে ৪.৬৯ বিলিয়নের। এরচেয়ে কম পেমেন্ট করা হয়েছিল ২০২১ সালের জুলাই মাসে। সে মাসে ৪.৬৫ বিলিয়ন ডলারের এলসি পেমেন্ট করা হয়।

    এলসি কম খোলার কারণ জানতে চাইলে ঢাকা ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ইমরানুল হক বলেন, "প্রথমত এপ্রিলে ঈদ উপলক্ষে ব্যাংকের কার্যদিবস অন্য মাসের তুলনায় কম ছিল। গত মাসে এলসি ওপেনিং কম হওয়ার এটি একটি কারণ। এছাড়া বর্তমানে ব্যাংক চ্যানেলে ডলারের সংকট আছে, তাই ব্যাংকগুলো এলসি খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক। এসব কারণেই এলসি খোলা কমেছে।"

    বর্তমানে ব্যাংক চ্যানেলে ডলার সংকটের কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমাদের রফতানি আয় কমার ধারায় আছে। এছাড়া এপ্রিলে ঈদের মাস হওয়া সত্ত্বেও রেমিট্যান্স আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কম এসেছে। ফলে ব্যাংক চ্যানেলে এখন চাহিদামতো আমদানি এলসি খোলার মতো ডলার নেই।"

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন আমদানিকারক জানিয়েছেন, এলসি মার্জিন রাখাসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব শর্ত মানলেও ব্যাংকগুলো চাহিদামতো এলসি খুলছে না। এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে ঘুরতে হচ্ছে এলসি খোলার জন্য। এসব কারণে উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে মোট ৫৬.৩৬ বিলিয়নের এলসি খোলা হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ পরিমাণ প্রায় ২৭% কম। সেইসঙ্গে অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এলসি সেটেলমেন্ট করা হয়েছে ৬২.৪০ বিলিয়নের, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৮% কম।

    ইমপোর্ট এলসি কম খোলার কারণে দেশের অর্থনীতিতে নানামুখী প্রভাব পড়ে উল্লেখ করে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক শীর্ষ অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, "ক্যাপিটাল মেশিনারিজ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল র ম্যাটেরিয়ালের আমদানি কম হলে দেশের উৎপাদনখাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন করতে না পারলে বাকি খাতগুলো যেমন: পরিবহন, বিপনন থেকে শুরু করে কনজিউমার লেভেল পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ে।"

    "এছাড়া সরকারের রাজস্ব আয়ও কমে। কারণ, ইমপোর্ট ডিউটি, ট্যাক্স, ভ্যাট থেকে সরকারের আয় কমে যায়। সেইসঙ্গে বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হয়। সবকিছু মিলে আবার ইনফ্লেশনকে ট্রিগার করে, যেটি পণ্যের সাপ্লাই কমে যাওয়ার কারণে হয়। এই ইনফ্লেশন কিন্ত বাইরে থেকে আমদানি করা নয়, নিজেদেরই তৈরি করা," বলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এপ্রিলে ৫৭% কমেছে টেক্সটাইল ও লেদার মেশিনারিজের মতো ক্যাপিটাল মেশিনারিজের এলসি খোলার পরিমাণ।

    এছাড়া কম্পিউটার বা মোটরসাইকেলের মতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারির এলসি খোলা কমেছে ৪৬%। টেক্সটাইল ফেব্রিক ও কেমিক্যালের মতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল র ম্যাটেরিয়ালের এলসি খোলা কমেছে ৩২%। সিমেন্ট, স্ক্র্যাপ ভেসেলের মতো ইন্ডারমিডিয়েট পণ্যের এলসি খোলা কমেছে ৩১%, চাল ও গমের মতো ভোগ্যপণ্যের এলসি খোলা কমেছে ১৮%।

    এ প্রেক্ষিতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী ব্যবস্থা নিতে পারে জানতে চাইলে জাহিদ হোসেন বলেন, "প্রথমে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বীকার করে নিতে হবে এলসি মার্জিন বাড়িয়ে দেওয়া, মাল্টিপল এক্সচেঞ্জ রেট করাসহ যে পদক্ষেপগুলো ডলার সংকট কাটানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো খুব একটা কার্যকর হয়নি। 

    "এসব সিদ্ধান্তের কারণে রেমিট্যান্স ও এক্সপোর্ট প্রসিড কমে গেছে। বিশেষ করে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেটকে বাজারের হাতে ছেড়ে না দিলে সামনে সংকট আরো বাড়ার সম্ভাবনা আছে," বলেন তিনি।

    অকা/প্র/ সকাল, ১৮ মে, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    কম এলসি খোলা হয়েছে এপ্রিলে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    নিম্নআয়ের সহায়তায় টিসিবি – কিন্তু বাড়ছে ব্যয়ের বোঝা

    শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডে এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি-আমদানি ঝুঁকিতে

    বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আইএমএফের সতর্ক সংকেত
    আবারও কমলো প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস

    ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় সেপ্টেম্বরে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.