Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ডলার সংকটে বীমা শিল্প

    ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৩ ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ডলার সংকটে বড় সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশের বীমা শিল্প। এ পরিস্থিতিতে বিদেশি পুনর্বীমাকরীদেরকে প্রিমিয়াম জমা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে স্থানীয় বীমাকারীদের জন্য। গত পাঁচ মাস ধরে ৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি প্রিমিয়াম আটকে রয়েছে। এর ফলে দেশের বীমাকারীদের মধ্যে ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    সবচেয়ে খারাপ দৃশ্যপটের আশঙ্কা করে বীমাকারীরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, তারা যদি প্রিমিয়ামগুলো পরিশোধ করতে না পারেন, তাহলে বিদেশি পুনর্বীমাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো — যারা স্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বেশি বড় ঝুঁকিগুলোর ভাগাভাগি ও ব্যবস্থাপনা করে থাকে — তারা বাংলাদেশ থেকে কোনো ঝুঁকি কাভারেজ নিতে রাজি হবে না। পাশাপাশি বিদ্যমান চুক্তিও বাতিল করে দেবে।

    এছাড়া এর প্রভাব পড়বে অন্যভাবেও। এমন পরিস্থিতি ঘটলে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন (কেপিআই), মেগা প্রকল্পসহ বহু সম্পদ আর বীমার আওতায় থাকবে না। এতে বীমাকারী ও পলিসিহোল্ডার (যার নামে বীমা করা হয়েছে) উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

    দেশের একমাত্র নন-লাইফ বীমাকারী এবং পুনর্বীমকারী সংস্থা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন (এসবিসি) সর্বোচ্চ ৪০০ কোটি টাকার সম্পত্তির পুনর্বীমা করতে পারে। এ কারণে স্থানীয় বীমা কোম্পানিগুলোকে কেপিআই, মেগা প্রকল্প ও ৪০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের কারখানার জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পুনর্বীমা নিতে বাধ্য হয়। পুনর্বীমা টিকিয়ে রাখার জন্য তাদেরকে এই বিদেশি পুনর্বীমাকারীদের কাছে নিয়মিত প্রিমিয়াম পাঠাতে হয়।

    রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. খালেদ মামুন বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিনিষেধের কারণে চার মাসের বেশি সময় ধরে আমরা একটা ডলারও পাঠাতে পারিনি। শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি না হলে একটা বিপর্যয় ঘটবে।'

    খালেদ জানান, তারা যখন বিদেশি পুনর্বীমাকারীদের সঙ্গে পলিসি পুনর্বীমা করেন, তখন প্রিমিয়াম পরিশোধের জন্য তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময় — ৬০ থেকে ৯০ দিন — বেঁধে দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রিমিয়াম পরিশোধ করা না হলে বীমা পলিসি বাতিল হয়ে যাবে।

    পুনর্বীমা হলো একটি বীমা কোম্পানির ঝুঁকি অপর একটি বীমা কোম্পানিতে স্থানান্তর করা। এতে প্রিমিয়ামের বদৌলতে বীমা কোম্পানি দুটি বড় ক্ষতির ঝুঁকি ভাগাভাগি করে নিতে পারে। এ পদ্ধতি ঝুঁকি ছড়িয়ে দেওয়া এবং বীমা কোম্পানিগুলোকে বড় ক্ষতির বিপরীতে একটি সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে রাখতে সহায়তা করে।

    বাংলাদেশের আইন অনুসারে, সমস্ত বেসরকারি বীমাকারীর নিজেদের ব্যবসার ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এসবিসির সঙ্গে পুনর্বীমা করা বাধ্যতামূলক — আর বাকি অর্ধেক দেশের বাইরে পুনর্বীমা করা যায়। কিন্তু সব কোম্পানির বিদেশি পুনর্বীমাকারীর সঙ্গে ব্যবসা নেই।

    বাংলাদেশের ৪৬টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে প্রায় ১২টি যুক্তরাজ্য, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও ভারতের কোম্পানির সঙ্গে তাদের ব্যবসা পুনর্বীমা করে। বাকি কোম্পানিগুলো এসবিসির সঙ্গে পুনর্বীমা করে। এসবিসি পরবর্তীকালে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ঝুঁকি ভাগাভাগি করে নেয়।

    বাজারসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুসারে, কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে বিদেশে এক হাজার ৫০০ কোটি টাকার (প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার) পুনর্বীমা করেছে।

    যেসব কোম্পানি তাদের পলিসি বিদেশে পুনর্বীমা করে, সেগুলোর মধ্যে আছে গ্রীন ডেল্টা, পাইওনিয়ার, ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স। ডলার সংকটের জন্য প্রিমিয়াম পাঠাতে না পারায় এই কোম্পানিগুলোই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    গ্রীন ডেল্টার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা চৌধুরী তাদের বিদেশি পুনর্বীমাকারীদের প্রিমিয়াম প্রদানের বর্তমান সংকট সম্পর্কে বলেন, 'এটা আমাদের জন্য সংকটময় সময়।' তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির পথে রয়েছে এবং অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আর সেই প্রকল্পগুলোর পুনর্বীমা প্রয়োজন, কারণ এসবিসি একা এই পুনর্বীমা করতে পারে না। ফারজানা বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত ঠিক না হলে বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে তাদের ব্যবসা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

    লন্ডনভিত্তিক বীমা ব্রোকার টাইসারস-এর কান্ট্রি ম্যানেজার এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, তারা গত বছরের মে থেকে প্রিমিয়াম জমা দিতে পারছেন না। আর বাংলাদেশ ব্যাংক বা বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেউই এ বিষয়ে তাদের কিছু জানাচ্ছে না।

    তিনি বলেন, 'আমরা যদি এ মাসের মধ্যে প্রিমিয়াম পাঠাতে না পারি, তাহলে এপ্রিল থেকে পলিসি নবায়ন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।'

    টাইসারস বাংলাদেশের প্রধান বলেন, স্বনামধন্য বীমাকারীরা বাংলাদেশকে ছেড়ে চলে গেলে বাজারের দখল নেবে নিম্নমানের পুনর্বীমাকারীরা। এরা দুর্ঘটনার বীমা দাবি পরিশোধের কোনো বাধ্যবাধকতা আছে বলে মনে করে না।

    এসবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ বেলাল হোসেন বলেন, তাদের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রার অ্যাকাউন্ট আছে। বিদেশি পুনর্বীমাকারীদের কাছে ডলার পাঠাতে এসবিসির কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

    তবে নন-লাইফ বীমাকারীদের স্পন্সরদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির হোসেন প্রিমিয়াম পরিশোধের সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, তারা বিদেশে বীমার প্রিমিয়াম পাঠানোর ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেনি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক রোববার বলেন, 'এটা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওপর। ব্যাংকগুলোর অন্যান্য অগ্রাধিকার থাকতে পারে।'

    আন্তর্জাতিক জীবন বীমা শিল্পে পুনর্বীমা খুব সাধারণ ঘটনা, তবে এই চর্চা বাংলাদেশে নেই।

    জীবন বীমার আর্থিক আওতা কম, এ কারণে এ বীমার ৯৮ শতাংশের বেশি পলিসিই স্থানীয় বীমাকারীদের কাছে থাকে। স্থানীয় বীমাকারীরা জীবন বীমা-সংশ্লিষ্ট ঝুঁকিগুলো বিদেশি বীমা কোম্পানির সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না।

    দেশের অন্যতম বৃহৎ জীবন বীমা কোম্পানি ডেল্টা লাইফের পরিচালক আদিবা রহমান বলেন, তারা নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলির মতো প্রিমিয়াম পাঠাতে না পারার সমস্যায় ভুগছেন না। এর অর্থ, নন-লাইফ বীমা শিল্প যে সমস্যা পোহাচ্ছে, দেশের জীবন বীমা খাতের ওপর সেই সমস্যার প্রভাব পড়ছে না।

    ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ মার্কিন ডলারের সংকটে ভুগছে। আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি, সার ও শিল্প উপকরণসহ প্রায় সব পণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের পক্ষে আমদানির জন্য ডলারের সংস্থান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

    ২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার। সেখান থেকে রিজার্ভ কমে এখন ৩২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। গত ছয় মাসে স্থানীয় মুদ্রা টাকার দাম ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    অকা/বীখা/সকাল, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ  

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    ডলার সংকটে বীমা শিল্প

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    জাতীয় প্রেসক্লাবে নমিনির সংবাদ সম্মেলন
    ৪৪ লাখের বদলে ৪৪ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগ মেটলাইফের বিরুদ্ধে

    সাউথইস্ট ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৬৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৯ শতাংশ

    সম্পদ বিক্রি করে বীমা দাবির টাকা পরিশোধের উদ্যোগ, নজরে ৭ কোম্পানি

    সাংবাদিককের সঙ্গে আইডিআরএ নতুন চেয়ারম্যানের প্রথম মত বিনিময় সভা
    বীমা গ্রাহক দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে প্রথম অগ্রাধিকার

    অতিরিক্ত ব্যয়ের মহোৎসবে ২২টি জীবন বীমা কোম্পানি    
    ব্যয়ে শীর্ষে মেটলাইফ, জেবিসি, ফারইষ্ট, প্রাইম, শান্তা, বেঙ্গল, রূপালী, জেনিথ, সানলাইফ ও এনআরবি 

    বীমা কোম্পানিতে জাল শিক্ষা সনদে প্রায় ১৫ জন এমডি
    ভুয়া শিক্ষাসনদে সোনালী লাইফের ভারপ্রাপ্ত এমডি পদে রফিকের ৩০ মাস!

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কমিউনিটি ব্যাংকের এমডি হলেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ

    ড্রাইভিং লাইসেন্স পেলেন জাইমা রহমান

    হাজার কোটি টাকার পণ্য নিয়ে মোহনায় আটকা পড়লো জাহাজ

    জ্বালানি সংকটে বিকল্প হতে পারে সৌরবিদ্যুৎ

    কাশ্মির ইস্যুতে পাকিস্তানের নৈতিক অবস্থান কি প্রশ্নবিদ্ধ?

    ৭৮ কোটি টাকার লোকসানে সোনারগাঁও টেক্সটাইল

    সার্জিও গোর: বাণিজ্যের আড়ালে রাজনীতি

    সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সালফারের দাম ১৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি

    হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইনে সমস্যা? জেনে নিন সমাধান

    প্রকাশ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ‘রামায়ণ’ ট্রেলার

    ইধিকা পালের নতুন চমক

    অনলাইনে যাচাই করা যাবে পাসপোর্ট

    সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে মিলবে কর ছাড়

    হঠাৎ কেন বাড়লো ডলারের দাম?

    বিনামূল্যে ১৪ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করল ওমান

    মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আনতে চায় বাংলাদেশ

    জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার

    ঢাকা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান সাব্বির মোস্তফা খান

    ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়লো

    কেন ফেরানো গেল না বেনজীরকে

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.