জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন প্রকল্পের অনুমোদন করা হয়েছে। ১০ আগস্ট সকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় পুরো অর্থই জোগান দেয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার ২০৪ কোটি টাকা এবং মাত্র ৬০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা দেবে টেলিটক। চলতি বছরে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এর বাস্তবায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে লস গুনতে থাকা এই টেলিকম অপারেটর। চলতি বছর থেকেই শুরু হতে যাওয়া এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা আছে। নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের এই প্রকল্পের আওতায় নতুন তিন হাজার বিটিএস সাইট তৈরি, রুম, টাওয়ার, লক ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।
এছাড়াও টেলিটকের নিজস্ব ৫০০ টাওয়ার ও দুই হাজার ৫০০ টাওয়ার শেয়ারিং সাইট প্রস্তুত করা হবে। আর সেবা সক্ষমতা বাড়াতে থ্রি জি ও ফোর জির বিদ্যমান দুই হাজার সাইটের যন্ত্রপাতির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হবে। ফিক্সড ওয়্যারলেস এক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে ঢাকার বাইরে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিস-আদালতে ইন্টারনেট সেবা বাড়াতে পাঁচ হাজার এফডব্লিউএ ডিভাইস স্থাপন করা হবে।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ব্যপারে টেলিটকের এক কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পে আমাদের বিদ্যমান যে অবকাঠামো আছে সেই টু জি, থ্রি জির উন্নয়নে কিছু কাজ করা হবে। আর সামনে যেহেতু ফাইভ জিতে যাওয়ার টার্গেট আছে, ফাইভ জির প্রস্তুতি হিসেবে আমরা কিছু ইকুইপমেন্ট বসাবো। ঢাকার ২০০ জায়গায় ফাইভজি চালু করার জন্য ভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাব পেয়েছে, সেটা প্রসেস করছি। সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আমরা ফাইভ জি পাব।
#
সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে
