Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৬ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    নাব্য কমে আসায় পায়রা বন্দর অকার্যকর হয়ে পড়ছে

    সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৪ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ20
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও রণাবেণের মাধ্যমে পটুয়াখালীর পায়রা নদীর রাবনাবাদ চ্যানেলের গভীরতা বাড়াতে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ড্রেজিং প্রকল্প হাতে নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর বেশির ভাগই নির্বাহ হয়েছে রিজার্ভের অর্থ দিয়ে গঠিত বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল (বিআইডিএফ) থেকে নেয়া ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলারের মাধ্যমে। খননের মাধ্যমে গত বছরের মার্চের মধ্যেই গভীরতা সাড়ে ১০ মিটারে উন্নীত করা হয়। কিন্তু এরপর প্রকল্পের খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই পলি পড়ে ভরাট হতে থাকে রাবনাবাদ চ্যানেলের তলদেশ। খনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট। আর সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, এরই মধ্যে রাবনাবাদ চ্যানেলের গভীরতা নেমে এসেছে ৭ দশমিক ৩ মিটারে। মাস শেষ হওয়ার আগেই তা ৭ মিটারের নিচে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে এ চ্যানেল দিয়ে বড় জাহাজ চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বড় জাহাজ চলাচলের জন্য চ্যানেলটির অন্তত ৮ দশমিক ৭ মিটার গভীরতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় দেশে ডলার সংকটের মধ্যেও চ্যানেলটি খননে বিআইডিএফের মাধ্যমে রিজার্ভ থেকে দেয়া ৫০ কোটি ডলারের পুরোটাই অপচয় হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।

    নাব্য কমে আসায় পায়রা বন্দর এখন ক্রমেই অকার্যকর হয়ে পড়ছে। বর্তমানে কোনো ধরনের কার্গো জাহাজ পায়রায় ভিড়তে পারছে না। সাধারণ জাহাজ চলাচল করতে পারলেও সেগুলো হ্যান্ডলিংয়ের জন্য দরকার হচ্ছে ছোট লাইটার জাহাজ। পায়রা বন্দর কর্তৃপরে কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, পুনরায় ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা না হলে চ্যানেলের গভীরতা আরো কমে আসবে। যদিও পুনরায় খনন কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাবনাবাদ চ্যানেলে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ে খনন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে গেলে তা সেটিও এক ধরনের নিষ্ফল অপচয় হবে। অবস্থানগত কারণেই এখানে কাঙ্তি মাত্রায় গভীরতা ধরে রাখা অসম্ভব। রাবনাবাদসহ পায়রার চ্যানেলগুলো দিয়ে প্রতি বছর উজান থেকে আসা বিপুল পরিমাণ পলি বঙ্গোপসাগরে পড়ছে। প্রবাহপথে আসা এ পলি জমা হতে থাকায় এ চ্যানেলের গভীরতা ধরে রাখা যায় না। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং ছাড়া বন্দরটি চালু রাখা কঠিন। কিন্তু সেটিও অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ অবস্থায় পায়রা বন্দরের অর্থনৈতিক মুনাফাযোগ্যতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের সংশয় রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

    বন্দর কর্তৃপ সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বণিক বার্তাকে জানিয়েছে, বাংলাদেশে পায়রা বন্দরের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এটি এখন অনেকটা অভ্যন্তরীণ নৌ-বন্দরে পরিণত হয়েছে। রাবনাবাদ চ্যানেলে খনন শুরুর আগে জার্মান একটা বিশেষজ্ঞ দলকে আনা হয়েছিল। তারা লিখিতভাবে বলে গেছে, যতই খনন করা হোক, চ্যানেলটিতে পলি জমবেই এবং এটি খনন অব্যাহত রাখার কোনো বিকল্প নেই। সম্ভাব্যতা সমীায়ও একই কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সে সময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরে চাপের কারণে অনেকটা জোর করেই খনন স্কিমটি শুরু করা হয়।

    অবস্থানগত কারণেই পায়রা বন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞরাও। নদী ও পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের নদীগুলো দিয়ে বিপুল পরিমাণ পলি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। তার কিছু অংশ আবার জোয়ারের সঙ্গে উপকূলে ফেরত আসে। আমরা ল্য করছি, উপকূল থেকে রায়মঙ্গল নদীর ১৫-২০ কিলোমিটার দেিণ প্রচুর পলি জমা হচ্ছে। নদী সেখানে সারা বছর সক্রিয় থাকার কারণে চর পড়ছে না কিন্তু ডুবোচরের মতো থাকছে। কাজেই পায়রা বন্দরকে সারা বছর কার্যকর রাখার জন্য তিন-চার বছর পরপরই সেডিমেন্ট কেটে সেখানে গভীরতা বাড়াতে হবে। ছোট জাহাজের জন্য পায়রা ঠিক আছে। কিন্তু এটাকে গভীর নৌবন্দরে পরিণত করতে গেলে নিয়মিত বিরতিতে ড্রেজিং ছাড়া উপায় নেই এবং এ ড্রেজিং অনেক ব্যয়বহুল।’

    পায়রা বন্দর কর্তৃপ সূত্রে জানা গেছে, রাবনাবাদ চ্যানেল খনন ও রণাবেণ কাজের জন্য ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত একটি স্কিম বাস্তবায়ন করা হয়। এতে খরচ হয় ৬ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু রাবনাবাদ চ্যানেল খনন ও রণাবেণ কাজে খরচ হয় ৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। গত বছরের মার্চে চ্যানেলটির সর্বোচ্চ গভীরতা ১০ দশমিক ৫ মিটারে উন্নীত হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে স্কিমের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জরুরিভাবে গত ১৪ আগস্ট পর্যন্ত খনন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরপর থেকে খননকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

    পায়রা বন্দরে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে রিজার্ভ থেকে অর্থ নিয়ে। ২০২১ সালে রিজার্ভ থেকে অর্থ নিয়ে ‘বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল (বিআইডিএফ)’ নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলে তৎকালীন সরকার। এ সংস্থাটি এখন পর্যন্ত কেবল পায়রা বন্দরেই অর্থায়ন করেছে। যে সময় পায়রা বন্দরের ড্রেজিং স্কিম গ্রহণ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবায়নে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৪৮ বিলিয়ন ডলার। যদিও ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হালনাগাদকৃত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবায়নে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ এখন প্রায় ২৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলারে।

    বন্দর কর্তৃপরে প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ১৪ আগস্ট রাবনাবাদ চ্যানেলের সর্বোচ্চ গভীরতা ছিল ৮ দশমিক ৭ মিটার। খনন বন্ধ থাকায় ধারাবাহিকভাবে পলি জমে গত ৫ সেপ্টেম্বর তা ৭ দশমিক ৩ মিটারে নেমে আসে। ২৫ সেপ্টেম্বর তা ৬ দশমিক ৬ মিটারে নেমে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

    সাধারণত ১ হাজার টিইইউএস কনটেইনারবাহী একটি জাহাজের জন্য বন্দর চ্যানেলের গড় গভীরতা থাকতে হয় ৮ দশমিক ৭ মিটার। আর ৪ হাজার টিইইউএস কনটেইনারবাহী জাহাজের জন্য বন্দর চ্যানেলের গড় গভীরতা প্রয়োজন হয় ১২ দশমিক ৫ মিটার। রাবনাবাদ চ্যানেলে বর্তমানে এ গভীরতা না থাকার কারণে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

    পায়রা বন্দর কর্তৃপরে একটি সূত্র বণিক বার্তাকে জানিয়েছে, বর্তমানে রাবনাবাদ চ্যানেলে খনন কার্যক্রম আবার শুরুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে পানিসম্পদ উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করেও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন ও পায়রা বন্দর কর্তৃপরে চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ধারাবাহিকভাবে চ্যানেলের গভীরতা কমে যাওয়ার বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পায়রা বন্দর কর্তৃপরে হারবার মাস্টার (অতিরিক্ত দায়িত্বে) ক্যাপ্টেন এসএম শরিফুর রহমান বলেন, ‘রাবনাবাদ চ্যানেলে ক্যাপিটাল ও রণাবেণ ড্রেজিং নামের একটি স্কিমের মাধ্যমে নাব্যতা ধরে রাখতে খনন কার্যক্রম চলে আসছিল। এ স্কিমের মেয়াদ চলতি বছরের এপ্রিলে শেষ হয়েছে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে আরো দুই মাস খননকাজ পরিচালনা করা হয়। গত ১৪ আগস্ট জরুরি খননকাজও শেষ হয়েছে। এরপর থেকে রাবনাবাদ চ্যানেলে আর কোনো খননকাজ চলছে না। ফলে প্রতিনিয়ত চ্যানেলে পলি জমছে ও নাব্যতা কমে আসছে।’ পুনরায় খনন কার্যক্রম শুরুর জন্য পায়রা বন্দর কর্তৃপ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

    চ্যানেলের নাব্য কমে যাওয়ায় জাহাজ চলাচলে বিরূপ প্রভাব পড়ছে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘জাহাজ চলাচল ঠিক আছে। কিছু খালাস ও লোড কার্যক্রমে লাইটার জাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে কার্গো চলতে পারছে না। এগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। ●


    অকা/শিবা/ফর/বিকাল/৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    পায়রা বন্দর

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও লোকসানের ঝুঁকি
    যুদ্ধের অভিঘাতে শিল্পে ‘কস্ট-পুশ’ সংকট

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    বিকল্প কী ধরনের সুবিধা দেয়া যায়, সে বিষয়ে আমরা ভাবছি-বাণিজ্য সচিব

    শিল্পায়নের নতুন সুযোগ গ্রিন শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি-শিল্প উপদেষ্টা

    প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাদেশ
    অর্ডার বাড়াতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    নবম পে-স্কেলে বাড়তে পারে বেতন-ভাতা

    আমদানিনির্ভর বাজারে নিরব মন্দা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.