Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ফেসবুক-ইউটিউবের স্থানীয় অফিস ছাড়া সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব?

    জুলাই ১৩, ২০২৬ ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ2
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন> 

    বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়লেও দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর কোনো সরাসরি কার্যালয় নেই। ফলে ফেসবুক, ইউটিউবসহ বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশের আইন ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং জনমত গঠন, তথ্যপ্রবাহ এবং রাজনৈতিক-সামাজিক প্রভাব বিস্তারের অন্যতম শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। তবে এর অপব্যবহারও দিন দিন বাড়ছে। অপতথ্য, গুজব, মানহানিকর প্রচারণা, চরিত্রহনন, ব্ল্যাকমেল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি, ভিডিও ও অডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আইন প্রণয়ন, জরিমানা এবং স্থানীয় কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের কোনো পূর্ণাঙ্গ অফিস নেই। ফলে ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণ বা অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেকাংশেই এসব প্রতিষ্ঠানের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

    বাংলাদেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ কোটির বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৭ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন বলে সংশ্লিষ্ট খাতের তথ্য বলছে। ইউটিউব ব্যবহারকারীর সংখ্যাও প্রায় ৭ কোটি।

    এত বড় ব্যবহারকারী থাকায় বাংলাদেশ ফেসবুক ও ইউটিউবের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বাংলাদেশ থেকে ফেসবুক ও ইউটিউব প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করছে। কিন্তু সেই তুলনায় এসব প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উপস্থিতি নেই।

    ফলে কোনো আপত্তিকর বা ক্ষতিকর কনটেন্ট প্রকাশ হলে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারে না। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সাধারণত সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে কনটেন্ট অপসারণের অনুরোধ পাঠায়। এরপর প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ও নীতিমালা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়।

    সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ থেকে পাঠানো সব অনুরোধের বড় অংশই কার্যকর হয় না। আবার অনেক ক্ষেত্রে কনটেন্ট অপসারণে দীর্ঘ সময় লাগে। এর মধ্যে অপপ্রচার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপতথ্য ও এআই-নির্মিত বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ক্ষতিকর কনটেন্ট অপসারণে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করার বিধান আইনে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ দেশের বাইরে বসে পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানের ওপর জাতীয় আইন প্রয়োগ করা কঠিন। তাদের মতে, বাংলাদেশে স্থানীয় অফিস ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি থাকলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের আইন মেনে চলতে বাধ্য করেছে। ইউরোপের দেশগুলোতে তথ্য সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন ও ক্ষতিকর কনটেন্টের কারণে মেটা, গুগলসহ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হয়েছে।

    ভারতও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ করেছে। দেশটিতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও ডিজিটাল মিডিয়া নীতিমালার মাধ্যমে ফেসবুক, ইউটিউবসহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলোকে স্থানীয় আইন মেনে চলতে বাধ্য করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব থাকায় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ ও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও তুলনামূলক দ্রুত।

    জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশেও অনলাইন অপতথ্য, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও ক্ষতিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব দেশে নিয়ম ভঙ্গ করলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই জরিমানার মুখোমুখি হতে হয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশি হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় উপস্থিতি নেই। অথচ তুলনামূলক কম ব্যবহারকারী থাকা অনেক দেশেই মেটা ও গুগলের আঞ্চলিক অফিস রয়েছে।

    তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বাধীনতা বজায় রেখেই অপব্যবহার বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন কার্যকর আইন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ফেসবুক-ইউটিউবের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা।

    তারা মনে করেন, বাংলাদেশে এসব প্রতিষ্ঠানের অফিস স্থাপন ও স্থানীয় আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা তৈরি করা গেলে সাইবার অপরাধ, গুজব ও অপপ্রচার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 hours আগে

    ইউটিউব ফেসবুক বাংলাদেশ

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    পুঁজিবাজারে কারসাজি: ১৪৯৭ কোটি টাকা জরিমানা, সালমান এফ রহমান নিষিদ্ধ

    সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা

    একীভূত ৫ ব্যাংকের অনিয়ম তদন্তে ফরেনসিক অডিট চলছে: অর্থমন্ত্রী

    ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

    নতুন দুটি ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ

    বিশ্ব অর্থনীতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে এআই

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ফেসবুক-ইউটিউবের স্থানীয় অফিস ছাড়া সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব?

    গোল্ডেন বুটের দৌঁড়ে মুখোমুখি মেসি-এমবাপ্পে

    পুঁজিবাজারে কারসাজি: ১৪৯৭ কোটি টাকা জরিমানা, সালমান এফ রহমান নিষিদ্ধ

    গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা

    ডলারের বিপরীতে এক মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে ব্রিটিশ পাউন্ড

    পোশাক রপ্তানিতে মিলবে তিনগুণের বেশি নগদ সহায়তা

    অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ

    মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা

    ‘হরমুজ প্রণালি’ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হাতিয়ার

    সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা

    একীভূত ৫ ব্যাংকের অনিয়ম তদন্তে ফরেনসিক অডিট চলছে: অর্থমন্ত্রী

    বিশ্বকাপে প্রথমবার সেমিফাইনালে যে শীর্ষ চার দল

    ক্যারিয়ারে প্রথমবার ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছেন মেসি

    এই দলটা কখনোই বিশ্বাস হারায় না: মেসি

    ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

    চীনের সরে যাওয়া বাজার দখলের নতুন সুযোগ
    পোশাক রফতানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান অটুট

    বিদেশি মূলধন প্রত্যাহারে বাড়ছে শেয়ার বাজারের চাপ

    চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃত্যু ৪৩, ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৮ লাখ মানুষ

    ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

    ‘চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার’ পেলেন প্রণব মজুমদার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.