Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বাড়ছে কৃষি বীমা

    মার্চ ২১, ২০২২ ৬:৩২ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    সময়ের প্রয়োজনে বড় হচ্ছে দেশের কৃষি খাত। সেই সঙ্গে আবিষ্কার হচ্ছে নতুন জাতের ফসলের জাত। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ খাতের ঝুঁকি বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

    চাষের ক্ষেত্রে বীজ বপন থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত কৃষকদের স্বাভাবিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করা হয়। দাবানল, বজ্রপাত, ঝড়, শিলাবৃষ্টি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা প্লাবন, খরা, শুষ্ক মৌসুম, রোগ পোকার ক্ষতি প্রভৃতি নানারকম ঝুঁকির জন্য ফসলের ক্ষতি হলে কৃষকরা এই বীমার আওতায় আসবেন।

    জলবায়ুর খারাপ অবস্থা নির্দিষ্ট সুচকে পৌঁছালেই একজন কৃষক বীমা কোম্পানির কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবির অধিকারী হন। যেমন একটি পলিসির শর্তানুযায়ী, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের নিচে টানা ৭২ ঘন্টা থাকলে এবং আর্দ্রতা ৮৫ শতাংশের বেশি হলে তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন।

    জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক আইনুন নিশাত বলেন, গত বছর আবহাওয়ার অস্বাভাবিক আচরণে কৃষি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এবারও কৃষি, উন্নয়নকাজসহ সব পরিকল্পনায় আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের বিষয়টি মাথায় রেখে এগোতে হবে। এই ক্ষেত্রে কৃষিবিমার মাধ্যমে কৃষকদের সুরক্ষা দেওয়া যাবে।

    তিনি বলেন, বীমার কিস্তি বা প্রিমিয়াম যেন বেশি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। কারণ, অনেক দেশে বেশি অঙ্কের প্রিমিয়াম বিদ্যমান, তাই এই ধরনের বিমা সফল হয়নি। আর এ ধরনের বীমার কিস্তি বেশির ভাগই সরকারকে দিতে হবে। যেটি পাশের দেশ ভারতে আছে।

    ২০১৯ অর্থবছরে দুটি বীমা কোম্পানি মাত্র ১ হাজার ৫২৬টি কৃষি বিমা পলিসি বিক্রি করলেও মাত্র চার বছরের ব্যবধানে তা এখন ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৩৬টিতে পৌঁছে গেছে।

    এখন পর্যন্ত দেশের ৪২ জেলার ৬০ হাজার কৃষক গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের বীমা সেবার আওতায় এসেছেন। তবে মাঠ পর্যায়ে বীমা কোম্পানিগুলোর পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় বীমা পণ্য বিতরণ ও পরিচালনায় কৌশলগত ও বন্টন অংশীদার হিসেবে কাজ করছে: ব্র্যাক, সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড, ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো), গ্রাম উন্নয়ন কর্ম, জেবিকে এন্টারপ্রাইজ এবং ইজাব এগ্রো লিমিটেড।

    গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্সের হেড অফ ইমপ্যাক্ট বিজনেস ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শুভাশীষ বড়ুয়া জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি বীমা নিয়েছেন উত্তরাঞ্চলের কৃষকেরা।

    তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলে বেশি বন্যা হয়। বীমা করা থাকলে যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়, তাহলে কৃষকেরা ক্ষতিপূরণ পান, যা দিয়ে আবার কৃষিকাজ করতে পারেন।

    তিনি আরো বলেন, ২০১৭ সালে আগাম ও স্বাভাবিক বন্যায় হাওরের ৫২ লাখ ৫০ হাজার টন ফসলের ক্ষতি হয়। এর আর্থিক মূল্য ছিল ৩ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। আগাম ও স্বাভাবিক বন্যা, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফসলের ক্ষতির জন্য হাওরের কৃষককে ত্রাণ, নগদ সহায়তা, প্রণোদনাসহ নানা ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

    কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ২০১৮ সালে সিনজেনটা ফাউন্ডেশন ‘সুরক্ষা’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে। এর আওতায় আছে অন্তত ১৯টি বীমা পণ্য; যা অনেক কৃষককে তাদের আমন ও বোরো ধান, আলু, ভুট্টা ও শিম শস্যের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাণিজ্যিকভাবে সুরক্ষা দিয়েছে।

    সিনজেনটা ফাউন্ডেশন এবং বিমা কোম্পানিগুলোর সূত্রমতে, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও গ্রিন ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১৯ অর্থবছরে মাত্র ১ হাজার ৫২৬টি কৃষি বিমা পলিসি বিক্রি করে। কিন্তু মাত্র চার বছরের ব্যবধানে তা এখন ২ লাখ ১৪ হাজার ৮৩৬টিতে পৌঁছে গেছে।

    বীমাকারী কৃষকরা প্রতি সপ্তাহে ফোনে আবহাওয়ার পূর্বাভাস, আগাম সতর্কতা এবং কৃষি-পরামর্শ পরিষেবা পান। আর বীমা দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রেও তাদের কোনো দাবি উত্থাপন করতে হয় না। বরং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বয়ক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।

    ব্র্যাকের এগ্রিকালচারাল ইন্সুরেন্স, মাইক্রোফিন্যান্স এর টিম লিডার আলী তারেক পারভেজ বলেন, “আমরা মূলত মাইক্রোফিন্যান্স নিয়ে কাজ করি। এ কারণে যারা আমাদের থেকে কৃষি ঋণ নেয়, তাদের কাছে আমরা ইনস্যুরেন্স পণ্যগুলো অফার করি।”

    জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিমা করেছেন আলুর জন্য। চার বছরে -আলুতে বিমা করা হয়েছে ৯২ হাজার ৬১৬টি, আমন ধানে বীমা হয়েছে ৭৭ হাজার ৫৯৩টি, বোরো ধানে ৪২ হাজার ১৭৪টি, ভুট্টায় ২ হাজার ৩৪৭টি এবং শিমে বীমা হয়েছে ১০৭টি।

    বিভিন্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন কৃষকরা প্রিমিয়াম দিতে অনিচ্ছুক এবং তাদের এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা উচিত।

    তারা বলেন, যখন কোনো দুর্যোগ আঘাত হানে, কৃষকরা ফসল হারানোর ঝুঁকি অনুভব করে এবং প্রিমিয়াম দিতে আগ্রহী হয়। যাইহোক, যখন জিনিসগুলি ঠিক থাকে এবং ফসলের উৎপাদন ভাল হয়, তখন তারা প্রিমিয়াম দিতে আগ্রহী হয় না।

    সাধারন বীমা কর্পোরেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিফুল হক মনে করেন, বীমা খাতের প্রবৃদ্ধির জন্য সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। সরকার যদি বীমা প্রিমিয়ামে ভর্তুকি দেয় তবে কৃষক এবং বীমা কোম্পানি উভয়ই উপকৃত হবে বলে তিনি মনে করেন।

    #

    অকা/বীখা/দুপুর, ২১ মার্চ, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    বাড়ছে কৃষি বিমা

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    সন্ধানী লাইফের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মকবুল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    আইডিআরএ থেকে আসলাম আলমকে অব্যাহতি

    বীমা খাতে ডিভিডেন্ড বন্যা – ১৫ কোম্পানির ঘোষণা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.