Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিদেশিদের শেয়ার বিক্রি বেড়েছে

    ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৩ ৫:২৪ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    দেশের পুঁজিবাজারে এখন ৬৩ হাজার বেনিশিফিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টধারী বিদেশি বিনিয়োগকারী রয়েছেন। তারা মাসখানেক শেয়ার কেনার পর গত ডিসেম্বর থেকে আবারও শেয়ার বিক্রি শুরু করেছেন।

    সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তাদের শেয়ার বিক্রির হিড়িক পড়েছে। এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে যে ‘ব্লক মার্কেটে কম দামে পার্টি অ্যারেঞ্জ (ঠিক) করে শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রি করেছেন ৬ গুণের বেশি। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সেচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    চার কারণে বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন বলে মনে করেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, প্রধানতম কারণ হলো— মার্কিন (ইউএস) ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন। অর্থাৎ ডলার বাজারের সংকট বা অস্থিরতা কাটছে না।

    দ্বিতীয়ত হচ্ছে— দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা। এর ফলে ভালো কোম্পানির শেয়ার কেনা-বেচা করতে পারছেন না। তবে সুযোগ পেয়ে এখন ব্লক মার্কেটে শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    তৃতীয় কারণ হলো— ভালো কোম্পানির অভাব, শেয়ারের দাম অতি মূল্যায়নের পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে। এসব কারণে বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করে টাকা হাতে রাখছেন।

    বিদেশি বিনিয়োগ কমার বিষয়টি স্বীকার করেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করে নতুন করে বিনিয়োগের জন্য চিন্তা করছেন। আশা করছি মার্চ থেকে বিদেশিরা বড় বিনিয়োগ করবেন।

    বিএসইসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিদেশিরা শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রি করেছেন বেশি। তবে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে তার ছন্দপতন হয়েছিল। সেই মাসে শেয়ার বিক্রির চেয়ে বেশি কিনেছেন বিদেশিরা। পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরাও বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

    কিন্তু নভেম্বর মাস থেকে আবারও শুরু হয় শেয়ার বিক্রির প্রবণতা। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও ২১ কোটি টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে বিক্রি করেছেন ১৩৫ কোটি টাকার শেয়ার। অর্থাৎ ৬ গুণের বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন বিদেশিরা। শেয়ার বিক্রি বাড়লেও আশা জাগিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন করে ১২৯টি বিও অ্যাকাউন্ট খুলেছেন তারা। অর্থাৎ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবেন বিদেশিরা।

    বিএসইসির তথ্য মতে, দেশের পুঁজিবাজারে জানুয়ারি মাসে মোট ২৩ কর্মদিবসে ১১ হাজার ৭২৬ কোটি ৮৪ লাখ ১৪ হাজার ৩২৭ টাকার লেনদেন হয়েছে। তার মধ্যে বিদেশিরা শেয়ার কেনা-বেচা করেছেন ১৭৪ কোটি ৮৪ লাখ ২৯ হাজার ৮৩৫ টাকার। অর্থাৎ মোট লেনদেনের ১ শতাংশের বেশি এসেছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লেনদেন থেকে।

    এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে বিদেশিদের শেয়ার কেনা-বেচা বাবদ লেনদেন হয়েছিল ৩৩১ কোটি ৪৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯০১ টাকা। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ১৭৪ কোটি ৮৪ লাখ ২৯ হাজার ৮৩৫ টাকা কম লেনদেন হয়েছে। যা আগের বছরের তুলনায় ৫২ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে।

    তবে এর মধ্যে একটু স্বস্তির খবর হলো— ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের তুলনায় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে লেনদেন বেড়েছে। ডিসেম্বর মাসে লেনদেন হয়েছিল ১৩৭ কোটি ৬ লাখ ৫ হাজার ১৩৮ টাকা। অর্থাৎ ডিসেম্বর তুলনায় জানুয়ারিতে লেনদেন বেড়েছে ১৪ শতাংশ।

    সূত্র মতে, ১৫৬ কোটি টাকার লেনদেনের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিদেশিরা শেয়ার বিক্রি করেছেন ১৩৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকার। তার বিপরীতে শেয়ার কিনেছেন মাত্র ২১ কোটি ২৬ লাখ টাকার।

    এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে বিদেশিরা ১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে বিক্রি করেছেন ১৭৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সেই হিসেবে আগের বছরের তুলনায় ২৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি কমেছে।

    তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের তুলনায় ৩৪ কোটি টাকা শেয়ার বিক্রি বেড়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের ৩৬ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার কেনার বিপরীতে ১০১ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছিলেন বিদেশিরা। যা শতাংশের হিসাবে শেয়ার বিক্রি বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।

    টালমাটাল পুঁজিবাজারে বিদেশিরা যেসব কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করেছেন তার মধ্যে উল্লেখ্য যোগ্য কোম্পানি হলো— প্রকৌশল খাতের কোম্পানির মধ্যে সিঙ্গার বিডি লিমিটেড। বিদেশিরা গত এক মাসে এই কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ১ শতাংশ। অ্যাপোলো ইস্পাতের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৮ শতাংশ, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম লিমিটেডর শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৬ শতাংশ এবং বিএসআরএম লিমিটেডের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৪ শতাংশ।

    ব্যাংক খাতের কোম্পানির মধ্যে উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৬ শতাংশ। ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ১ শতাংশ। পূবালী ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ২ শতাংশ। প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ১০ শতাংশ। যমুনা ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি হয়েছে দশমিক ৪ শতাংশ। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি হয়েছে দশমিক ৩৫ শতাংশ। এক্সপোর্ট ইম্পোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম ব্যাংক) শেয়ার দশমিক ১ শতাংশ, ইবিএলের শেয়ার দশমিক ৩৫ শতাংশ। সিটি ব্যাংকের শেয়ার দশমিক ৮ শতাংশ ও ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার বিক্রি হয়েছে দশমিক ১৩ শতাংশ।  

    জানুয়ারি মাসে ওষুধ কোম্পানি রেনেটার দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন বিদেশিরা। স্কয়ার ফার্মার শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ২০ শতাংশ। বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ১ শতাংশ। মেরিকো বাংলাদেশের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া যোগাযোগ খাতের কোম্পানি গ্রামীণ ফোনের শেয়ার বিক্রি করেছেন দশমিক ৯ শতাংশ।

    শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি সময়ে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও অ্যাকাউন্টধারী) বিনিয়োগকারী চার হাজার ২৬২টি। এর মধ্যে এক মাসে ১২৯টি বিও বেড়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের।

    ২০২২ সালের শেষ কর্মদিবস অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব ছিল ১৮ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৪টি। এক মাস পর অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৬টি বিও হিসাব। অর্থাৎ ৪ হাজার ২৬২টি বিও বেড়েছে।

    সেই সময়ে দেশের পুঁজিবাজারে ১২৯টি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও খোলা হয়েছে। সিডিবিএলের তথ্য মতে, ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিও হিসাব ছিল ৬৩ হাজার ১১৭টি। সেখান থেকে ১২৯টি বিও বেড়ে ৩১ জানুয়ারি দাঁড়িয়েছে ৬৩ হাজার ২৪৬টিতে।

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক ও সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বিদেশিরা আমাদের উদ্ধার করার জন্য আসে না। তারা বিনিয়োগ করে লাভ করতে আসে। ডলারে মূল্যের অস্থির থাকায় এখন শেয়ার বিক্রি করে অর্থ তুলে নিচ্ছেন।

    তিনি বলেন, টাকার মান ঠিক হলেই তারা আবারও পুঁজিবাজারে ফিরতে পারেন। তিনি যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলেন, এখন টাকার মান কমে যাওয়ায় ডলার বিক্রি করলেই ১০ টাকা লাভ পাবেন। এখন না বিক্রি করলে দেখা যাবে পরে ডলার প্রতি ২০ শতাংশ মূল্য কমছে। এই জন্যই শেয়ার বিক্রি করছে বিদেশিরা।

    ফ্লোর প্রাইস দিয়ে বিদেশিদের আটকিয়ে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করে শাকিল রিজভী বলেন, আর্নিং পার শেয়ারের ওপর পিই রেশিও দেখে দেখা যাবে যে শ্রীলঙ্কার শেয়ার সস্তা। কিন্তু দেশটির অর্থনীতির অবস্থার কারণে এখন কেউ শেয়ার কিনছে না।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের শেয়ারের পিই রেশিও ১৪। সুতরাং এখন যে শেয়ার সস্তা তা নয়, কারণ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভারত এবং সিঙ্গাপুরে পিই রেশিও দেখলে দেখা যায় অন্যান্য দেশের কাছাকাছি। সুতরাং আমাদের বাজারে শেয়ারের দাম সস্তা নয়। তাই শেয়ার কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি।

    পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল-আমিন বলেন, বিদেশিরা সবসময় ভালো মৌলভিক্তি সম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেন। তাদের শেয়ারগুলো এখন ফ্লোরে আটকে আছে। ফ্লোর না থাকলে বিক্রির প্রবণতা আরও বাড়ত।

    শেয়ার বিক্রির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যেহেতু ডলারের মূল্য বাড়ছে আর টাকার মূল্য কমছে তাই বিদেশিরা যত দ্রুত পারছে শেয়ার বিক্রি করছেন। যত দ্রুত শেয়ার বিক্রি করতে পারছেন, তত দ্রুত বেশি মুনাফা তুলতে পারছেন। বিদেশিরা এখন শেয়ার বিক্রির মানসিকতায় রয়েছেন। কিন্তু ফ্লোরে থাকায় তারা বিক্রি করতে পারছেন না। যখনই সুযোগ পাচ্ছেন তারা বিক্রি করে দিচ্ছে। কারণ কোয়ালিটি শেয়ার নেই, বাজারে সুশাসন নেই, জবাবদিহিতা নেই। এসব কারণে বিদেশিরা যেকোনো মূল্যে পার্টি অ্যারেঞ্জ করে ব্লকে শেয়ার বিক্রি করে মার্কেট থেকে চলে যাচ্ছেন।

    অকা/পূঁবা/সকাল, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 3 years আগে

    বিদেশিদের শেয়ার বিক্রি বেড়েছে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    দুই হাজার টাকার চামড়ার দাম ৫০০ টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.