Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে বড় প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের

    ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৫ ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ13
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    গত বছরের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রফতানিতে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে গত বছরের ডিসেম্বরে রফতানি করেছে ৫৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ১৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেশি। যদিও গত নভেম্বরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি বেড়েছিল ৪১ শতাংশ।

    এভাবেই এক বছরের ব্যবধানে তৈরি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সার্বিকভাবে ২০২৪ সালে অবশ্য তৈরি পোশাক রফতানিতে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়নি, তবে ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। সব মিলিয়ে গত বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে, যা এর আগের ২০২৩ সালের তুলনায় দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ওই বছর রফতানি ২৫ শতাংশ কমে ৭২৯ কোটি ডলারে নেমেছিল।

    একাধিক উদ্যোক্তা বলেন, শুল্ক আরোপের আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি ক্রয়াদেশ দেওয়া শুরু করেছে। নতুন ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও আলোচনা করছেন কিংবা বাংলাদেশে আসছেন। এমনকি চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করে, এমন প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের বায়িং হাউস ও পোশাক কারখানাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

    গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বিভিন্ন দেশ থেকে ৭ হাজার ৯২৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছিল, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো আমদানি করেছিল ৭ হাজার ৭৯৩ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক।

    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রফতানিতে বরাবরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন। দেশটি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৬৫১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে। এতে প্রবৃদ্ধি হয় দশমিক ৭৯ শতাংশ। একই বছর যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে ভিয়েতনাম। এই রফতানি ২০২৩ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ বেশি। বাজারটিতে ভিয়েতনামের পর তৃতীয় শীর্ষ রফতানিকারক দেশ বাংলাদেশ।

    ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের আওতাধীন অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (অটেক্সা) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানি গত সেপ্টেম্বরে ১৮ শতাংশ, অক্টোবরে ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ ও নভেম্বরে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের মাথায় কানাডা, মেক্সিকো ও চীন থেকে পণ্য আমদানিতে বাড়তি শুল্ক আরোপ করায় বাজারটি নিয়ে নতুন করে সম্ভাবনা দেখছেন বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের উদ্যোক্তারা। তাঁরা বলছেন, চীনা পণ্যে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো চীন থেকে ক্রয়াদেশ সরাবে। ফলে বাংলাদেশের সামনে বাড়তি ক্রয়াদেশ বা অর্ডার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এমনকি বিনিয়োগকারীরা চীন থেকে কারখানা সরিয়ে এখন অন্য দেশে নিতে আগ্রহী হতে পারেন। সেই বিনিয়োগ বাংলাদেশও নিতে পারেন।

    অটেক্সার তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানিতে ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে ভারতের। গত বছর দেশটি ৪৬৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে। এই রফতানি ২০২৩ সালের চেয়ে ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে পঞ্চম শীর্ষ পোশাক রফতানিকারক ইন্দোনেশিয়া। তারা গত বছর ৪২৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে, যা আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি।

    আবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ফেরা যাক। প্রথমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প মতায় থাকার সময় ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু হয়। পরের বছর থেকে চীন থেকে ক্রয়াদেশ সরতে থাকে। চীনের হারানো ক্রয়াদেশের একটি অংশ বাংলাদেশে আসে। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৫৯৩ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি হয়, যা সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। মধ্যে করোনার কারণে রফতানি কমলেও ২০২২ সালে এই বাজারে ৯৭২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করে বাংলাদেশ। যদিও পরের বছর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রফতানি আবার কমে।

    তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সহসভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, চীন থেকে বাড়তি ক্রয়াদেশ নেওয়ার মতো সমতা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, সমতা ব্যবহার করতে না পারার একটি অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট। এর মানে, চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে আমরা কতটা বাড়তি ক্রয়াদেশ নিতে পারব। তিনি আরও বলেন, ‘চীন থেকে কম ও মাঝারি মূল্যের পোশাকের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা বেশি। দামি পোশাকের ক্রয়াদেশ আনতে হলে চীন থেকে স্থানান্তরিত হওয়া বিনিয়োগ বাংলাদেশে আনতে হবে। তার জন্য সরকারি পর্যায় থেকে কার্যকর উদ্যোগ লাগবে। সেটি হলে একদেড় বছরের মধ্যে আমরা এখানেও উন্নতি করতে পারব।  ●

    অকা/শিবা/ফর/বিকাল/৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    বাংলাদেশে আরএকে সিরামিকস গ্রুপের সিইও আবদাল্লাহ মাসাদ

    বিদেশি প্রতিষ্ঠানের বৈদেশিক ঋণের শর্ত শিথিল

    শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবন্ধকতা দূর করবে সরকার: অর্থমন্ত্রী

    বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও লোকসানের ঝুঁকি
    যুদ্ধের অভিঘাতে শিল্পে ‘কস্ট-পুশ’ সংকট

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    সিন্ডিকেট বন্ধ হলে ভোক্তার স্বার্থ রা পাবে এবং বিনিয়োগ বাড়বে

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    লন্ডনের রয়্যাল রিজেন্সিতে একসঙ্গে গাইছেন নচিকেতা ও জয় শাহরিয়ার

    হরমুজ নিয়ে ইরান-মার্কিন চুক্তি হতে পারে আজ

    প্রাসাদ গ্রুপ ও নর্দান এডুকেশন গ্রুপের নতুন সিইও সৈয়দ আলমগীর

    জীবন বীমায় আসছে যে সব পরিবর্তন

    যেভাবে ঘুরবে দেশের এসএমই খাতের চাকা

    গ্যাস সংকটে হাঁসফাঁস রাজধানী, তার ওপর এলপিজি’র দাম বৃদ্ধি

    আমদানির খবরে বাজারে কমছে কাঁচা মরিচের দাম

    ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু

    তৈরি পোশাক রফতানি কমেছে ১.৯২ শতাংশ

    কমিউনিটি ব্যাংকের এমডি হলেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ

    ড্রাইভিং লাইসেন্স পেলেন জাইমা রহমান

    হাজার কোটি টাকার পণ্য নিয়ে মোহনায় আটকা পড়লো জাহাজ

    জ্বালানি সংকটে বিকল্প হতে পারে সৌরবিদ্যুৎ

    কাশ্মির ইস্যুতে পাকিস্তানের নৈতিক অবস্থান কি প্রশ্নবিদ্ধ?

    ৭৮ কোটি টাকার লোকসানে সোনারগাঁও টেক্সটাইল

    সার্জিও গোর: বাণিজ্যের আড়ালে রাজনীতি

    সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সালফারের দাম ১৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি

    হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইনে সমস্যা? জেনে নিন সমাধান

    প্রকাশ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ‘রামায়ণ’ ট্রেলার

    ইধিকা পালের নতুন চমক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.