​নিজস্ব প্রতিবেদক

​বাংলা সাহিত্যের জাদুকর, কালজয়ী কথাসাহিত্যিক ও নন্দিত নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের চতুর্দশ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণ দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাঁকে স্মরণ করছে দেশের অগণিত ভক্ত, পাঠক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষেরা।

​বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার প্রবর্তনকারী হুমায়ূন আহমেদ তাঁর লেখনী দিয়ে গত কয়েক দশকে পাঠকদের এক মায়াজাল তৈরি করেছেন। হিমু, মিসির আলী বা শুভ্র—তাঁর সৃষ্টি করা কালজয়ী চরিত্রগুলো আজ বাঙালির আবেগের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সাহিত্যের পাশাপাশি নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও তিনি রেখে গেছেন নিজস্বতার স্বাক্ষর।

দিনটি উপলক্ষে আজ সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের সদস্যরা তাঁর স্মৃতিবিজড়িত গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে আজ সকালে কোরআনখানি ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছেন। ভক্তদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের জন্য নুহাশ পল্লীর দ্বার উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

​এছাড়া দেশের টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলোতে দিনব্যাপী প্রচার করা হচ্ছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। জনপ্রিয় কয়েকটি চ্যানেলে প্রচার করা হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদের লেখা ও নির্মিত আলোচিত নাটক ও চলচ্চিত্রের অংশবিশেষ। এছাড়া বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠন ও পাঠক ফোরাম আলোচনা সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং তাঁর স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

​সোশ্যাল মিডিয়াতেও আজ হুমায়ূন ভক্তদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ফেসবুক, এক্স (টুইটার) ও ইন্সটাগ্রামে হাজারো ভক্ত তাঁর জনপ্রিয় বইয়ের উদ্ধৃতি শেয়ার করে এবং তাঁর নির্মিত সিনেমার গান শুনে প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছেন।

সর্বশেষ হালনাগাদ 10 hours আগে

Leave A Reply

Exit mobile version