Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিজ্ঞাপন খাত ও ভোক্তা পর্যায়ে মূসক

    নভেম্বর ২৮, ২০২১ ১:৪৭ অপরাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    প্রণব মজুমদার ●

    মূল্য সংযোজন কর। মূল্যের সঙ্গে যুক্ত যে কর তাই মূল্য সংযোজন কর। সংক্ষেপে মূসক। সরকারের রাজস্ব আহরণে কর সংগ্রহের একটি ব্যবস্থা। এর প্রচলন আমাদের দেশে শুরু হয় ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ থেকে। মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট বিংশ শতাব্দীতে উদ্ভাবিত একটি আধুনিক কর ব্যবস্থা। দেশীয় পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়, বিদেশি পণ্য আমদানি ও রফতানি, দেশ ভেতরে সেবা বা পরিসেবার উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়- সব ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর আদায় করা হয়। তা  উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আরোপ ও আদায় করা হলেও এর দায়ভার চূড়ান্তভাবে কেবল পণ্য বা সেবার ভোক্তাকে বহন করতে হয়। মূসক খাত থেকেই সরকারের বেশি রাজস্ব আয় হয়।

    ১৯২০ সালে জার্মান ব্যবসায়ী ভন সিমেন্স মূল্য সংযোজন করের ধারণা দেন। ১৯২১ সালে এডামস রেয়াত পদ্ধতির বিবরণ দেন। জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মূসকের কার্যক্রম শুরু হয় প্রথম। বর্তমান বিশ্বে ১৪৭টি দেশে মূসক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

    আমাদের দেশে ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে প্রথম সে সময়কার করারোপ তদন্ত কমিশন সরকারিভাবে বিক্রয় করের বিকল্প হিসেবে মূসক চালুর কথা ভাবে। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিক্রয় কর আদায় করা হতো বিক্রয় কর আইন ১৯৫১ অনুসারে। ১৯৮২ সালে বিক্রয় কর অধ্যাদেশ জারি করে ১ জুলাই থেকে আগের আইন বাতিল ও নতুন আইন প্রতিস্থাপন করা হয়। বাংলাদেশে মূসক চালুর প্রক্রিয়া শুরুর ক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাংক পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে।

    ১৯৯০ সালের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়। ওই আইনের চূড়ান্ত রূপ সে সময়কার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ১৯৯১ সালের ৩১ মে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন। অধ্যাদেশের আটটি ধারা (যেগুলো মূসক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হওয়া এবং মূসক কর্তৃপক্ষের নিয়োগ ও ক্ষমতা সংক্রান্ত ছিল) ২ জুন ১৯৯১ থেকে এবং বাকি ধারাগুলো ১ জুলাই ১৯৯১ থেকে কার্যকরী করা হয়। ১৯৯১ সালে ১ জুলাই জাতীয় সংসদে মূল্য সংযোজন কর বিল ১৯৯১ উত্থাপন করেন সে সময়কার অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান। তা সংসদে পাস হয় ৯ জুলাই। বিলটি পরদিন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।

    মাঠ পর্যায়ে মূল সংযোজন করের বাস্তবায়ন এবং ভোক্তা পর্যায়ে এর বাস্তবতা এবং তথ্যভিত্তিক চিত্র তুলে ধরছি। ভোক্তা হিসেবে অধিকার বিষয়ে আমি বরাবরই সচেতন। পণ্য ক্রয় করতে গিয়ে বিক্রেতা বা দোকানীর কাছে মূল্য প্রদানের বিপরীতে প্রামাণ্য কাগজ চাই। সেটা আমার ২টি সুনিদিষ্ট প্রয়োজনে ১. যদি আয়কর রিটার্ণে তা কাজে লাগে এবং ২. পণ্যে ব্যবহারে কোন আপত্তি থাকলে তা সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া। মহানগরের সিদ্ধেশ^রী আনারকলি মার্কেট এবং চামেলীবাগ ইস্টার্ন প্লাসে ক’দিন আগে পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়েছি। কিন্তু দোকানী কেউ কেনা পণ্য মূল্যের রশিদ দেননি। আনারকলির পর্দার কাপড় বিক্রেতাকে বললাম ‘ভাউচার’ দিন। বললেন, ‘ওটা আমরা দেই না।’

    - কেন সরকারকে কর দেন না?

    - মাসে মাসে সরকারের লোক এক থেকে ২ হাজার টাকা এসে নিয়ে যান!

    - মাসের বিক্রয় কত তা দেখেন না তারা? উত্তর -‘খাতা দেখান লাগে না!’

    একই ধরনের উত্তর ইস্টার্ণ প্লাসের কাপড় বিক্রেতার। তিনি জানান, আমরা খাতায় হিসাব রাখি। মাসে মাসে করের লোক আসেন, টাকা নিয়ে যান। রশিদ দাবী করলে আমাকে বড় এ দোকান মালিক দোকানের ‘ভিজিটিং কার্ড’ ধরিয়ে দেন। দু’টি বড় মার্কেট ৯৫ শতাংশ বিক্রেতা হাতে লিখেও ‘ভাউচার’ দেন না।

    চাইনিজ, বড় বড় রেস্টুরেন্ট, সুপার শপে কেনাকাটায় ভোক্তা হিসেবে আমার কাছ থেকে মোট মূল্যের ওপর ৪/৫ শতাংশ মূসক কেটে নেন। ভোক্তা যেহেতু মূসক মূল্য পরিশোধ করছেন তাই তার নামেই বিল হওয়া উচিত। কিন্তু ভোক্তার নামে কম্পিউটারইজ বিল হয় না। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তর- ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইজ (ইএফডি) পদ্ধতির ব্যবহৃত সফটওয়্যার ক্রেতার নামে করা নেই। অনেক সুপার শপে ব্র্যান্ড আইটেমের পণ্যে ইএফডি পদ্ধতিতে মূসক আদায় করা হচ্ছে অবৈধভাবে! যে জিনিসটি সাধারন দোকানে সব ধরণের কর সংযোজন করে বিক্রি হচ্ছে ধরুন ৩৫ টাকায়, সুপার শপে তা ৪/৫ শতাংশ মূসক যোগ করে ভোক্তাকে ঠকানো হচ্ছে। অর্থাৎ দ্বৈত মূসক দিচ্ছেন ভোক্তা। মাঠ পর্যায়ে ভ্যাট কর্মকর্তার বিষয়টি মনে হয় না দেখছেন। সরকারের নিয়োজিত কতার্ ব্যক্তিদের কাজ যেন লক্ষ্যমাত্রার বেশি কর আদায়, সেটা ন্যায় না অন্যায়সংগত তা তারা যাচাই করেন না। পুরস্কার ও পদোন্নতি তাদের মাথায় কাজ করে। মূসক ভোক্তা বা জনবান্ধব কিনা তা এ ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ!

    আগষ্ট মাসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি সূত্রে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, সারা দেশে আড়াই লাখের বেশি মূসক বা ভ্যাট নিবন্ধিত দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ভ্যাট মেশিন বসেছে মাত্র ৩ হাজার ৩৯৩টি দোকানে। অর্থাৎ ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ দোকানেই ভ্যাট মেশিন নেই। দোকানীরা অনেকেই এর কারণ হিসেবে বলেছেন, প্রথম দিকে মেশিনগুলো বিনে পয়সায় পাওয়া যেতো। এখন তা নিতে হলে ২০ হাজার টাকার ওপর খরচ লাগে। সম্প্রতি সম্প্রচারে যাওয়া বেসরকারি স্যাটেলাইট একট টিভি চ্যানেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ( মূসক নীতি) আবদুল মান্নান শিকদার এ বিষয়ে বলেছেন, ভ্যাট বেশ জনবান্ধব। বিনে পয়সায় কিছু পাওয়া গেলে সেবা গ্রহণকারিরর কাছে এর গুরুত্ব থাকে না। তাই কিস্তিতে হলেও ভ্যাট মেশিন দোকানীতে কিনতে হবে।

    অর্থকাগজ নামে আমি একটি পাক্ষিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। সরকারের ঘোষণাপত্র লাভ করে ১৮ বছর ধরে কাগজটি ব্যক্তিগতভাবে অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে প্রকাশ করে যাচ্ছি। দেশের মূলধারার বেশ ক’টি জাতীয় দৈনিকে কাজ করেছি। অর্থনীতি বিষয়ে দীর্ঘদিনের সে অভিজ্ঞতায় ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিচিতি রয়েছে আমার। এর সুবাদে পত্রিকা প্রকাশনায় আয় আমার প্রদর্শনী বিজ্ঞাপন এবং স্বল্প পরিসরে পত্রিকা বিক্রয়। সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রচলিত আইন ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শৃঙখলা ও নিয়মের মধ্যেই জীবনের আত্ম সন্তুষ্টি খুঁজি। কিন্তু অন্যায়কে অশ্রদ্ধা করি বলেই জোর গলায় প্রতিবাদ করি আমার লেখনি কর্মে।

    মূল্য সংযোজন করের মধ্যে বৈষম্যমূলক চিত্র লক্ষ্যণীয়। অনেকদিন ধরেই তা লক্ষ্য করছি। সংবাদপত্রের যুগের অবসান হতে চলেছে মনে হয়। অতিমারি করোনা সংক্রমণের পর পাঠক সংবাদপত্রের ছাপা সংস্করণের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন! তাই এ ক্ষেত্রে দেশে প্রকাশনা শিল্পের বড় সংকটকাল চলছে। বিজ্ঞাপন আয় নেই বলেই চলে। হাতেগোনা দৈনিক সংবাদপত্র ছাড়া বিজ্ঞাপন দেখি না। গড়ে প্রতি সংখ্যায় মাত্র ৩টি বিজ্ঞাপন পায় অর্থকাগজ। ৩০ হাজার টাকার প্রদর্শনী বিজ্ঞাপনের মধ্যে ৪ শতাংশ উৎস কর, ১৫ শতাংশ মূসক এবং ২ শতাংশ সরকারের সেবা চার্জ মোট ২১ শতাংশ প্রতি বিজ্ঞাপন বাবদ কেটে নেয়া হয়। হিসাব ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে এ আয় সংগ্রহ করতে মাসের পর পর মাস চলে যায়। কর ও মূসক চালান দিতে চান না বিজ্ঞাপনদাতা। যারা দেন তাদের কাছ থেকে চালান পেতে বেশ দেরি হয়। অনেকেই দেনও না। ফলে অর্থকাগজ এর রিটার্ণ জমা দিতে প্রতি বছরই বিলম্ব হয়।

    মূসক ও কর আদায়ে একেক বিজ্ঞাপনদাতা একেক রকম চার্জ কেটে বাকি অংকের টাকা পরিশোধ করেন। বারবার তাগাদা সত্ত্বেও যখন মূসক চালান পাই না তখন ভাবি এর পিছনে রহস্য আছে! সংবাদপত্রে প্রদর্শনী বিজ্ঞাপন আগে বিজ্ঞাপনদাতা তার তালিকাভূক্ত বিজ্ঞাপনী সংস্থার মাধ্যমে দিতেন। সে ক্ষেত্রে কর আরোপযোগ্য ছিল। সরাসরি প্রাপ্ত প্রদর্শনী বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে মূসক কর্তনের বিধান নেই। অথচ না জেনে অনেকেই কাটছে। সরকারি কোষাগারে কেউ চালানের মাধ্যমে তা জমা দিচ্ছে। কেউ দিচ্ছে না। কিন্তু ভোক্তা বা বিজ্ঞাপন প্রচার কার্যক্রমে যুক্ত সংবাদপত্র উপযুক্ত মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রদর্শনী বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় সেবা খরচ নামে মূল্যের ২ শতাংশ চার্জ কেন কেটে নেয়, তার উত্তর আজও পাইনি। এ জন্য কোন চালানপত্রও পাওয়া যায় না।

    যিনি সেবা পান তিনিই মূসক দিবেন এমনটিই বলা হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপনের প্রচারের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান অথচ তাকেই দিতে হচ্ছে মূসক বা আয়কর!

    হিসাববিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে ব্যবস্থাপনা, ব্যয়, নিরীক্ষা, কোম্পানি আইন, ব্যবসায় প্রশাসন ও করাধার নিয়ে হাল নাগাদ শিক্ষা, গবেষণা ও বিশ্লেষণ কাজে এখনও যুক্ত। সুতরাং যুক্তি এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার  ক্ষেত্রে মূসক জনবান্ধব কিনা সে প্রতিপাদ্যটি তখনই সত্য বলে আমরা গ্রহণ করবো, যখন উল্লেখিত বিষয়গুলোর ন্যায্য সমাধান ভোক্তা বা প্রকাশক পাবেন। ●

    লেখক অর্থকাগজ এর সম্পাদক, সাহিত্যিক ও অর্থনীতির বিশ্লেষক

    reporterpranab@gmail.com

    সর্বশেষ হালনাগাদ 5 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    থমকে গেছে জার্মান অর্থনীতি

    এমএসএমইর শক্তিই টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি

    ইসলামী ব্যাংকের পুনরুত্থান কি সম্ভব?

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    গভর্নর ও রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির

    সাভারে সড়ক দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে হামলা; পরে পাল্টা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযোগ

    সাংবাদিকতা পেশা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তিন যুগ পর অভিনয়ে ফিরছেন শায়লা খান

    গণসংগীতের প্রাণপুরুষ ফকির আলমগীরের প্রয়াণবার্ষিকী আজ

    শিল্পে ধস, প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ

    আবাসন খাতে দীর্ঘ মন্দার ছায়া

    পোশাক রফতানিতে বড় ধাক্কা; তবু আশার আলো

    ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিশেষ সুবিধার অনুমতি পেলো ন্যাশনাল ব্যাংক

    তেলের দাম আবার বাড়লো, ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ

    ঘোষণাপত্র ছাড়াই ২০ হাজার ডলার আনতে পারবেন ফ্রিল্যান্সাররা

    ভাসানচরে সৌরবিদ্যুতের কাজ পেল চীনা প্রতিষ্ঠান

    বোরো সংগ্রহে ১ কোটি ৬০ লাখ পাটের বস্তা কিনবে সরকার

    সারের কাঁচামাল আমদানির দরপত্রের সময়সীমা ২১ দিন

    প্লটের নামে প্রতারণা, ১৭ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিশ্বকাপ সেরা একাদশ: মেসি-এমবাপেদের সঙ্গে ভোজিনহা

    মেসিদের নিয়ে অপপ্রচার, আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে আর্জেন্টিনা

    ২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.