Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • অনুসন্ধান
      • বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অনুসন্ধান
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা খাত
          • শ্রম বাজার
          • অর্থনীতি
          • আবাসন
          • পর্যটন
          • শিল্প খাত
          • তৈরি পোশাক
    মঙ্গলবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৯ জুন, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বিনিয়োগ স্থবিরতায় নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান কমছে

    মে ৩, ২০২৫ ১২:৩৮ অপরাহ্ণ3
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বিনিয়োগ স্থবিরতায় দেশে নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান কমেছে। বিনিয়োগের অন্যতম উপাদান মূলধনী যন্ত্রপাতি। গত তিন অর্থবছর ধরে এর আমদানি কমছে। তাতে অনুমান করা যায়, এর ফলে নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান কম হচ্ছে।

    চলতি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) প্রথম আট মাসে মূলধনি যন্ত্রপাতির জন্য খোলা ঋণপত্রের (এলসি) পরিমাণ ৩০ শতাংশ কমে গেছে। একই সময়ে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধিও ৬ দশমিক ৮২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। উদ্যোক্তাদের মতে, এ ধরনের অবস্থা দেশের অর্থনীতির জন্য উদ্বেগজনক। শিল্প খাতের অগ্রগতির জন্য মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানির তথ্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক। কিন্তু গত তিন বছর ধরে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি কমে যাওয়ার ফলে শিল্প স্থাপন ও সম্প্রসারণও ধীরে এগুচ্ছে।
    ২০২১-২২ অর্থবছরে মূলধনি যন্ত্রপাতির এলসি খোলার পরিমাণ ছিল প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু চলতি অর্থবছরে তা কমে ১ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য খোলা এলসি ছিল মাত্র ১১৫ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১৬৫ কোটি ডলারের ওপরে। এর মানে, মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির পরিমাণ গত এক বছরে ৩০ শতাংশ কমে গেছে।
    কমছে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি- বিনিয়োগ কমায় দেশের বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে এসেছে। চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বেসরকারি খাতের খাণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ, যা ২০০৪ সালের পর সবচেয়ে কম। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, যেকোনো শিল্প স্থাপনের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি দরকার হয়। আর বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা এ ধরনের যন্ত্রপাতি আমদানি করেন। আমদানি কমে যাওয়ায় বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির হারও ৭ শতাংশের নিচে নেমে গেছে।
    কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে- বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের শ্রমশক্তির ৪ শতাংশ চাকরি হারিয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মজুরি বৃদ্ধি না পেয়ে স্বল্প দক্ষশ্রমিকদের মজুরি ২ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে ভালো দক্ষ কর্মীদের মজুরি ০.৫ শতাংশ কমেছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ নতুন চাকরি পাচ্ছেন না এবং বর্তমান চাকরি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
    বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, গত দুই বছরে প্রতি পাঁচটি পরিবারের মধ্যে অন্তত তিনটি পরিবার সঞ্চয় ভেঙে জীবিকা নির্বাহ করেছে। এর মধ্যে রেমিট্যান্স আসা পরিবারগুলো কিছুটা সুরক্ষিত ছিল। তবে, সবচেয়ে ভাবনার বিষয় হলো, এ পরিস্থিতিতে ৩০ লাখ মানুষ নতুন করে চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে।
    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকটের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, দেশের ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার। অর্থাৎ ব্যাংক ঋণের সুদহার প্রায় ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা।
    দ্বিতীয়ত, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা অস্থির, যার কারণে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না।
    তৃতীয়ত, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ডলার সংকট এবং মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। ব্যাংক নির্বাহীরা বলছেন, এখনো দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল নয়। অনেক ব্যবসায়ী সুদহার বৃদ্ধির কারণে বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়েছেন। তবে জ্বালানির সংকটও বড় বাধা হয়ে আছে বিনিয়োগের জন্য। অর্থনীতির এই সংকটের মধ্যেও কিছু ইতিবাচক খবরও আছে। বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে, যা ডলার সংকট কিছুটা কমেছে। সরকারের আমদানি নীতি কিছুটা উদার করা হয়েছে, এবং আশার কথা হলো রাজনৈতিক অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনীতির সঠিক সংস্কার এবং সুষম বিনিয়োগের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। ●
    অকা/প্র/সকাল/ ৩ মে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সিএমএসএমই খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার নতুন তহবিল

    ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ দিনে ৩৫০০ কোটি টাকা উত্তোলন

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ

    ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ওষুধ

    মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়ে ৯.৪২%

    ব্যাংক হিসাবে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা সরকারের

    নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু

    চাপ বাড়ছে ব্যাংকিং খাতে

    ১১ মাসেই আয় ১২ কোটি ডলার ছাড়াল
    প্রবাসীদের চাহিদায় দেশের ফল রফতানি রেকর্ড

    নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের প্রস্তাব

    ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ

    ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ

    বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান

    এক কোম্পানির ব্যবসা অন্যের ‘ছিনতাই’
    নন লাইফ বীমা ব্যবসায়ে ধস

    মে মাসে কমল রফতানি আয়

    মিউচুয়াল ফান্ডে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ

    বিদ্যুতের দামে বড় সমন্বয়, জুন থেকেই কার্যকর

    বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে চাপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত
    যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক প্রস্তাব

    ভুয়া তথ্যের দাপটে অস্থির শেয়ার বাজার

    সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণে ০.২৫% ফি আরোপ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.