Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ৫ চৈত্র, ১৪৩২ | ১৯ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    জিডিপির গোলক ধাঁধা ও সাধারণের জীবনযাত্রা

    ফেব্রুয়ারি ১, ২০২২ ২:৫৩ অপরাহ্ণUpdated:ফেব্রুয়ারি ১, ২০২২ ২:৫৩ অপরাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    গোলাম মোস্তফা ●

    জিডিপির প্রবৃদ্ধি পুঁজিবাদী অর্থনীতির একটা সর্বরোগহর বটিকা; সব রোগের মহৌষধ। পুঁজিপতিদের বগল বাজানোর একটা মোক্ষম যন্ত্র। জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে দেশে-বিদেশে কতই-না হইচই চলে; সাধারণ মানুষকে কতই-না হাইকোর্ট দেখানো হয়। জিডিপির ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দেখিয়ে গলা চড়িয়ে বলে অনেকেই থাকেন-- চমৎকারভাবে এগোচ্ছে দেশ। তোমরা আর একটু কষ্ট করো এবং ধৈর্য ধরো। কিছুদিন অপেক্ষা করলেই আমরা কাক্সিক্ষত স্বর্গে পৌঁছে যাব!!

    বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে মোটামুটি ভালো অবস্থানেই রয়েছে। দেশ-বিদেশের সবাই স্বীকার করছেনÑ বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সামাজিক খাত ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জনের পথে। মহামারির মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছিল ৫ দশমিক ২ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আর আইএমএফ বলেছে, আমাদের দেশে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে চলতি অর্থবছরে।

    বিশ্ব মন্দার অভিঘাত সত্ত্বেও গত এক দশকে গড়ে ৬ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। কিছুদিন আগে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার যোগ্যতা অর্জনের শর্তও পূরণ করেছে দেশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশ হবে বাংলাদেশ। স্বাধীনতা-উত্তর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন এতে কোনো সন্দেহ নেই।

    বাংলাদেশের এ উত্তরণ ঘটে ১৯৯১ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিদায়ের পর। তখন থেকেই দেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকে। তবে এই এগিয়ে যাওয়ার পথ কোনো সময়ই মসৃণ ছিল না। মূলত এই এগিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতার শুরু ২০০৯ সাল থেকে। তখনকার সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রবৃদ্ধির হার ৬-তে ওঠে। তার পর ৭-এর ওপরে ওঠে। অতি অল্প সময়ে আমরা এটা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। করোনা মহামারির সব ধাক্কা কাটিয়ে আবার আমরা আগের জায়গায় যেতে পারব বলেও আমাদের মনোবাঞ্ছা।

    এতসব অর্জন সত্ত্বেও দেশে ধারাবাহিকভাবে জিডিপির প্রবৃদ্ধির সুফল বা উপকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ বা অবিশ্বাস কিন্তু কম নয়। এর গুণগতমান নিয়েও রয়েছে তাদের নানা প্রশ্ন। একদিকে সরকার বলছে, অচলায়তনের বৃত্ত ভেঙে রেকর্ড গড়ছে বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি; অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হলেও আশানুরূপ কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হচ্ছে নাÑ কমছে না দেশের আশাব্যঞ্জক বেকারত্ব। স্বাভাবিক নিয়মে জিডিপি প্রবৃদ্ধির মানে হলো সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন। এতে একদিকে যেমন নতুন নতুন কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আয় বাড়ে, বাড়ে তাদের জীবনযাত্রার মান; অপরদিকে হ্রাস পায় দারিদ্র্যের হার। কিন্তু কাক্সিক্ষত হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পরও কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তেমন প্রভাব না পড়ায় সাধারণ মানুষ ধরে নিচ্ছে-- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হিসাবে কি কোনো শুভঙ্করের ফাঁকি আছে? নাকি কানে ভালো লাগার গল্প শুনিয়ে আমাদের ঘুম পাড়িয়ে রাখা হচ্ছে? বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাও এ রকমটাই মাঝে মাঝে আকার-ইঙ্গিতে আভাস দিয়ে থাকে।

    বর্তমান বিশ্বেব কোনো দেশের ভালো-মন্দ বিচার করতে প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে আসে তা হচ্ছে ওই দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি। সাধারণভাবে ভোক্তার ভোগ, সরকারি ব্যয়, বিনিয়োগ ও নিট রফতানি- এ চারটি উপকরণযোগে তৈরি হয় জিডিপি। এর অর্থ হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা বাড়লে জিডিপি বাড়ে। কারণ এতে ভোগ বাড়ে; বাড়ে অর্থ খরচের চাহিদা। এ চাহিদা কীভাবে মেটানো হয়-- আমদানি করে, না দেশীয় উৎপাদন দিয়ে, সেটা নিয়ে জিডিপির কোনো মাথাব্যথা নেই। অনেকের মতে-- ডাকাতি, লুটপাট, চৌর্যবৃত্তির মাধ্যমেও যদি সাধারণের বাড়তি চাহিদা মেটানো হয়, তাও জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদান রেখে থাকে।

    বিনিয়োগ বাড়লে জিডিপি বাড়ে। এ বিনিয়োগ করে আপনি কি পারমাণবিক বোমা বানালেন, না জীবনরক্ষাকারী ওষুধ তৈরি করলেন-- তা হিসাবের দায়িত্ব জিডিপির নয়। সরকারি ব্যয় উৎপাদনশীল খাতে, না অনুৎপাদনশীল খাতে করা হলোÑ সেটা নিয়েও জিডিপির কোনো ভাবনাচিন্তা নেই। ব্যয় বেড়েছে, তাই জিডিপি বেড়েছে। জিডিপি বাড়লেই যে দেশের মানুষের উপকারে লাগবে, এক্ষেত্রে কিন্তু তা দেখা যাচ্ছে না।

    অর্থনীতির নির্ণায়ক হিসেবে এ প্রবৃদ্ধির হার যে বিপজ্জনক হতে পারে, তারও অনেক উদাহরণ এ বিশ্বেই রয়েছে। এক্ষেত্রে আফগানিস্তানের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। তালেবানদের ক্ষমতা দখলের আগে বেশ কয়েক বছর দেশটির প্রবৃদ্ধির ছিল ১৫ শতাংশের কাছাকাছি। অর্থনীতির সাদামাটা বিচারে দেশটির অর্থনীতি তখন খুব ভালোভাবেই এগোচ্ছিল। সত্যিই কি তাই? তখনকার সরকার বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনেছে তালেবানদের শায়েস্তা করার জন্য। আর এজন্য তারা রফতানি করছে দেশের অঢেল প্রাকৃতিক সম্পদ। সে কারণে নিট রফতানির অংকটাও তখন তাদের খারাপ ছিল না। একই কথা বলা যায় পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও। পাকিস্তানে নিরাপত্তার জন্য যে ব্যয় করা হয়, তাতে অভ্যন্তরীণ বাজারে যে চাহিদা তৈরি হচ্ছে তা দিয়ে জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই বৃদ্ধি পাকিস্তানের জনগণের ভালোর জন্য কতটুকু অবদান রাখছে, তা দেখার দায়িত্ব কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির নয়।

    ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরেও বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল-- যা ছিল ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সেই প্রবৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও এই দেশের কে না জানে ১৯৭৪ সালের ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষের কথা! আইয়ুব খানের আমলেও ১৯৬৮ সালে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৪৮। এত প্রবৃদ্ধি অর্জনের পরও অপমানজনকভাবে এ স্বৈরশাসককে এ অঞ্চল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল। তাই জিডিপি নিয়ে বড়ো বড়ো ফুটানির কথা কারো না বলাই ভালো বলে অনেক বিশেষজ্ঞ অভিমত ব্যক্ত করে থাকেন।

    জিডিপি প্রবৃদ্ধির আরেকটি নেতিবাচক দিক দেখা দিয়েছে বর্তমান উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোয়। চীন তিন দশক ধরে গড়ে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ভারতও প্রায় দুই দশক ধরে প্রায় ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগোতে পারেনি দেশ দুটির দারিদ্র্যপীড়িত ও নিম্নআয়ের বিশাল জনগোষ্ঠী। এর ফলে ধনী-গরিব পাহাড়সম বৈষম্য বেড়েছে; সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক নানা সমস্যা। শ্রমিকের মজুরিও প্রায় চারগুণ বেড়েছে চীনে। তারপরও সেখানে শ্রমিকের নানা সংকট লেগেই আছে। এত প্রবৃদ্ধির পরও দেশ দুটিতে মধুর নহর বইয়ে যায়নি; প্রবাহিত হয়নি স্বর্গেরও কোনো সুবাতাস।

    জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দিয়ে আসলে কোনো দেশের অর্থনীতির উন্নতি-অবনতির হালচাল ভালোভাবে বোঝা যায় না। পরিষ্কার বোঝা যায় না কোনো দেশের সাধারণ মানুষের হালহকিকতও। তাই এ নিয়ে বিতর্ক অহেতুক ও নিরর্থক বলেই অনেকের কাছে মনে হয়। সাধারণ মানুষের অবস্থা বোঝার জন্য এবার দেখা যাক আমাদের দেশের পরিসংখ্যান কী বলে?

    পরিসংখ্যান ব্যুরোর সম্প্রতি কৃষি, শিল্প ও সেবাখাতের কর্মীদের প্রকৃত আয়ের সূচকে দেখা যায়, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকের মজুরি ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ সময়ে বেড়েছে ২৪.৭ শতাংশ। কিন্তু এ সময়ে ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়েছে ৩২.৬ শতাংশ। অর্থাৎ, ২০১০-১১-এর তুলনায় শ্রমিকের প্রকৃত আয় কমেছে ৭.৯ শতাংশ। এ থেকে প্রতীয়মান, কর্ণধারদের উচ্চ প্রবৃদ্ধি দাবি করা সত্ত্বেও দেশের সাধারণ মানুষ তাদের আয় বৃদ্ধি থেকে শুধু বঞ্চিতই হননি, বরং তাদের আয়ও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সবাই সমানভাবে পাচ্ছে না। ফলে দিন দিন আয়বৈষম্য প্রকট থেকে প্রকটতরই হচ্ছে।

    পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপ-২০১৬ বলছে, দেশের সব মানুষের যত আয়, এর মাত্র ১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ আয় করেন সবচেয়ে গরিব ১০ শতাংশ মানুষ। ছয় বছর আগেও মোট আয়ের ২ শতাংশ এ শ্রেণির মানুষের দখলে ছিল। অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশ মানুষের আয় বেড়ে হয়েছে মোট আয়ের ৩৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। ছয় বছর আগে এর পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। জিডিপি প্রবৃদ্ধির সুফল সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের ভাগ্যে না জুটলেও দেশে কোটিপতি বৃদ্ধি কিংবা অর্থ পাচার থেমে নেই। আসলে লাভের গুড় সব পিঁপড়ায় খেয়ে নিচ্ছে। তাই জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের যে কচকচানি তা কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একেবারেই কাজে লাগছে না।

    আসলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির জিগিরের আড়ালে অর্থনীতির বড় বড় দুর্বলতাগুলো চাপা দিয়ে রাখা হচ্ছে বলে সচেতন মহলের ধারণা। আমাদের অর্থনীতির দুর্বলতার মধ্যে একটি হচ্ছে আর্থিক খাতের অব্যবস্থাপনা। শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, হল-মার্ক, বিসমিল্লাহ, ডেসটিনি, যুবক, বেসিক ব্যাংক, পি কে হালদারের কোম্পানিসহ অন্যান্য কোম্পানি কত টাকা নিয়ে গেল এবং এই টাকা জিডিপির তুলনায় কত কম বা বেশি, সেটা বড় বিষয় নয়। বড় বিষয় হচ্ছে, এসবের মাধ্যমে পুরো আর্থিক খাতই প্রচ-ভাবে আজ ক্ষতিগ্রস্ত।

    বিনিয়োগ-পরিবেশ ভালো না থাকাটা আমাদের অর্থনীতির আরেকটি বড় দুর্বলতা। এক্ষেত্রে বড় ব্যাপার হচ্ছে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আস্থার অভাব। অর্ধেক জীবন কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, বাকি অর্ধেক জীবন বাংলাদেশে-- এ রকম বহু মানুষ রয়েছে আমাদের দেশে। এক্ষেত্রে ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের উদাহরণ আমরা দিতে পারি। ফিলিপাইন অনেক সম্ভাবনার দেশ হওয়ার পরও তেমন উন্নতি করতে পারেনি। কারণ, ফিলিপাইনের লোকেরা নিজেদের সম্পদ জমা রাখে যুক্তরাষ্ট্রে। আর থাইল্যান্ডের শিল্পপতিরা কখনোই তাদের সম্পদ বিদেশে নিয়ে যায় না। তাই দেশটি এগিয়েছে নিজের শক্তিতেই। সম্পদ পাচার রোধে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশকেও ভবিষ্যতে এর খেসারত দিতে হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    দেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে, অথচ সাধারণ মানুষের জীবনমান বাড়ছে না-- বাড়ছে প্রকট আয়বৈষম্য। উপার্জিত সম্পদ সামান্য কিছু মানুষের হাতে পুঞ্জীভূত হচ্ছে। দারিদ্র্যের হার কিছুটা হ্রাস পেলেও কর্মসংস্থান-সহায়ক প্রবৃদ্ধি তেমন দেখা যাচ্ছে না। দেশের পনেরো আনা মানুষের জীবনে আজ ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ অবস্থা। ক্রমবর্ধমান দুর্ভাবনা ও অনিশ্চয়তার যন্ত্রণায় তারা আজ ক্লান্ত, কাতর- একেবারে হতোদ্যম।

    দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এটা যেমন সত্য, তেমনি এটাও সত্য- আমরা এখনও কাক্সিক্ষত পর্যায়ে পৌঁছতে পারিনি। তাই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির কচকচানি পরিহার করে দেশের নীতিনির্ধারকদের কার্যকর জনকল্যাণে মনোনিবেশ করাটাই হবে আজকের দিনের মূল কাজ। তাদের কাছ থেেক দেশের সাধারণ মানুষ এখন এটাই প্রত্যাশা করে।

    #

    লেখক সাংবাদিক

    ornabmostafa1968@gmail.com

    অ/নিলে/রাত, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    তালের অর্থনীতি ও বজ্রপাত মোকাবেলা

    অর্থনৈতিক সাশ্রয়- টবে কাঁচা মরিচ উৎপাদন

    অপ্রয়োজনীয় সার ব্যবহারে আলুর উৎপাদনে ক্ষতি

    বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলার বনাম দুদেশের মুদ্রা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ এর সঙ্গে ভিএ টেক ওয়াবাগ লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    ঈদ আগেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    আমদানি বাড়লেও রমজানে ফলের দাম কেন কমছে না

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    দুদকের জালে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
    এমডি ফরমান ও রাফাত উল্লাহের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ (১ম পর্ব)

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.