Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩০ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের অর্থনীতি আগামী কয়েক বছরে এক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে, সীমিত রাজস্ব কাঠামো এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই চাপ সামাল দেওয়া সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর থেকে শুরু করে ২০৩০ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশকে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এই পরিমাণটি দেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসের তুলনায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ মোট প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে—অর্থাৎ, সেই মোট অঙ্কের বড় একটি অংশ মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই পরিশোধের চাপ তৈরি হয়েছে।

    এ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে দেশের দুর্বল রাজস্ব কাঠামোর কারণে। বর্তমানে কর-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে, যা সমমানের অনেক দেশের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ফলে সরকারের ব্যয় বাড়ানো বা অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবিলা করার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ছে।

    অন্যদিকে, বৈশ্বিক নানা সংকট—যেমন কোভিড-১৯ মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা—দেশের রপ্তানি, প্রবাসী আয় ও রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এসব কারণে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৭.২৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ঋণ পরিশোধের বার্ষিক পরিমাণও ক্রমাগত বাড়ছে—গত অর্থবছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হলেও, তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৯-৩০ অর্থবছরে প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    এই ঋণচাপের পেছনে বড় কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বৈদেশিক ঋণের ব্যবহার। যেমন—রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পদ্মা রেল সংযোগ, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ বেশ কয়েকটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প। এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় এখন মূল ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে, যা সামগ্রিক চাপ বাড়াচ্ছে।

    তবে সমস্যা শুধু ঋণের পরিমাণে নয়, বরং প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। অনেক প্রকল্প সময়মতো সম্পন্ন না হওয়ায় প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুফল আসতে দেরি হচ্ছে। আবার কিছু প্রকল্প সম্পন্ন হলেও সেগুলো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় বিনিয়োগের পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না।

    ইআরডি’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ থেকে ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে মোট প্রায় ২৫.৯৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধ করতে হবে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ আসল এবং বাকিটা সুদ। এই সময়ের মধ্যে ২০২৯-৩০ অর্থবছরকে সর্বোচ্চ চাপের বছর হিসেবে ধরা হয়েছে।

    তবে একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে। বর্তমান প্রবাসী আয়ের ধারা অব্যাহত থাকলে, সর্বোচ্চ চাপের বছরেও কয়েক মাসের রেমিট্যান্স দিয়েই ঋণ পরিশোধ সম্ভব হতে পারে। কিন্তু এর জন্য প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    দীর্ঘমেয়াদে দেখা যায়, বর্তমান ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ করতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৭ বছর সময় লাগতে পারে, যদি নতুন করে কোনো ঋণ নেওয়া না হয়। কিন্তু বাস্তবে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হলে নতুন ঋণ গ্রহণ প্রায় অনিবার্য, ফলে এই চাপ দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকবে।

    অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গঠন এবং রাজস্ব আহরণ বাড়ানো—এই চারটি খাতে দ্রুত উন্নতি করা প্রয়োজন।

    এছাড়া, প্রবাসী আয় বাড়াতে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করা জরুরি। একই সঙ্গে কর ব্যবস্থার সংস্কার, কর ফাঁকি রোধ এবং করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে।

    সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়, তবে এটি একটি সতর্কবার্তা। সঠিক পরিকল্পনা, দক্ষ বাস্তবায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে এই চাপ বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে। ●

    অকা/প্র/ই/সকাল/১৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অফশোর ঋণে কর ফেরানোর ভাবনা

    চামড়াশিল্পে সংকটের ছায়া

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সন্ধানী লাইফের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মকবুল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

    কষ্টে থাকা মানুষের গল্প

    অফশোর ঋণে কর ফেরানোর ভাবনা

    চামড়াশিল্পে সংকটের ছায়া

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.