বিশেষ প্রতিনিধি>
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদের শেষ কর্মদিবসেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার বিদায়ের দিনেই একটি চিঠি আসনে আসে। পরিচয় গোপন রাখা এনবিআর কর্মকর্তার নামে প্রকাশিত সেই উন্মুক্ত চিঠিতে চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, কর্মকর্তাদের বদলি, তদন্ত প্রক্রিয়া, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা এবং কিছু কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া এ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনকালে একাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায়-সমালোচনায় ছিলেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে উঠেছে।
সোমবার প্রকাশিত উন্মুক্ত চিঠিতে দাবি করা হয়, চেয়ারম্যানের সময়ে এনবিআরের দুই ক্যাডারের মধ্যে বিভাজন বেড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়নি। চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, কর্মকর্তা বদলি, পদায়ন, তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
এতে এস আলম গ্রুপ-সংক্রান্ত তদন্ত, কর প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্ব বণ্টন এবং কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে এনবিআরের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন, কর গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং কর্মকর্তা পদায়ন নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
চিঠির শেষাংশে দাবি করা হয়, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে কর ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এর প্রভাব ভবিষ্যতে রাজস্ব আহরণে পড়তে পারে।
তবে উন্মুক্ত চিঠিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে এই চিঠির কপি দুদক সচিব বরাবরও পাঠানো হয়েছে।
সর্বশেষ হালনাগাদ 10 hours আগে

