Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ৭ চৈত্র, ১৪৩২ | ২১ মার্চ, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    সব পণ্যে লেগেছে তেল

    জুন ১৩, ২০২২ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ0
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    প্রণব মজুমদার ●

    আমরা কেউই ভালো নই! যাঁরা সৎ পথে উপার্জনের নিদিষ্ট আয়ে দিন যাপন করি কষ্টে, তাঁরা! না ঘরে না বাইরে। জীবিকার যাতনায় আমাদের সকলেরই নাভিশ্বাস। এর অন্যতম প্রধান কারণ পণ্যমূল্যের আস্ফালন। যা জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে! দেশের পণ্য বাজারকে কেউ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। মজুতদার ব্যবসায়ীদের তোপে ও দৌরাত্মে খোদ সরকারও দিশেহারা!
    দেশের দৈনন্দিন জীবনে তেলের প্রভাব খুবই শক্তিশালী! সেটা ভোজ্য তেল হোক কিংবা হোক জ্বালানি তেল। দেশে এর মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা খায় সকল পণ্য ও সেবায়। গত চার দশকে দেখছি জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটন ও ডিজেল তেলের দাম বাড়ানো হলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সব কিছুর দাম বেড়ে যায়! বুদ্ধিজীবীরা মুখে কুলুপ এঁটেছেন। প্রতিবাদ করলে সরকারের বিরাগভাজন হতে পারেন। হবেন সুবিধাবঞ্চিত। বিরুদ্ধাচরণের জন্য নতুন নতুন আইন হয়! সে ভয়তো রয়েছেই। তবে মামলার ভয় বা চাটুকারিতার জন্য দিনযাপনে সাংসারিক কষ্টে থাকা মানুষের কথা অধিকাংশ ব্যক্তি ভাবেন না!
    অসুস্থ শরীরে প্রত্যুষে ঘুম ভাঙ্গলো খোলা দরজার শব্দে। উঠে বসেছি বিছানায়। মেয়ে রাতেই বলেছিল সকালে লুচি ও বুটের ডাল খাবে। আমরা বেশ ক’ বছর ধরে রান্নায় সরিষার তেল খাই। সয়াবিন তেল ‘বোল্ড আউট’! রাঁধুনির অভিমত- লুচি নাকি সয়াবিন তেল ছাড়া তৈরি করা যায় না। বাজারে সয়াবিন তেলের উচ্চমূল্য পর্যবেক্ষণ করে রাঁধুনির সয়াবিন তেলের চাহিদার কথা শুনে আমিতো চিন্তায় পড়ে গেলাম! বললাম না ফুলুক তোমার গরম লুচি! ঘরের সরিষার তেল দিয়েই ভাঁজো। কিন্তু সে নাছোড়বান্দা! সকালে গাড়ীচালক এলো গাড়ির চাবি নিতে। ভাবলাম দেশের প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে সয়াবিন তেলের সংকট রহস্য উদঘাটনে! প্রশাসন ও সরকারের অন্যান্য দফতরগুলো অসাধু ও অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের খপ্পর থেকে মজুতকৃত সয়াবিন তেল জব্দ করলেন। পুলিশ সদস্যরা কেউ কেউ বিভিন্ন এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে বের করে আনলেন লুকানো সয়াবিন তেলের বড় মজুদ। এরিমধ্যে প্রশাসনের নিয়োজিত বাহিনী ও কর্মকর্তারা দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে মজুদ করা বিপুল পরিমাণ আরও তেলের প্লাষ্টিকজাত বোতল জব্দ করলেন। বলা হলো রাষ্ট্রীয় খাতে পরিচালিত টিসিবির (ট্রেডি কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) মাধ্যমে ১১০ টাকা দরে জব্দকৃত সয়াবিন তেল জনগণের কাছে বিক্রি করা হবে। এ ঘোষণায় ভাবলাম বাজারে সয়াবিন তেলের মূল্য হ্রাসে এর প্রভাব পড়বে কিছুটা হলেও। বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সীর কথা অনুযায়ি জিনিসের দাম বাড়লে কম খাবেন সেই আদেশ আমিও মেনে চলছি কয়েকদিনে! গাড়িচালককে বললাম কাছের দোকান থেকে নয়, শান্তিনগর বাজার থেকে ময়দা ও সুজির সঙ্গে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল নিয়ে আসতে। নিকট বিপনীতে প্রতি পণ্যে ৫/১০ টাকা বেশি রাখে সে ভাবনায় বাজারে পাঠালাম ওকে। তিনটি খাদ্যদ্রব্যই আনলো সে। তীর কোম্পানির তৈরি পণ্যের গায়ে ছাপা মূল্যের চেয়ে একটি টাকাও কম রাখেনি দোকানী। অর্থাৎ এমআরপি (সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য) অকার্যকর! শুধু ছাপা দামটাই রেখেছে দোকানী। এক লিটার তীর সয়াবিন তেলে গায়ের এমআরপি লেভেলের ওপরে ক্ষুদ্র করে লেখা ১৯৮ টাকা। একটি টাকাও কম রাখেনি দোকানী! হতাশ হলাম। সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কি তাহলে শুধু ছাপার অক্ষরের জন্যই? এর কার্যকারিতা থাকবে না কেন? বাজারে সয়াবিন তেলের উচ্চমূল্যের দৃশ্যমান প্রবণতায় আমার চক্ষু তো চড়কগাছ! ভাবলাম ১৯৮ টাকা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য রাখার কী কারণ থাকতে পারে! তাতো ১৯৫ বা ২০০ টাকা মূল্য হতে পারতো? কেননা, মূল্যস্ফীতির স্্েরাতে ৫ টাকার নিচে ২/১ টাকার কাগজী ও খুচরা ধাতব মুদ্রা দুষ্প্রাপ্য। খুচরা পয়সা অভাবের অজুহাতে দোকানীও ২০০ টাকাই রাখেন। চালক অবশ্য পরে জানালো শান্তিনগরের ওই বিপনীতে খুচরা টাকা নেই অজুহাতে এক লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি বাবদ দু’শ’ টাকাই রেখেছে এক ক্রেতার কাছে।
    এই তেলের অস্বাভাবিক মূল্য নিয়ে দেশে কম শোরগোল হয়নি। এখন আলোচনা, প্রতিবাদ এবং এর সম্পর্কিত প্রতিবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অব্যাহত রয়েছে।
    গত ২২ ফেব্রুয়ারি দেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জনসাধারণের ‘ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা’ দেশবাসীকে শোনালেন। হাছান মাহমুদ সাহবের কাছ থেকেই কেবল আমরা শুনে থাকি না-- সরকারের অনেকেই মাঝে মধ্যে আমাদের এ ধরনের কথা মনে করিয়ে দেন। কিন্তু মাথার মধ্যে এসব ইতিবাচক মন্তব্য ঢুকালেও দেশের সাধারণ মানুষের যাপিত জীবন কিন্তু এসব কথা মোটেও সর্মথন করে না। সাধারণের বাস্তব জীবন এসবের বিপরীত চিত্রই আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
    জাতীয় আয় অথবা মাথাপিছু আয়ের যে অঙ্ক সরকার প্রকাশ করে, তা একটি ‘গড়ের’ হিসাব। এর মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির আয়ের হিসাব যেমন থাকে, তেমনি থাকে সবচেয়ে গরিব লোকের আয়ের হিসাবও। এমনকি যার কোনো আয়ই নেই, তার হিসাবও এর মধ্য ধরা হয়। কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয় বের করা হয়। এতে দেশের প্রকৃত অবস্থা প্রতিফলিত হয় না। ধনী-গরিব সব সমান হয়ে যায়। শাসকদের শুভঙ্করের ফাঁকি আসলে এখানেই।
    বাণিজ্য মন্ত্রী ঈদুল ফেতরের আগে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিং বলেছেন ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করে ভুল করেছেন। ভোক্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সয়াবিন তেল খাওয়ার দরকার কী? ‘সরিষার তেল খান।’ পরে মন্ত্রী জানালেন সয়াবিনের চেয়ে রাইসবান তেল দেহের জন্য অনেক উপকারি।
    চাল, ভোজ্য তেল ও চিনির চড়া দামে সীমিত আয়ের মানুষ যখন অস্বস্তির মধ্যে রয়েছে, তখন বাণিজ্য মন্ত্রী দাবি করলেন, মন্ত্রণালয়ের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে নিত্যপণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছে। দেশে ভোজ্য তেলের দাম বাড়তে বাড়তে ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ৫ মে ভোজ্য তেলের দাম সতুন করে বাড়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। নতুন দর অনুযায়ী সয়াবিন তেলের এক লিটারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১৯৮ টাকা, যা আগের চেয়ে ৫৯ টাকা বেশি। ৫ লিটার প্লাস্টিক বোতলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮৫ টাকা।
    গত কয়েক মাস ধরেই নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতির পর দেশে অর্থনৈতিক কর্মকা-ের গতি যখন ফিরছে, তখন এ বিষয়টি বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য উচ্চ পণ্যমূল্যের দুর্ভোগ তৈরি করেছে।
    এই সময়ে চালের পাশাপাশি সবজি আর বিশেষ করে ভোজ্য তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। বিষয়টি দেশে রাজনৈতিক ইস্যুতেও পরিণত হয়েছে। বিএনপি দাবি করছে, পণমূল্য বৃদ্ধির পেছনে দায়ী সরকারি দলের নেতারা।
    ১৫ মার্চ ১৪ দলের শরীকদের সঙ্গে বৈঠককালে দেশে পণ্যমূল্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম বেড়ে যায়, তখন খুব বেশি তো আমাদের করার কিছু থাকে না। ওটা তো ‘কমপ্রোমাইজ’ করতেই হয়। কিন্তু রোজার সময় যাতে অন্তত দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকে সে দিকে আমরা গুরুত্ব দেই।’ প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘আরেকটা কাজ আমরা করে দিচ্ছি, আমরা টার্গেট করছি এক কোটি মানুষ, তাদেরকে আমরা স্পেশাল কার্ড দিয়ে দেব, যাতে তারা ন্যায্যমূল্যে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং কয়েকটা পণ্য কিনতে পারে।’
    বোরোর বর্তমান ভরা মৌসুমে চালের দাম বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালে মানভেদে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে ভোক্তারা। তাদের জিজ্ঞাসা, বোরোর ভরা মৌসুমে কেন চালের দাম বাড়বে?
    পণ্যমূল্য বৃদ্ধির এমন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। গত ৩০ মে মন্ত্রি পরিষদের নির্ধারিত বৈঠক জুড়ে আলোচনাই ছিল চাল ও তেল। প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য, খাদ্য মন্ত্রী, কৃষি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সচিবদের বাজারে চাল ও তেলের বাজার যাতে থাকে সে জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। সাংবাদিকদের আলাপকালে মন্ত্রি পরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সে কথা জানান।
    রাজধানীর ফকিরেরপুলে ক’দিন আগে ছাপাখানার মেশিনম্যান মিজানুর রহমান প্লেটের ডিজাইন আউটপুট আনতে একটি গ্রাফিকসে গেছেন। মূল্য পরিশোধের সময় গ্রাফিকসের কর্মচারি বলেন, সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে গেছে! লিটার ২২০ টাকা! তাই প্রতি প্লেট তাকে ১২০ টাকা বেশি দিতে হবে। মূল্য পরিশোধ নিয়ে বাক বিত-া। অবশেষে প্লেট প্রতি ১০০ টাকা বেশি দিতে হয়েছে মিজানকে। ঢাকা মহানগরে সয়াবিন তেলে উচ্চমূল্যের প্রভাব পড়েছে হোটেল বা ফুটপাতের খাবারে। সিঙ্গারা, সমুচা আর পাঁচ টাকায় নেই। চা বিক্রেতারাও ১০ টাকার নিচে এক কাপ বিক্রি করতে নারাজ! সাবানের দামও ৫/১০ টাকা বেড়েছে। হাফ মোরগ বিরিয়ানি প্রতি প্যাকেট ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সব কিছুতেই যেন তেলের প্রভাব। বিক্রেতারও ওই এক জবাব ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে।
    সরকারের মন্ত্রী ও নীতি নির্ধারকরা আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাত দেন। নানা অযৌক্তিক কথাও বলে মাঠ গরম করেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম টন প্রতি ২০০ মার্কিন ডলার কমলেও দেশের বাজারে তা চড়া।
    আমাদের দেশে কোন পণ্যের দাম বাড়লে তা আর কমতে চায় না। উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়লেও আমাদের পণ্য বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। সরকার আমদানি শুল্ক কমালেও পণ্যমূল্য খুব একটা কমে না! বাজারে অসাধু ব্যবসায়ী ও বিক্রেতারা তাদের মতোই চলে। প্রচলিত আইনকে ভয় পায় না তারা!
    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। কয়েক মাস ধরেই মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের আশপাশেই আছে। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারে চাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। কোন বাজারই সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই! করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর সাধারণ মানুষ পড়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের অতিমূল্যের রোষানলে! এমন কোন পণ্য নেই যার দাম বাড়েনি। বৃদ্ধির এ হার ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। যাপন কষ্টের নাভিশ্বাস থেকে বাঁচার উপায় কী?
    হৃদরোগের চিকিৎসকদের কাছে সয়াবিন তেল বিষ হলেও আমাদের কাছে তা অমৃত সমান! ভোগের দেশে পণ্য বিক্রি নিয়ে মজুদদার ও অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের ক্রীড়ানক ভোক্তারা। চাল ডাল তেল পেঁয়াজের মত কোন পণ্য তাদের কাছে বাদ যায় না। মুনাফাখোর ব্যবসায়ীরা বেশ সংঘবদ্ধ এবং ক্ষমতাবান। আমরা ভোক্তারা এদের কাছে জিম্মি।
    দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে যাপন কষ্টের নাভিশ্বাস থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় এক কোটি নয়, সকলের জন্য সরকারিভাবে রেশনিং প্রথা বা ন্যায্য মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা। মুক্ত বাজার অর্থনীতির দোহাই দিয়ে লাভ নেই! আমরাতো বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তা না নিয়েই নিজেদর অর্থায়নে বৃহৎ পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তা হলে রেশনিং প্রথা বা ন্যায্য মূল্যে পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থার কাজটি সম্ভব নয় না কেন? এটাতো এখন সময়ের দাবি। রেশনিং প্রথা বা ন্যায্য মূল্যে সকলের জন্য পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা গেলে তখন অতি মুনাফাখোররা মানুষ হবার পথ খুঁজে পাবে বলে আমার বিশ্বাস। #

    অকা/নিলে/ বিকেল, ১৩ জুন, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    লেখক সাহিত্যিক ও অর্থকাগজ সম্পাদক
    reporterpranab@gmail.com

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    তালের অর্থনীতি ও বজ্রপাত মোকাবেলা

    অর্থনৈতিক সাশ্রয়- টবে কাঁচা মরিচ উৎপাদন

    অপ্রয়োজনীয় সার ব্যবহারে আলুর উৎপাদনে ক্ষতি

    বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলার বনাম দুদেশের মুদ্রা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ এর সঙ্গে ভিএ টেক ওয়াবাগ লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর

    ক্রেডিট কার্ড লিমিট বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ

    ঈদ আগেই রেমিট্যান্সে জোয়ার

    ব্যাংক ও বীমার নিরাময়

    আমদানি বাড়লেও রমজানে ফলের দাম কেন কমছে না

    ব্লু-চিপ শেয়ারে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন আগ্রহ

    আতঙ্কে কেনাকাটা, বাজারে তেল–চিনির চাপ

    শেয়ারবাজারে নারীর আগ্রহ কমছে

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে রপ্তানি আদেশ কমার আশঙ্কা, শিল্পে ডিজেল কোটার দাবি

    এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দাম বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো

    ঈদ কেনাকাটায় ফ্রিজ বিক্রিতে উচ্ছ্বাস – ক্রেতার পছন্দে ওয়ালটনের আধিপত্য

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও তেলের দামে বাংলাদেশের নতুন মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা

    দুদকের জালে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
    এমডি ফরমান ও রাফাত উল্লাহের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি ও দুর্নীতির অভিযোগ (১ম পর্ব)

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

    মজুত থাকলেও খাতুনগঞ্জে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেন?

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    ব্যাংক ঋণে ঢাকার আধিপত্য, দুই বিভাগেই প্রায় ৮৭ শতাংশ

    এলপি গ্যাস বাজারে অস্থিরতা, চড়া মূল্য দিচ্ছেন ভোক্তারা

    হরমুজ প্রণালী ও বাংলাদেশের ভবিষ্যত

    কাতারের এলএনজি সংকটে গ্যাস সরবরাহে অনিশ্চয়তা

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.