Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    মেয়াদ শেষেও ফেরত পাচ্ছে না বীমা প্রিমিয়ামের টাকা

    আগস্ট ২২, ২০২২ ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণUpdated:আগস্ট ২২, ২০২২ ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ1
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    অবিবেচক সিদ্ধান্তের মূল্য দিচ্ছে  রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা সংস্থা জীবন বীমা করপোরেশন (জেবিসি)। গ্রাহকের বিমা প্রিমিয়ামের টাকা দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত রেখে মেয়াদ শেষেও তা আর ফেরত পাচ্ছে না।

    মেয়াদোত্তীর্ণ হিসাবের অর্থ ফেরত চেয়ে করপোরেশনটি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে ডজন ডজন চিঠি লিখেও কোনো সাড়া পাচ্ছে না। যেমন- বেসরকারিখাতের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডে দু'টি স্থায়ী আমানত হিসাব খুলে প্রায় ৪০ কোটি টাকা আমানত রাখে জেবিসি, যার মেয়াদ যথাক্রমে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিলে পূর্ণ হয়েছে। গত ৩১ জুলাই নাগাদ সুদাসলে এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮.৪৬ কোটি টাকা।

    ২০১৮ সালে মেয়াদোত্তীর্ণের সময় থেকেই জেবিসি আমানত হিসাব দু'টি নগদায়নের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফার্স্ট ফাইন্যান্সকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করলেও– জেবিসির টাকা দেয়নি আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। এই চার বছরে পাওনা টাকা চেয়ে বিমা কোম্পানিটি  ফার্স্ট ফাইন্যান্সকে ৩৮টি তাগিদপত্র দিয়েছে। কিন্তু, তাতে কোনো সাড়া পায়নি।

    এবিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগও বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরকে চিঠি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ফার্স্ট ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যানের কাছে দুটি এবং জীবন বীমার তহবিল যাতে ছাড় করা হয় সেজন্য ব্যবস্থা নিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিবকে আরেকটি চিঠি দিয়েছে। কিন্তু, আমানতের টাকা ফেরত পাওয়ার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি।

    জেবিসির আমানতের অর্থ ফেরত দিতে সর্বশেষ গত ১২ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ফার্স্ট ফাইন্যান্সের এমডিকে আরেকটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতকিছুর পরও রুগ্ন আর্থিক অবস্থার কারণে ফার্স্ট ফাইন্যান্স কর্তৃপক্ষ আমানতের টাকা ফেরত দেয়নি বলে গত জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন জেবিসির এমডি মো. সাইফুল ইসলাম। দুর্বল আর্থিক অবস্থার কারণে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড সাধারণ গ্রাহকের আমানতের অর্থও ফেরত দিতে পারছে না।

    আমানতের টাকা ফেরত পেতে, জেবিসির একই অবস্থা হয়েছিল পদ্মা ব্যাংকে টাকা রেখে, যা তখন ফারমার্স ব্যাংক নামে ছিল। ব্যাংকটির সাতটি হিসাবে ১০৯ কোটি টাকা আমানত রেখেছিল জীবন বীমা করপোরেশন। ভিন্ন সময় নবায়ন শেষে ২০১৮ সালে সবক'টি আমানত হিসাব মেয়াদোত্তীর্ণ হয়। তখন থেকে আমানত নগদায়নের জন্য পদ্মা ব্যাংককে ২৬টি তাগাদাপত্র এবং পাঁচটি ডিও লেটার-সহ মোট ৩১টি চিঠি দিয়েছে জেবিসি। কিন্তু তা সত্ত্বেও নগদায়ন করেনি ব্যাংকটি।

    ওই সময় সুদাসলে পদ্মা ব্যাংকের কাছে পাওনা দাঁড়ায় ১২৫ কোটি টাকা। কিন্তু, এই অর্থ পরিশোধের আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় ব্যাংকটি পরিশোধের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব দেয় জেবিসিকে। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া সাত বছর মেয়াদি এই আমানতে সুদ ধার্য করা হয় ৬ শতাংশ, প্রস্তাবটি জীবন বীমা মেনে নেয়।

    গত বছর পদ্মা ব্যাংককে যখন এ সুযোগ দেওয়া হয়, জেবিসির তখনকার এমডি মো. জহুরুল হক বলেছিলেন, "মন্দের ভালো হিসেবে পদ্মা ব্যাংকের প্রস্তাব আমরা মেনে নিয়েছি। যেহেতু তারা টাকা দিতে পারছে না, সেক্ষেত্রে টাকা আদায় করতে আমাদের মামলা করতে হতো। মামলা করে টাকা আদায় করাও সময়ের ব্যাপার।"

    এদিকে, বেসরকারিখাতের মধুমতি ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় তিন কোটি টাকা আমানত রেখেছিল জেবিসি, যার মেয়াদোত্তীর্ণ হয় ২০২১ সালের ৫ মার্চ। তার দু'দিন আগেই জেবিসি আমানত হিসাবটি নগদায়নের সিদ্ধান্ত জানিয়ে চিঠি দিলে ৭ মার্চ ব্যাংকটি শুধু এক বছরের সুদ পরিশোধ করে এবং ১৪ মার্চ আমানতের মূল অর্থ নগদায়ন করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংককে লেখা চিঠিতে জীবন বীমার এমডি বলেছেন, আমানত হিসাবটি নগদায়ন করে দিতে মধুমতি ব্যাংক ৭ দিন দেরি করেছে। এই সাত দিনের জন্য ৪০,২৭৪ টাকা পাওনা দাবি করে জেবিসি ১০টি তাগিদপত্র দিলেও তা পরিশোধ করছে না ব্যাংকের মতিঝিল শাখা।

    এছাড়া, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক থেকেও আমানতের টাকা ফেরত পাচ্ছে না জেবিসি। নিয়মিত বিরতিতে ব্যাংকটিকে তাগাদাপত্র দিয়েও কোন সাড়া পাচ্ছেন না করপোরেশনের কর্মকর্তারা।

    জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, "এটা জনগণের টাকা, মুনাফার উদ্দেশ্যে বিনিয়োগ করা হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরই ফেরত দেওয়ার কথা। কিন্তু, তারা (ব্যাংকগুলি এবং নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি) টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে জেবিসিকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।" তিনি বলেন, "টাকা নগদায়ন করতে বারবার তাগাদা দেওয়া হয়েছে, তারপরও তারা কর্ণপাত করছে না। কীভাবে সেই টাকা আদায় করা যায়, তা ভাবা হচ্ছে। আলোচনাও চলছে।"

    সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ আমানতকারীদের কাছ থেকে খুব বেশি আমানত পায় না। ফলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহের দিকে এসব প্রতিষ্ঠানের ঝোঁক থাকে বেশি। অনেক সময় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মোটা অংকের আমানত পাওয়ার জন্য ওই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঘুষ হিসেবে কমিশনও দেয়া হয়। ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা- অনেক দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত রেখে নির্ধারিত সময়ে তা ফেরত পায় না।

    জেবিসির আমানত রাখার ক্ষেত্রেও এ ধরণের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি-না, তা জানা যায়নি। এ বিষয়ে করপোরেশনের এমডি সাইফুল ইসলামকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এসব আমানত রাখা হয়েছে আমার যোগদানের আগেই।

    বর্তমানে কোন কোন প্রতিষ্ঠানে জেবিসির মোট কত টাকা আমানত আছে, তা জানাতে চাননি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। তবে ২০২০ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জেবিসির আমানতের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭৬০ কোটি টাকা।
    #

    অকা/ বীখা/ দুপুর, ২১ আগস্ট, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 years আগে

    দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আমানত রেখে বিমা প্রিমিয়ামের টাকা মেয়াদ শেষেও ফেরত পাচ্ছে না

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    সন্ধানী লাইফের বার্ষিক কক্সবাজার সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    সন্ধানী লাইফের মৃত্যুদাবির চেক হস্তান্তর

    প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ এর সঙ্গে ভিএ টেক ওয়াবাগ লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর

    কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসির এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পুরস্কার অর্জন

    এক বছর বিশ্বজিৎ মন্ডলের মুখ্য বীমা নির্বাহী পদে কাজে নিষেধাজ্ঞা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০ শতাংশ কমলো
    হরমুজ প্রণালি খুলে দিল ইরান

    সন্ধানী লাইফের বার্ষিক কক্সবাজার সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

    না ফেরার দেশে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান

    জ্বালানি সংকট মোকাবিলা
    মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    উৎপাদনের লক্ষ্য ১০ হাজার মেগাওয়াট 
    সৌরবিদ্যুতে বিপ্লব ঘটবে বাংলাদেশে

    কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.