Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান বাড়ছেই

    এপ্রিল ২১, ২০২৪ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণUpdated:এপ্রিল ২১, ২০২৪ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান বেড়েই চলছে। ৩ শতাংশের নিচে থাকা সুদহারের ব্যবধান এখন ৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের ব্যবধান বা স্প্রেড ৫ দশমিক ০৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    খাত-সংশ্লিষ্টরা জানান, গত জুলাই থেকে ৯-৬ সুদহারের সীমা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর থেকে ধীরে ধীরে ব্যাংক ঋণের সুদহার বেড়েছে। বর্তমানে সাড়ে ১৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে ঋণের সুদহার। ঋণের সুদহার বৃদ্ধিতে ব্যাংকগুলো আমানতেরও সুদহার বাড়িয়েছে। ফলে ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান বেড়েছে। স্প্রেড বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর মুনাফাও বৃদ্ধি পাবে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্যাংকগুলো গড়ে ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। বিপরীতে ঋণ বিতরণ করেছে গড়ে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ সুদে। এতে ব্যাংক খাতের ঋণ ও আমানতের মধ্যকার সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) ছিল ২ দশমিক ৯৬ শতাংশে।

    চলতি বছরের একই সময়ে ব্যাংকগুলো গড়ে ৫ দশমিক ০১ শতাংশ সুদে আমানত নিয়েছে। এর বিপরীতে ঋণ বিতরণ করেছে গড়ে ১০ দশমিক ০৫ শতাংশ সুদে। এতে ব্যাংক খাতের ঋণ ও আমানতের মধ্যকার সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) ছিল ৫ দশমিক ০৪ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে স্প্রেড বেড়েছে ২ দশমিক ০৮ শতাংশ।

    আর গত বছরের জুলাইয়ের পর থেকে স্প্রেড বেড়েছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। গত জুলাইয়ে ঋণ ও আমানতের স্প্রেড ছিল ৩ দশমিক ২৯ শতাংশ।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ঋণ ও আমানতের ব্যবধান বৃদ্ধি ব্যাংক খাতের জন্য ভালো। এক সময় স্প্রেডটা ৪ শতাংশ ছিল, তা এখন অনেক কমে গেছে। স্প্রেড কমা ব্যাংক খাতের জন্য ভালো দিক নয়। ব্যাংকের টেকসইনির্ভর করে মার্জিনের ওপর। কোর ব্যবসা কিন্তু টাকা দেয়া ও টাকা নেয়া। মার্জিন কমতে থাকলে সেটা টেকসই হয় না। স্প্রেড এখন ধারাবাহিকভাবে বাড়তেছে, কারণ গত জুলাই থেকে নতুন সুদহার চালু হয়েছে। একটা ব্যাংকের টেকসই অবস্থান বুঝাতে হলে ভালো মার্জিন থাকা দরকার।

    আমানতের চেয়ে ঋণের সুদহার দ্রুত বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, সাধারণত ব্যাংকের ঋণের সুদহারই সবসময় আগে বাড়ে। এরপর আমানতের সুদহার বাড়ে। কারণ প্রতিযোগিতার বাজারে যে যত কম বিনিয়োগে বেশি মুনাফা করতে পারবে, সে-ই লাভবান।

    গত দুই বছর ধরে দেশে চড়া মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এতে গত অর্থবছর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করে আসছে।

    চলতি অর্থবছর থেকে ঋণের সুদহার ব্যাপকভাবে বাড়ানো শুরু হয়েছে। আমানতের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে গত অক্টোবর থেকে। ওই সময়ে ঋণের সুদহার যেভাবে বেড়েছে, ওই গতিতে আমানতের সুদহার বাড়েনি।

    গত জুলাই থেকে ঋণের সুদহারের ঊর্ধ্বসীমা ৯ শতাংশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণের সুদহার নির্ধারণের জন্য করিডোর আরোপ করেছে। এতে ঋণের সুদহার বাড়ানোর পদ্ধতি থাকলেও ব্যাংকের আমানতের সুদহার সমন্বয়ের কোনো পদ্ধতি নেই। ফলে ব্যাংকগুলো নিজেদের চাহিদামতো আমানতের সুদহার বাড়াচ্ছে। এতে আমানতের সুদহার বেড়েছে অনেক কম।

    সাম্প্রতিক সমন্বয়ের পরও মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে আমানতের গড় সুদহার অনেক নিচে রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.৬৬ শতাংশ। ওই সময়ে আমানতের গড় সুদহার ছিল ৫.০১ শতাংশ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির হারের প্রায় অর্ধেক ছিল আমানতের সুদহার।

    ফলে ব্যাংকে টাকা রাখলে এখন টাকার ক্ষয় বেশি হচ্ছে। এতেও গ্রাহকরা ব্যাংকে আমানত রাখতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। সে কারণে আমানত প্রবৃদ্ধির হার খুবই কম।

    যদিও ব্যাংকগুলোকে দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের নভেম্বরে সুদহারের স্প্রেড ৪ শতাংশের মধ্যে রাখার সীমাবদ্ধতা উঠিয়ে দিয়েছে। কারণ ঋণের সুদহার স্মার্ট রেটের (সিক্স মান্থস মুভিং এভারেজ রেট অভ ট্রেজারি বিল) সঙ্গে যুক্ত থাকে।

    স্প্রেড সীমা তুলে না দিলে ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতো। কারণ স্প্রেড সীমাবদ্ধতা থাকলে যেসব ব্যাংক কম সুদে আমানত নিতে পারবে, তারা চাইলেও বেশি সুদে বিনিয়োগ করতে পারবে না। সেই চিন্তা করে সুদহারের স্প্রেড ৪ শতাংশের মধ্যে রাখার সীমাবদ্ধতা তুলে দেয়া হয়েছে।

    অকা/ব্যাংখা/সকাল/২১ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

    ব্যাংক ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান বাড়ছেই

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

    ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতায় রূপালী ব্যাংক

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মার্কিন শুল্ক: কী করবে বাংলাদেশ?

    সিডিবিএলকে সমন্বিত সফটওয়্যার তৈরির নির্দেশ

    ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু

    আমেরিকা ট্যুরে কনা, গাইবেন ১৬ শহরে

    আবারও বাবা হলেন কাঞ্চন মল্লিক

    কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

    ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতায় রূপালী ব্যাংক

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    পূর্বাচলের ক্ষত শুকায়নি, এবার রূপগঞ্জে নতুন উচ্ছেদের শঙ্কা

    চিকিৎসার খরচে বিপর্যস্ত ইয়াসমিনের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সরকারি অধিগ্রহণের উদ্যোগে উদ্বেগ, বসতভিটা অক্ষত রাখার দাবি

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে আরএকে সিরামিকস গ্রুপের সিইও আবদাল্লাহ মাসাদ

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    দেদারে ক্যানসেল হচ্ছে আমিরাত প্রবাসীদের ভিসা

    ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জিডি

    মার্কিন শুল্কনীতিতে বাড়তি সুবিধা
    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে বাংলাদেশ

    রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, লাভ যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে
    এমআরপির বাইরে সিগারেটের বাজার

    স্কলারশিপ-ভিসা থেকে ক্যারিয়ার, শিক্ষামেলায় মিলছে নানা পরামর্শ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.