অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে আঁশ তুলার উৎপাদন বেড়েছে, যা ২০২০-২১ অর্থ বছরের তুলনায় চলতি অর্থ বছরে ২০ শতাংশের বেশি। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থ বছরের তুলনায় চলতি অর্থ বছরে তিন পার্বত্য জেলায় আপল্যান্ড (উঁচু ভূমি) তুলার আবাদসহ উৎপাদন বেড়েছে ২০০ শতাংশের বেশি। ৭ জুন বান্দরবান সদর উপজেলার বালাঘাটায় পাহাড়ি তুলা গবেষণা কেন্দ্রে আয়োজিত কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।
‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে তুলা চাষ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এ কর্মশালায় তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. ফখরে আলম ইবনে তাবিব সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও তুলা উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান অংশের আহ্বায়ক সি অং খুমী।
কর্মশালায় জানানো হয়, ২০২০-২১ অর্থ বছরে তিন পার্বত্য জেলায় আঁশ তুলার উৎপাদন ছিল ১৩ হাজার ২০১ বেল। চলতি অর্থ বছর তা উন্নীত হয় ১৬ হাজার ৮৭৪ বেল-এ, যা গত চার বছরে ২০ শতাংশের বেশি। ২০২০-২১ অর্থ বছরে তিন জেলার ৫৭১ হেক্টর জমিতে আপল্যান্ড (উঁচু ভূমি) তুলার আবাদ হতো। চলতি অর্থ বছরে তা বেড়ে ১ হাজার ১৪৮ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থ বছরে তুলার মোট উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৫৮৯ টন। চলতি অর্থ বছরে তা বেড়ে ৩ হাজার ২৭১ দশমিক ৪ টন উৎপাদন হয়।
এ হিসাব অনুযায়ী, গত ২০২০-২১ অর্থ বছরের তুলনায় চলতি অর্থ বছরে তিন পার্বত্য জেলায় আপল্যান্ড তুলার চাষাবাদ ও উৎপাদন বেড়েছে ২০০ শতাংশের বেশি৷ তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে নয়টি, রাঙ্গামাটিতে নয়টি ও খাগড়াছড়িতে ছয়টি ইউনিটে তুলার চাষ হয়।
সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার (বোটানি) মংসানু মার্মার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবানের উপপরিচালক এমএস শাহ নেয়াজ, উপপরিচালক (ঢাকা) জাফর আলী, উপপরিচালক (চট্টগ্রাম) মো. নাছির উদ্দিন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহাইনু মারমা, সাংবাদিক বুদ্ধজ্যোতি প্রমুখ। ●
অকা/কৃষি/ফর/সন্ধ্যা/ ৮ জুন, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বশেষ হালনাগাদ 2 years আগে

