Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩১ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ডে বড় পরিবর্তনের পথে বিএসইসি

    অক্টোবর ২০, ২০২৫ ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ ক্লোজড-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড (এমএফ) দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রকৃত সম্পদমূল্য বা নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি)-এর তুলনায় অনেক নিচে লেনদেন হচ্ছে। এই প্রবণতা ফান্ডগুলোর দুর্বল পারফরম্যান্স এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত বহন করে।

    এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংস্থাটি সম্প্রতি এক খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করেছে, যা কার্যকর হলে শেয়ার বাজারে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

    এনএভি থেকে ২৫% কমে লেনদেন হলে রূপান্তর বাধ্যতামূলক

    খসড়া অনুযায়ী, কোনো ক্লোজড-এন্ড ফান্ডের ইউনিট যদি টানা ছয় মাস ধরে তার এনএভি থেকে ২৫ শতাংশ বা তার বেশি ডিসকাউন্টে লেনদেন হয়, তাহলে সেই ফান্ডকে বাধ্যতামূলকভাবে লিকুইডেশন বা ওপেন-এন্ড ফান্ডে রূপান্তর করতে হবে।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে ২০১৮ সালে মেয়াদ বাড়ানোয় আটকে থাকা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন করে অর্থ ফেরতের সুযোগ তৈরি হবে। চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বিএসইসি জনমত আহ্বান করেছে এবং ভবিষ্যতে নতুন কোনো ক্লোজড-এন্ড ফান্ডের অনুমতি না দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে।

    রূপান্তরের প্রক্রিয়া

    খসড়ার বিধান অনুযায়ী, কোনো ফান্ডের ছয় মাসের গড় বাজারদর যদি গড় এনএভি (ন্যায্য বা ক্রয়মূল্যের মধ্যে যেটি বেশি) থেকে ২৫ শতাংশের বেশি নিচে থাকে, তবে গেজেট প্রকাশের ছয় মাস পর তা রূপান্তরের আওতায় আসবে।
    সে সময় ট্রাস্টিকে একটি বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করতে হবে এবং সেখানে ইউনিটহোল্ডারদের তিন-চতুর্থাংশ ভোটে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বিএসইসি মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বেশিরভাগ ফান্ডের বাজারদর এনএভি থেকে অনেক নিচে, যা তাদের পারফরম্যান্সের দুর্বলতা স্পষ্ট করে। অ-পারফর্মিং ফান্ডগুলো ওপেন-এন্ড কাঠামোয় রূপান্তরিত হলে বিনিয়োগকারীরা যেকোনো সময় তাদের অর্থ তুলে নিতে পারবেন, যা বাজারে তারল্য বাড়াবে।”

    কাস্টোডিয়ানের ভূমিকা ও নতুন শর্ত

    প্রস্তাবিত সংশোধনী কার্যকর হলে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো (এএমসি) সরাসরি ফান্ডের সম্পদ পরিচালনা করতে পারবে না। পরিবর্তে কাস্টোডিয়ান সংস্থা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে, যাদের ন্যূনতম দুই শ’ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে।
    পাশাপাশি কাস্টোডিয়ান ফি ০.১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.৫০ শতাংশ পর্যন্ত করার প্রস্তাবও করা হয়েছে।

    বিনিয়োগকারীর স্বার্থে কঠোর বিধান

    বিনিয়োগকারীদের অর্থের সুরক্ষায় নতুন বিধিমালায় ফান্ডগুলোকে শুধুমাত্র তালিকাভুক্ত ও সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে বিনিয়োগের কোনো শ্রেণিভিত্তিক সীমা না থাকলেও পুরো প্রক্রিয়া হবে নিয়ন্ত্রিত ও স্বচ্ছ।

    বিএসইসি’র এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “কিছু ফান্ড ম্যানেজার বিনিয়োগকারীদের অর্থকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করে ব্যবহার করেন। এই অনিয়ম বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।”

    বাজারে ইতিবাচক প্রভাবের আশা

    বর্তমানে বাজারে ৩৭টি ক্লোজড-এন্ড ফান্ড তালিকাভুক্ত রয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশই তাদের অভিহিত মূল্যের চেয়ে অনেক নিচে লেনদেন হচ্ছে।
    বিএসইসি কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, নতুন সংশোধনী কার্যকর হলে এই ফান্ডগুলো ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিত লিকুইডেশন বা রূপান্তর প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে। এতে বিনিয়োগকারীরা অন্তত তাদের বিনিয়োগের একটি অংশ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং বাজারে আস্থা ফিরবে। ●
    অকা/পুঁবা/ই/সকাল/২০ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 7 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    কষ্টে থাকা মানুষের গল্প

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সন্ধানী লাইফের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মকবুল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

    কষ্টে থাকা মানুষের গল্প

    অফশোর ঋণে কর ফেরানোর ভাবনা

    চামড়াশিল্পে সংকটের ছায়া

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.