Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ই-কমার্স – সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে ভ্যাটের বোঝা

    জুন ১৪, ২০২৫ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    ই-কমার্স, বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি খাত, যা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজ করছে না, বরং কর্মসংস্থানেরও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে, যেখানে তরুণ উদ্যোক্তার সংখ্যা ক্রমবর্ধমান, সেখানে ই-কমার্স এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার এই অনলাইন বাজার ছোট-বড় প্রায় ৫ লাখ উদ্যোক্তাকে যুক্ত করেছে, যাদের অধিকাংশই নিজস্ব দোকান ছাড়াই অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করেন। এই খাত দেশের অর্থনীতিতে একটি নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতিকে কাঠামোবদ্ধ করতে এবং শহরের অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার ওপর প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত চাপ কমাতে সক্ষম।

    তবে সম্প্রতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ই-কমার্স খাতের ওপর আরোপিত বর্ধিত ভ্যাট নিয়ে উদ্যোক্তা মহলে দেখা দিয়েছে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা। ই-কমার্স উদ্যোক্তারা আশা করেছিলেন যে, এই বাজেটে ইন্টারনেট খরচ কমবে, যা তাদের ব্যবসাকে আরও গতিশীল করবে। কারণ, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেটই এই খাতের মূল ভিত্তি। কিন্তু তাদের সেই প্রত্যাশার পরিবর্তে এসেছে এক নতুন চাপ। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রস্তাবিত বাজেটে অনলাইনে পণ্য বিক্রির কমিশনের ওপর ভ্যাট তিন গুণ বাড়িয়ে ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন। এই বর্ধিত ভ্যাট ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে যেখানে ১০০ টাকা আয়ের ওপর ৫ টাকা ভ্যাট দিতে হতো, এখন দিতে হবে ১৫ টাকা। এই বাড়তি চাপ অনেকেই পণ্যের দামে প্রতিফলিত করবেন, যার বোঝা শেষ পর্যন্ত সাধারণ ক্রেতাদের ওপর পড়বে। এটি একদিকে যেমন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবে, তেমনি অন্যদিকে অনলাইন কেনাকাটার প্রতি ভোক্তাদের আগ্রহও কমিয়ে দিতে পারে।
    বিশ্বের যেসব দেশ ই-কমার্সে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে, যেমন চীন ও ইন্দোনেশিয়া, তারা মাথাপিছু ৭০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছে। অথচ বাংলাদেশে এই বিনিয়োগ ৩ ডলারেরও কম। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে করের বোঝা চাপানো বিনিয়োগের পরিবেশকে আরও প্রতিকূল করে তুলবে। বর্ধিত ভ্যাটের কারণে বিনিয়োগ কমলে গ্রাহকদের জন্য বাড়তি সুবিধা ও মূল্যছাড় দেওয়ার সুযোগও সীমিত হয়ে পড়বে। এটি ই-কমার্স খাতের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বিক্রেতাদের কাছ থেকে যে কমিশন নেয়, তার ওপর ভ্যাট বাড়ালে তাদের সেবার খরচও বাড়বে, যা সরাসরি পণ্যের দামে প্রতিফলিত হবে।
    সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) একটি সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, দেশের অর্ধেকের বেশি পরিবার এখনো ইন্টারনেট ব্যবহার করছে না; গত বছরের শেষে মাত্র ৫২.৪ শতাংশ পরিবার ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে। ই-কমার্স খাতের বিকাশের জন্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট অপরিহার্য। যখন দেশের অর্ধেক জনগণ এখনো ইন্টারনেটের আওতায় আসেনি, তখন ই-কমার্সের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি না করে বরং খাতটিকে আরও সহায়তা দেওয়ার সময় এখনই। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই খাত এখনো তার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, এখনই বাড়তি কর আরোপ না করে বরং আরও কয়েক বছর সময় দিলে তা আরও  বিস্তৃত হতে পারত। কর্মসংস্থানের দিক থেকেও এই খাত গত কয়েক বছরে দ্বিগুণ অবদান রেখেছে এবং এর অধিকাংশ উদ্যোক্তাই প্রান্তিক পর্যায়ের। অতিরিক্ত ভ্যাট তাদের ব্যবসা পরিচালনাকে কঠিন করে তুলবে এবং সরকারের রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্য পূরণে উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে।
    সামগ্রিকভাবে, ই-কমার্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি অপার সম্ভাবনাময় খাত। এই খাতকে আরও গতিশীল করতে এবং এর পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারের উচিত বর্তমান পরিস্থিতিতে বর্ধিত ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা। বরং, সহজলভ্য ইন্টারনেট ও নীতিগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করা গেলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় অবদান রাখতে পারবে। ●
    অকা/ইক/ই/সকাল/১৪ জুন, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    মার্কিন শুল্ক: কী করবে বাংলাদেশ?

    সিডিবিএলকে সমন্বিত সফটওয়্যার তৈরির নির্দেশ

    ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু

    আমেরিকা ট্যুরে কনা, গাইবেন ১৬ শহরে

    আবারও বাবা হলেন কাঞ্চন মল্লিক

    কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

    ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতায় রূপালী ব্যাংক

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    পূর্বাচলের ক্ষত শুকায়নি, এবার রূপগঞ্জে নতুন উচ্ছেদের শঙ্কা

    চিকিৎসার খরচে বিপর্যস্ত ইয়াসমিনের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সরকারি অধিগ্রহণের উদ্যোগে উদ্বেগ, বসতভিটা অক্ষত রাখার দাবি

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে আরএকে সিরামিকস গ্রুপের সিইও আবদাল্লাহ মাসাদ

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    দেদারে ক্যানসেল হচ্ছে আমিরাত প্রবাসীদের ভিসা

    ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জিডি

    মার্কিন শুল্কনীতিতে বাড়তি সুবিধা
    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে বাংলাদেশ

    রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, লাভ যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে
    এমআরপির বাইরে সিগারেটের বাজার

    স্কলারশিপ-ভিসা থেকে ক্যারিয়ার, শিক্ষামেলায় মিলছে নানা পরামর্শ

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.