Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ২ ফাল্গুন, ১৪৩২ | ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    এক সঙ্গে ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্তে অস্থিরতা

    আগস্ট ৩১, ২০২৫ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ14
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    একসঙ্গে ৯টি ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর থেকে পুরো খাতে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারী, আমানতকারী এবং শেয়ার বাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে জড়িতদের বিচারের আওতায় না এনে প্রতিষ্ঠানগুলো হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলে সমস্যার মূল কারণ আড়াল হয়ে যাবে। এতে আমানতকারীরা ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার দর ইতোমধ্যেই নিম্নমুখী। বাজারে এসব শেয়ার কিনতে অনীহা দেখা দিয়েছে। ফেসভ্যালুর অনেক নিচে নেমে এসেছে দরের মান। এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমে ২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি ডিএসইর সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেগুলো হলো: এফএএস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

    বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঋণ খেলাপির কারণে আর্থিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটেছে। কিন্তু দোষীদের বিচারের আওতায় না এনে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হলে খাতের সার্বিক আস্থা আরও কমবে। এতে ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোও নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। তাদের মতে, বন্ধ না করে পুরোনো পরিচালকদের সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ, অপরাধীদের শাস্তি এবং খেলাপিদের আইনগত জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত ছিল।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আমানত ফেরত দিতে অক্ষমতা, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং মূলধন ঘাটতিকে সূচক হিসেবে ধরে এই ৯টি প্রতিষ্ঠানকে অবসায়নের (লিকুইডেশন) জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। গভর্নরের অনুমোদনের পর প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স বাতিল প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন ২০২৩-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী, আমানতকারীর স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা, দায় পরিশোধে ব্যর্থতা ও মূলধন সংরক্ষণে অক্ষমতার কারণে লাইসেন্স বাতিলের সুযোগ রয়েছে। ২২ মে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় ২১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই প্রক্রিয়ায় সরকারের প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, “৯টি প্রতিষ্ঠান লিকুইডেট করার বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে মত দিয়েছে। আমরা এটা করছি কেবল আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য। তাদের স্বার্থই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।” তবে অনেক আমানতকারী ইতোমধ্যেই দীর্ঘ সময় ধরে টাকা আটকে থাকায় ভোগান্তির শিকার। পিপলস লিজিংয়ের আমানতকারী মশিউর রহমান ১৮ লাখ টাকা জমা রেখেছিলেন, কিন্তু এত দিনে মাত্র ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা তুলতে পেরেছেন। এখন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে বাকি টাকার ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় আছেন।

    অমানতকারীর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরাও অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন। শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো একীভূত হলে কর্মীদের চাকরি যায়নি—এমন নিশ্চয়তা গভর্নর দিয়েছিলেন। কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এখনো এমন কোনো আশ্বাস আসেনি। এগুলো বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে যেতে পারে।

    খাতসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রভাবশালী পরিচালক, ঋণ খেলাপি ও রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী ব্যবসায়ীরা এই সংকটের জন্য দায়ী। অথচ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার উদ্যোগে ক্ষোভ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত না করে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত।

    এর আগে ব্যাংক একীভূতকরণের খবর প্রকাশের পর থেকেই কয়েকটি ব্যাংকের লেনদেনে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্তে সেই অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত আমানতকারীর স্বার্থ সুরক্ষায় কার্যকর না হয়ে বরং খাতের প্রতি আস্থা আরও দুর্বল করতে পারে। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিয়ে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করতে পারেন। ●
    অকা/আখা/ই/সকাল/৩১ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 6 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    আস্থা সংকটে পুঁজি বাজার – সংস্কার ছাড়া স্থিতিশীলতা অনিশ্চিত

    রেমিট্যান্স ও উচ্চ সুদে ৫০ মাসের সর্বোচ্চ আমানত প্রবৃদ্ধি

    ব্যাংক খাতে বাড়ছে ঝুঁকি ও প্রকট হচ্ছে লুটপাটের দীর্ঘ ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশি রফতানিতে নতুন গতি

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর
    বড় অঙ্কের ঋণ প্রদান করা হয়নি, সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে

    নির্বাচন ঘিরে এমএফএস লেনদেনে কড়াকড়ি

    মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি থামছে না – চাপে সাধারণ মানুষ

    সঞ্চয়পত্রে কর বিভ্রান্তির অবসান

    ভোটের উত্তাপ ও শেয়ার বাজারের নতুন সমীকরণ

    রোজার বাজারে সরবরাহ স্বস্তি – দামে শঙ্কা

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    রফতানিতে গতি ফিরলেও চ্যালেঞ্জ কাটেনি

    ভ্যাট বাড়লেও গতি ফিরছে না অর্থনীতিতে

    টেক্সটাইল খাতে মন্দার চাপ

    অনিশ্চয়তার মধ্যেও ওষুধ খাতে মুনাফার উত্থান

    ইইউ–ভারত চুক্তিতে বাড়ছে পোশাক প্রতিযোগিতা

    স্থবির শেয়ার বাজারে তলানিতে সরকারি রাজস্ব

    রেকর্ড দামে স্বর্ণ – অনিশ্চয়তায় ঝুঁকছে বিশ্ব বাজার

    চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
    ঋণ প্রতিশ্রুতি কম – পরিশোধ বেশি

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের পথে অগ্রগতি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.