Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    জুলাই ২১, ২০২৬ ৩:৫১ অপরাহ্ণ15
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    রুনা হোসেন> 

    বাংলাদেশ আবারও প্রমাণ করেছে, খাদ্য উৎপাদন ও মজুদের ক্ষেত্রে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে। সরকারি গুদাম ও সাইলোতে এখন প্রায় ২৩ লাখ ৫০ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে ২০ লাখ টনের বেশি চাল। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মজুদ।

    এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। কারণ কয়েক দশক আগেও খাদ্য ঘাটতি, আমদানিনির্ভরতা আর দুর্যোগের সময় খাদ্য সংকট ছিল বড় উদ্বেগের বিষয়। আজ সেই বাংলাদেশ শুধু নিজের চাহিদাই পূরণ করছে না, বরং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি খাদ্য মজুদ রাখতে পারছে। এটি কৃষকের পরিশ্রম, সরকারের সংগ্রহনীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক ফল।

    কিন্তু এই সাফল্যের মাঝেও একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। সরকারি গুদাম যখন চালে ভরা, তখন বাজারে চালের দাম এত বেশি কেন?

    এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে দেখা যায়, সরকারি গুদামে থাকা চালের বড় অংশ দুর্যোগ মোকাবিলা, ওএমএস, ভিজিডি, ভিজিএফ ও অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য সংরক্ষিত থাকে। তাই এই চাল সরাসরি বাজারে আসে না। অন্যদিকে বাজারের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করেন মিল মালিক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। ফলে সরকারি গুদামে রেকর্ড মজুদ থাকলেও সাধারণ মানুষ তার সুফল সব সময় পান না।

    বর্তমান বাস্তবতা হলো, উৎপাদন ভালো হয়েছে, সরকারও পর্যাপ্ত চাল সংগ্রহ করেছে, বিদেশ থেকেও তেমন আমদানি করতে হচ্ছে না। তারপরও চালের দাম কমছে না। বরং গত কয়েক মাসে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। এর অর্থ বাজারে কোথাও না কোথাও ভারসাম্যের ঘাটতি রয়েছে। বাজার তদারকি দুর্বল হলে বা অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিলে ভোক্তাকেই তার মূল্য দিতে হয়।

    খাদ্য নিরাপত্তা বলতে শুধু গুদাম ভরে রাখাকে বোঝায় না। প্রকৃত খাদ্য নিরাপত্তা তখনই নিশ্চিত হয়, যখন কৃষক তার উৎপাদনের ন্যায্য দাম পান এবং সাধারণ মানুষও সহনীয় দামে খাদ্য কিনতে পারেন। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

    রেকর্ড মজুদের আরেকটি বড় সুফল হলো, এখন বিদেশ থেকে খাদ্যশস্য আমদানির চাপ অনেক কমেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে। আবার বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা অন্য কোনো দুর্যোগ দেখা দিলে সরকার দ্রুত খাদ্য সহায়তা দিতে পারবে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে এটি নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির বিষয়।

    তবে শুধু গুদাম বড় করলেই হবে না। বাজার ব্যবস্থাপনাও শক্তিশালী করতে হবে। চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে নিয়মিত নজরদারি, প্রয়োজন হলে ওএমএস কার্যক্রম আরও বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে কৃষক যেন ন্যায্যমূল্য পান এবং ভোক্তা যেন অযৌক্তিক দাম না দেন—সেই ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।

    বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে সফল হয়েছে। এখন সেই সাফল্য মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পৌঁছে দেওয়ার সময়। কারণ রেকর্ড খাদ্য মজুদের আসল মূল্য তখনই, যখন বাজারে চালের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে।

    সরকারি গুদাম ভরা—এটি অবশ্যই সুখবর। কিন্তু মানুষের থালায় যদি সেই স্বস্তি না পৌঁছায়, তাহলে এই অর্জন পূর্ণতা পাবে না। খাদ্য নিরাপত্তার প্রকৃত অর্থ হলো, দেশের গুদাম যেমন পূর্ণ থাকবে, তেমনি সাধারণ মানুষের রান্নাঘরও থাকবে নিশ্চিন্ত।

     

    লেখিকা : গণমাধ্যমকর্মী।

    সর্বশেষ হালনাগাদ 10 hours আগে

    পর্যবেক্ষণ মতামত রুনা হোসেন

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    থমকে গেছে জার্মান অর্থনীতি

    এমএসএমইর শক্তিই টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি

    ইসলামী ব্যাংকের পুনরুত্থান কি সম্ভব?

    মালয়েশিয়ার দরজা কি আবার খুলছে?

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    সেমিফাইনালে নায়ক, ফাইনালে ট্র্যাজিক ভিলেন!

    দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভে আটক রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, অখিলেশ

    ট্রাম্পের শুল্ক ক্ষেপণাস্ত্র এবার কানাডায়

    মানুষ ঠান্ডা করার ‘ফ্রিজ’ আনলো জাপান

    ৭ লাখ কৃষকের ৬০৪ কোটি টাকা কৃষিঋণ মওকুফ

    পিকেএসএফের সঙ্গে এক প্রতিষ্ঠান ও ১১ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি

    টানা চতুর্থবার ইউরোমানির ‘সেরা ইএসজি ব্যাংক’ প্রাইম ব্যাংক

    নিকোটিন পাউচ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ চায় প্রজ্ঞা, আত্মা ও সেভ ফাউন্ডেশন

    ওয়াশিংটন পোস্ট-এর প্রতিবেদন
    ইরান যুদ্ধের ব্যয়ে চাপে পেন্টাগন, ফুরিয়ে আসছে তহবিল

    ‘এই ক্ষত সারতে সময় লাগবে’, আবেগঘন বার্তা মেসির

    মামলার জট কমাতে মধ্যস্থতা: এখন দরকার বাস্তব প্রয়োগ

    গুদাম ভরা, কিন্তু মানুষের স্বস্তি মিলবে কবে?

    জুলাইয়ের মালিকানা নিয়ে রাজনীতির নতুন দ্বন্দ্ব

    অবসর নয়, খেলা চালিয়ে যেতে চান মেসি!

    রেমিট্যান্সের স্বস্তি, বাণিজ্যের শঙ্কা

    প্রকাশ্যে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র ট্রেলার, ভক্তদের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু রীতিতেই বিয়ে করেন সোহেল-সীমা

    ফের একসঙ্গে শাকিব-হৃদয়, আসছে ‘নিঃস্ব’

    গ্যাস সংকট সমাধানে বাপেক্সের বড় উদ্যোগ
    তিন নতুন কূপে মিলতে পারে ৭১১ বিসিএফ গ্যাস

    বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দিল বিএসটিআই

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.