Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    বৃহস্পতিবার, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ট্রাম্পের শুল্কনীতি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে

    জুলাই ৭, ২০২৫ ১:২১ অপরাহ্ণ11
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ ডেস্ক ●
    শুল্ক, সরবরাহ চেইন, উৎপাদনকেন্দ্র, বাজার-সবকিছু যেন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে একসময় যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যিক অংশীদার মনে করত, আজ সেখানেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি দ্বিধা ও দ্বন্দ্ব।

    বিশ্বায়নের যুগে বাণিজ্যনীতি কেবল অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি ভূরাজনৈতিক কৌশল, প্রযুক্তিগত আধিপত্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রতিফলন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক শুল্কনীতি একদিকে যেমন এশীয় দেশগুলোর ওপর চাপ তৈরি করছে, অন্যদিকে তাদের বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। বিবিসি

    টান ইউ কং তার কোম্পানিকে দরজির দোকানের সঙ্গে তুলনা করেন, যেখানে গ্রাহকের পছন্দ অনুযায়ী চিপ তৈরি হয়। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘আমরাই কাপড় দিই, হাতার বোতাম থেকে শুরু করে সবকিছু দিই। গ্রাহক শুধু বলেন কী ডিজাইন তাঁর পছন্দ, আমরা তা বানিয়ে দিই।’ টানের কোম্পানির নাম গ্লোবাল ফাউন্ড্রিজ। এখন প্রতিষ্ঠানটি শুধু চিপ নয়, নিজেদের ভবিষ্যৎও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনিশ্চিত শুল্কনীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নির্ধারণ করতে চান। ৯ জুলাইয়ের আগে ওয়াশিংটনকে খুশি রাখতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও দেশ। শুল্কযুদ্ধে যে ৯০ দিনের বিরতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প, সেদিন তা শেষ হবে।

    ৪ জুলাই ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ১ আগস্ট কার্যকর হতে যাওয়া নতুন উচ্চ শুল্কের বিস্তারিতসংবলিত ১২টি চিঠি বিভিন্ন দেশকে পাঠানো হবে। এই শুল্কের হার হবে ১০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত। এখন পর্যন্ত সেমিকন্ডাক্টরে শুল্ক আরোপ করা হয়নি, কিন্তু ট্রাম্প এ নিয়ে বারবার হুমকি দিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে কোম্পানিগুলোর পক্ষে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

    ব্লুমবার্গ সম্প্রতি জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এআই চিপ রফতানির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে। তাদের সন্দেহ, এসব প্রযুক্তি চীনে পাচার হচ্ছে। টানের প্রশ্ন, প্রতিদিন নীতি বদলাতে থাকলে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা সম্ভব।

    এএমডি, ব্রডকম ও কোয়ালকমের মতো বড় কোম্পানির জন্য চিপ তৈরি করে গ্লোবাল ফাউন্ড্রিজ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে এশিয়ায়-ভারত থেকে দক্ষিণ কোরিয়া পর্যন্ত রয়েছে তাদের কারখানা। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তারা ১৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াবে। যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার একাংশ স্থানান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গেও কাজ করছে কোম্পানিটি।

    চিপ, বস্ত্রশিল্প ও গাড়ির যন্ত্রাংশ- এসব খাত যাদের সরবরাহব্যবস্থা এশিয়া অঞ্চলে ঘনীভূত, তারা এখন বাজারের অস্থিরতার মধ্যে টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে। বোস্টন কনসালটিং গ্রুপের অপর্ণা ভরদ্বাজ বিবিসিকে বলেন, এখন ব্যবসা-বাণিজ্যে বিকল্প পরিকল্পনা করে রাখতে হচ্ছে। তার মতে, এতে নতুন সুযোগ তৈরি হলেও কিছু দেশের বাজার হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে।

    এপ্রিল মাসে ট্রাম্পের ঘোষিত পাল্টা শুল্কের সময় এশিয়ার দেশগুলোই ছিল মূল নিশানায়-জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর ২৫ শতাংশ ও ভিয়েতনামের ওপর সর্বোচ্চ ৪৬ শতাংশ শুল্ক। পরে তিনি ৯০ দিনের জন্য তা ১০ শতাংশে নামিয়ে আনেন। তবে ৯ জুলাই থেকেই তা ২ এপ্রিলের ঘোষিত শুল্কহারে ফিরতে পারে।

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই শুল্কের কারণে বস্ত্র, আসবাব, রাবার ও প্লাস্টিকশিল্পের ভয়াবহ ক্ষতি হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সিঙ্গাপুরকে ১০ শতাংশ শুল্কের আওতায় আনা হয়েছে-এ নীতি বন্ধুত্বসুলভ নয় বলে মনে করেন তিনি।

    ২০২৪ সালে বিশ্ব অর্থনীতির মোট জিডিপির ৭ দশমিক ২ শতাংশের জোগান দিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। নতুন শুল্ক এসব দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে।

    এ অঞ্চলে এখন পর্যন্ত কেবল ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে পেরেছে- তাদের পণ্যে ২০ শতাংশ শুল্ক ধার্য হলেও যুক্তরাষ্ট্রের রফতানি থাকবে শুল্কমুক্ত। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এখনো আলোচনার টেবিলে থাকলেও ট্রাম্প জাপানের পণ্যে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। মাজদার মতো গাড়ি কোম্পানি বলছে, সরবরাহকারী বদলানো বা উৎপাদন স্থানান্তর করা সময়সাপেক্ষ, যে কারণে তারা এখন কেবল টিকে থাকার পর্যায়ে চলে গেছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্র অস্ট্রেলিয়া বলছে, তাদের ওপর শুল্ক ‘শূন্য’ হওয়া উচিত। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি পণ্য কিনতে চাইছে এবং তারা শুল্কছাড় দিতে প্রস্তুত। কিন্তু কম্বোডিয়ার মতো দরিদ্র দেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমভাবে লেনদেন করা সম্ভব নয়, তাদের জন্য ৪৯ শতাংশ শুল্ক ভয়ংকর আঘাত।

    অর্থনীতি ও রাজনীতির অধ্যাপক পুষণ দত্ত বলেন, এশিয়ার অর্থনীতি চীন ও যুক্তরাষ্ট্র-উভয়ের ওপর নির্ভরশীল...তারা বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার কেন্দ্রস্থলে। তার মতে, যেসব দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেশি, যেমন ভারত, তারা কিছুটা সুরক্ষিত; কিন্তু রপ্তানিনির্ভর দেশ, যেমন সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, এমনকি চীন বড় ধাক্কা খাবে।

    ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলো চিপ নির্মাণ ও ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করেছে। এ উদ্যোগ উৎপাদন ও সরবরাহ চেইন এমন বন্ধুপ্রতিম বা মিত্রদেশগুলোয় সরিয়ে নেওয়া, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক আছে এমন দেশে উৎপাদন স্থানান্তর করা। একই সঙ্গে ‘চায়না + ১’ কৌশলের মাধ্যমে অনেক প্রতিষ্ঠান চীন ও তাইওয়ান ছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কার্যক্রম বিস্তার করছে।

    এই কৌশলের মূল লক্ষ্য ছিল মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখা। অপর্ণা ভরদ্বাজ বলেন, ‘যা-ই ঘটুক, যুক্তরাষ্ট্র এখনো অনেক এশিয়ান ব্যবসার জন্য বড় বাজার। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি এবং সবচেয়ে গতিশীল ভোক্তা বাজার।’ তবে শুল্ক শুধু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকেই আঘাত করছে না, এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসা বহু মার্কিন প্রতিষ্ঠানও ক্ষতির মুখে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন বিনিয়োগকারীরা কম শুল্কের দেশের দিকে ঝুঁকতে পারেন, যেমন ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার মতো বাজারেও নতুন গ্রাহক খুঁজছে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

    গ্লোবালফাউন্ড্রিজের টান বলেন, ‘আমরা এখন আর বিশ্বায়ন করছি না, বরং আঞ্চলিকীকরণ করছি।’ যেখানে নিরাপদ, যেখানে সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিত থাকবে, সেখানে বসতি গড়তে হবে। তবে আগের মতো সস্তা আর থাকবে না-এটা বুঝতে হবে।’

    যেমনটা বাণিজ্য সম্পর্ক বদলে যাচ্ছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। পুষণ দত্ত বলেন, চীন এই সুযোগই নিয়েছে- নিজেকে নতুন বিশ্ব বাণিজ্য-ব্যবস্থার অভিভাবক হিসেবে উপস্থাপন করার। যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি চুক্তি করেছে-যুক্তরাজ্য, চীন ও ভিয়েতনামের সঙ্গে। এর বাইরে বাকি এশীয় দেশগুলোর পক্ষে নিজেদের পথ খুঁজে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।

    অপর্ণা ভরদ্বাজ বলেন, ‘যখন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশ সুরক্ষাবাদী নীতি গ্রহণ করছে, তখন এশিয়ার ব্যবসাবান্ধব সরকারগুলো উল্টো পথ নিচ্ছে- বাণিজ্য উন্মুক্ত করছে।’ ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে দুটি বৃহৎ প্রবণতা জোরদার হয়েছে-চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে বাণিজ্য কমে যাওয়া এবং চীন ও এশিয়ার উদীয়মান দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য বেড়ে যাওয়া। ●

    অকা/বিবা/ফর/দুপুর/৭ জুলাই, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 9 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    এবার বিশ্ব বাজারে রুপার দামেও নতুন রেকর্ড

    দরপতনের পর বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি
    ভারত থেকে আমদানি বাড়াবে রাশিয়া

    যেভাবে হলো উত্থান
    ভারতের সর্বকনিষ্ঠ শতকোটিপতি

    ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা কমাতে হবে-যুক্তরাষ্ট্র

    দুই দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    কর কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার

    আবারও ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

    দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স এলো ১৬০ কোটি ডলার

    বিপুল লোকসানে এয়ার ইন্ডিয়া: হিমশিম খাচ্ছে টাটা গ্রুপ

    আবাসন খাতে মন্দা: খেলাপি ঋণের চাপে দিশেহারা ডেভেলপাররা

    বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি: বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার ঊর্ধ্বমুখী

    ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামে প্লাজা ও কর্মকর্তা পুরস্কৃত

    ঋণ পরিশোধ করতে আর্থিক চাপের মুখে বাংলাদেশ

    ডলারের দামে লাগাম টানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ

    মেধাও হোক ঋণের জামানত

    ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি আলতাফ হুসাইন

    ব্যাংক ঋণ বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদে ঊর্ধ্বমুখী চাপ

    বৈদেশিক ঋণের চাপ: সামনে কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

    জ্বালানি মূল্য বাড়লেও কর স্থির রাখার কৌশল সরকারের

    ব্যাংক মালিকানা পুনরুদ্ধার: সংস্কার নাকি সংকটের নতুন দ্বার?

    সন্ধানী লাইফ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যাংক্যাসুরেন্স কার্যক্রম উদ্বোধন

    ইরানে ক্ষতি ১৮ লাখ কোটি টাকা

    ধীর পুনরুদ্ধারের পথে অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি ৪% পূর্বাভাস

    খামারির ক্ষতি, বাজারে দামের আগুন

    মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে দারিদ্র্যের নতুন ঝুঁকি

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.