Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    মঙ্গলবার, ৬ মাঘ, ১৪৩২ | ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ফল খাওয়া এখন সাধারণ ভোক্তার জন্য বিলাসিতা

    ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ ৫:২৫ পূর্বাহ্ণ4
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●
    বছরের পর বছর ধরে আমদানি করা তাজা ফলের ওপর শুল্ক বাডার কারণে ফল খাওয়া এখন সাধারণ ভোক্তার জন্য বিলাসিতা হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে ফলের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে আমদানি ক্রমাগত কমছে। ২০২১-২২ সালে ফল আমদানিতে শুল্ক ছিল ৮৯.৩২ শতাংশ। তবে গত তিন বছরে তা বেড়ে এখন ১৩৬.২০ শতাংশ হয়েছে।
    অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কোনো আমদানিকারক ১০০ টাকায় এক কেজি আপেল কিনলে আমদানি শেষে ওই ফলের জন্য সরকারকে দিতে হচ্ছে ১৩৬.২০ টাকা।  পরিবহন ও ব্যাংকঋণের সুদসহ অন্যান্য খরচ যোগ করে সেই ১০০ টাকার আপেল আমদানি শেষে পাইকারি বাজারে পৌঁছাতেই খরচ পড়ছে অন্তত ২৫০ টাকা। এভাবে বছর বছর শুল্ক-কর বৃদ্ধিতে আমদানি খরচ বেড়ে প্রভাব পড়েছে ফল আমদানিতে। চাহিদা ও বিক্রি কমে লোকসানে পড়েছে আমদানিকারকরা। একইসঙ্গে সাধারণ ভোক্তাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে ফল। ফলের আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারি দেশের সব বন্দর থেকে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, নাশপাতিসহ বিভিন্ন ফল খালাস বন্ধ রাখে বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। 
    অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, তখন শুধু চট্টগ্রাম বন্দরে ফলবাহী কনটেইনার স্তূপ হয়েছিল ১০০ কনটেইনার। বেনাপোলসহ বিভিন্ন বিভিন্ন স্থলবন্দরে আটকে ছিল ৭৫ ট্রাক ফল। পরবর্তীতে লোকসানের ঝুঁকি থাকায় আমদানিকারকরা তা ডেলিভারি নিলেও আসন্ন রমজানে আমদানিকৃত ফল নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলের ওপর অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) স্মারকলিপি দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন। ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি দাবি পূরণ না হলে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফল খালাস বন্ধ রাখা হবে বলে জানান সিরাজুল। 
    এনবিআরের তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে আপেল, কমলা, আঙুর, নাশপাতি ও আনারসের মতো আমদানি করা ফলের ওপর মোট শুল্ক-কর ছিল ৮৯.৩২ শতাংশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে শুল্ক-কর বাড়িয়ে ১১৩.৮০ শতাংশ এবং চলতি অর্থবছরে দুই দফায় বাড়িয়ে গত ৯ জানুয়ারি তা ১৩৬.২০ শতাংশ করা হয়। 
    সর্বশেষ শুল্ক বৃদ্ধির মধ্যে রয়েছে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি, ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর, ৫ শতাংশ অগ্রিম কর এবং ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রকমূলক শুল্ক। তবে এসব কর পৃথকভাবে যোগ করে এই মোট শুল্ক-কর আসে না। বরং কিছু শুল্ক—যেমন কাস্টমস ডিউটি, নিয়ন্ত্রকমুলক শুল্ক ও অগ্রিম আয়কর প্রথমে আমদানি করা ফলের মূল্যায়নকৃত মূল্যের ওপর বসানো হয়।এরপর এই নতুন মোট শুল-করের ওপর সম্পূরক শুল্ক হিসাব করা হয়। তারপরে চূড়ান্ত পরিমাণের ওপর আরোপ করা হয় ভ্যাট ও অগ্রিম কর। এই চক্রবৃদ্ধি প্রভাব সামগ্রিক শুল্কের বোঝা অনেক বাড়িয়ে দেয়।
    বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নূরউদ্দীন আহমেদ বলেন, 'বিলাসী পণ্য হিসেবে আমদানি করা ফলের ওপর গত এক বছরে তিন দফায় ৬০ থেকে ৭০ টাকা সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে এনবিআর। বছর বছর শুল্ক বৃদ্ধির কারণে ফল এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। আপেল-আঙুর-কমলা হচ্ছে শিশুখাদ্য ও রোগীর পথ্য। এটা কীভাবে বিলাসী পণ্য হয়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়।'
    আমদানি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে গত পাঁচ বছরে ফল আমদানি কমেছে ৭৭ হাজার ৪৭১ টন (১৮.৫৬ শতাংশ)।
    চট্টগ্রাম বন্দর প্লান্ট কোয়ারেন্টিন স্টেশনের তথ্যানুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) আপেল, মাল্টা, কমলা, আঙুর, আনার, আম, ড্রাগন ফ্রুটসহ বিভিন্ন ধরনের ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২৬ টন ফল আমদানি করা হয়েছে এ বন্দর দিয়ে।
    ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট তাজা ফল আমদানি করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৯৪ টন। এর আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪১০ টন, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ লাখ ৮০ হাজার ২১৩ টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩২২ টন এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৩৬৫ টন তাজা ফলের আমদানি করা হয়েছিল।
    বিশ্বের ২২টি দেশ থেকে ৩৮ ধরনের ফল আমদানি করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৯৫ শতাংশই আপেল, মাল্টা, কমলা, আঙুর ও আনার। অন্য ৫ শতাংশ ফলের মধ্যে রয়েছে নাশপাতি, কিনুই, কৎবেল, অ্যাভোকাডো, রাম্বুটান, কিউই। 
    ব্যবসায়ীরা বলেন, অতিরিক্ত শুল্কহারের কারণে আমদানিকৃত ফলের চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক আমদানিকারককে বড় অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে। বারবার লোকসানে পড়ে গত তিন বছরে চট্টগ্রামের ফলমন্ডি থেকে অন্তত ৫০ জন আমদানিকারক দেউলিয়া হয়ে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। ফলের বৃহৎ পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের স্টেশন রোডের ফলমন্ড এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাবে গত এক সপ্তাহে মানভেদে বিভিন্ন ধরনের ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। 
    বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি সাউথ আফ্রিকান রয়েল গালা আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায়। এই আপেল এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিতে প্রায় ১০০ টাকা বেড়েছে আপেলটির দাম। একইভাবে কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে আমদানিকৃত সবুজ আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকা দামে; যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৮০ টাকায়। 
    আগে প্রতি কেজি কমলা ১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও ৭০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। নাশপাতি ২৮০ টাকা থেকে কেজিতে ৫০ টাকা দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকায়। ২৬০ টাকা থেকে ৬০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি আঙুর (গ্রিন) বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়। ডালিম কেজিতে ৭৫ টাকা পর্য়ন্ত বেড়ে ৩৫০ থেকে ৪২৫ টাকা হয়েছে। 
    চট্টগ্রামের ফল আমদানিকারক ও জেএম ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী জিন্নাত আলী বলেন, হঠাৎ শুল্ক-কর বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ীরা আমদানিকৃত ফল খালাস নিচ্ছেন না। 
    'কারণ বাজারে এখন যে দামে ফল বিক্রি হচ্ছে, খালাস শেষে তা বিক্রি করলে নিশ্চিত লোকসান গুনতে হবে। তাই দাম বৃদ্ধির জন্য অপেক্ষা করছেন। শুল্ক-কর বৃদ্ধির এই সময় আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে ফল আমদানি করলে তা আমদানিকৃত দামে বিক্রি হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে,' বলেন তিনি।  চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক জুনায়েদুল হক বলেন, করোনা ও ডলার সংকট এসব অজুহাতে সরকার ফলের ওপর কয়েক দফা শুল্ক-কর বাড়িয়েছে। 
    'ফলে আমদানিও কমেছে। আগে যে ব্যবসায়ী মাসে ১২ কনটেইনার ফল আমদানি করতেন, এখন তিনি সর্বোচ্চ দুই-তিন কনটেইনার ফল আমদানি করছেন। ফলে বাজারে আমদানি করা ফলের সংকট দেখা দিয়েছে। রমজানে এ সংকট আরও বাড়বে,' টিবিএসকে বলেন তিনি। ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 11 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অ্যাকসেসরিজ শিল্পে রফতানির নতুন দিগন্ত

    বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ইএসজি – সময়ের দাবি থেকে নীতিগত বাস্তবতা

    সংকট ছাড়াই ভোক্তা চাপে
    চালের বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি

    নির্বাচনি ব্যয়ের প্রভাবে চাঙ্গা প্রান্তিক অর্থনীতি; মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা গবেষকদের

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় স্বস্তি: প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে নতুন রেকর্ড

    এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধীরগতি: গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যয় দেখল দেশ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অ্যাকসেসরিজ শিল্পে রফতানির নতুন দিগন্ত

    বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে ইএসজি – সময়ের দাবি থেকে নীতিগত বাস্তবতা

    এলপিজি সংকট দীর্ঘায়িত – সরবরাহ ঘাটতিতে বাজারে দামে আগুন

    সংকট ছাড়াই ভোক্তা চাপে
    চালের বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি

    ১০০ কোটি টাকার প্রিমিয়াম অর্জনে বেঙ্গল ইসলামি লাইফের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান

    নির্বাচনি ব্যয়ের প্রভাবে চাঙ্গা প্রান্তিক অর্থনীতি; মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কা গবেষকদের

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় স্বস্তি: প্রবাসীদের পাঠানো আয়ে নতুন রেকর্ড

    এডিপি বাস্তবায়নে রেকর্ড ধীরগতি: গত আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যয় দেখল দেশ

    পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ: দুই বছরের আমানতের মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের

    গত বছরের মন্দা কাটিয়ে ৪.৫০% প্রবৃদ্ধি; অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ছন্দে ফিরছে অর্থনীতি

    জ্বালানি তেলের মূল্যে রেকর্ড: চীন ও ইরানের ওপর মার্কিন চাপের নেতিবাচক প্রভাব বিশ্ববাজারে।

    জ্বালানি ও সার আমদানির চাপে বাণিজ্য ঘাটতি; নজরে এবার রফতানি প্রবৃদ্ধি

    ১০ হাজার কোটি টাকার সুকুক বন্ড ছাড়ছে সরকার: বিনিয়োগে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

    পুঁজি বাজারে ‘শেয়ার নেটিং’ চালুর প্রস্তাব; বিনিয়োগকারী সুরক্ষায় বিএসইসির কঠোর সতর্কতা ও শর্তারোপ

    রেমিট্যান্সের জোরে ২০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যাংক আমানত প্রবৃদ্ধি

    বিশ্ব মন্দার মাঝেও বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে জোয়ার

    এলপি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ভ্যাট হ্রাসের উদ্যোগ

    আইপিও খরায় স্থবির শেয়ার বাজার: নিষ্ক্রিয় মার্চেন্ট ব্যাংক ও আস্থাহীনতার গভীর সংকট

    বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাহারে ২০২৫ সালে পুঁজি বাজারে গভীর স্থবিরতা

    তীব্র শীতে গ্যাস ও এলপিজি সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.