Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    শনিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩০ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    রাজস্ব চাপে ভবিষ্যৎ সরকার

    ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ5
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ক্ষমতাচ্যুত আগের সরকারের রেখে যাওয়া দীর্ঘদিনের রাজস্ব চাপ মোকাবিলায় অন্তর্বর্তী সরকার শুরুতেই অপব্যয় কমানো এবং তথাকথিত জনতুষ্টিবাদনির্ভর উন্নয়ন প্রকল্প বাতিলকে তার অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এই কৌশলের অংশ হিসেবে উন্নয়ন ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করা হয়, যার মাধ্যমে স্বল্প মেয়াদে সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হয়েছে।

    তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ—নিয়মিত বা পরিচালন ব্যয়—নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। উন্নয়ন খাতে কঠোরতা দেখানো হলেও বেতন, ভাতা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি ঘিরে পরিচালন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে, যা সামগ্রিক রাজস্ব ভারসাম্যকে আরও দুর্বল করেছে।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সরকারের মেয়াদের শেষ প্রান্তে নেওয়া একাধিক ব্যয়বহুল সিদ্ধান্ত আগামী নির্বাচিত সরকারের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করবে। প্রস্তাবিত সরকারি বেতন বৃদ্ধি, ভাতা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্তগুলো ভবিষ্যৎ সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে কঠিন করে তুলবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে।

    তাঁদের মতে, এমন এক সময়ে পরিচালন ব্যয় বাড়তে দেওয়া হয়েছে, যখন রাজস্ব আহরণ নিজেই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে দেশের দীর্ঘদিনের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্যহীনতা আরও গভীর হয়েছে। নতুন সরকারকে একদিকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে সংবেদনশীল নানা অঙ্গীকার বাস্তবায়নের চাপ নিতে হবে, অন্যদিকে সেই অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়নের মতো পর্যাপ্ত রাজস্ব সক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না।

    অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, পরবর্তী সরকারকে যেসব ব্যয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চাপ মোকাবিলা করতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে—সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা, ভাতা সম্প্রসারণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, মৎস্য খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল ছাড়, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ও অবসায়নের আওতায় থাকা কয়েকটি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধ।

    এই অঙ্গীকারগুলো যদি রাজনৈতিক বাস্তবতায় ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হয়, তাহলে দেশের ইতোমধ্যেই দুর্বল রাজস্ব কাঠামো আরও চাপে পড়বে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর।

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, নতুন ঘোষিত ব্যয় উদ্যোগগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে আগামী সরকারকে “ব্যাপক চাপের” মুখে পড়তে হবে। তাঁর ভাষায়, রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার নিচে থাকা সত্ত্বেও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়া একটি বড় ধরনের কাঠামোগত ঝুঁকি তৈরি করেছে।

    তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত ব্যয় মেটানোর সুযোগ অত্যন্ত সীমিত। বেতন পরিশোধের জন্য কোনো উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ঋণ দেয় না, আবার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণও ইতোমধ্যেই উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

    সবচেয়ে বড় চাপের জায়গা হিসেবে উঠে এসেছে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ। আনুমানিক হিসাবে, শুধু মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও অধিদপ্তরের কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। সশস্ত্র বাহিনী, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করলে এই ব্যয় আরও বেড়ে যাবে।

    যদিও ২৭ জানুয়ারি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকার বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে না এবং বিষয়টি পরবর্তী সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে, অর্থনীতিবিদদের মতে এতে চাপ কমে না—বরং অনিশ্চয়তা বাড়ে।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, এই ধরনের ব্যয় ঋণ নিয়ে বা টাকা ছাপিয়ে মেটানো বাস্তবসম্মত নয়, কারণ তা মূল্যস্ফীতি বাড়াবে। বাস্তবে সরকারের সামনে দুটি পথই খোলা—রাজস্ব বাড়ানো অথবা অন্য খাতে ব্যয় কমানো। কিন্তু এত বড় অঙ্কের ব্যয় সাশ্রয় অন্য খাত থেকে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

    বর্তমানে বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত প্রায় ৭ শতাংশ, যা বৈশ্বিক মানদণ্ডে অত্যন্ত কম। এই সীমিত রাজস্ব দিয়ে পরিচালন ব্যয় সামাল দিতেই সরকার হিমশিম খাচ্ছে। এর সঙ্গে আগামী বছরগুলোতে ঋণ পরিশোধ ব্যয় বাড়বে, ফলে আর্থিক সংস্থান আরও সংকুচিত হবে।

    বেতন-সংক্রান্ত চাপের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার তার মেয়াদকালে একাধিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়িয়েছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি, স্বাস্থ্য সহায়তা এবং অন্যান্য কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ—দুটিই বাড়ানো হয়েছে।

    এ ছাড়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অতিরিক্ত পাঁচ লাখ পরিবার যুক্ত করা, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি, ভিজিএফ কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং প্রান্তিক মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল ছাড় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকার তহবিল প্রয়োজন হবে।

    অর্থনীতিবিদরা এসব উদ্যোগের সামাজিক গুরুত্ব স্বীকার করলেও সতর্ক করছেন, আগামী অর্থবছরে এগুলো সরকারের চলতি ব্যয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত চাপ যোগ করবে। ফাহমিদা খাতুন এই সিদ্ধান্তগুলোর সময় নির্ধারণকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করে বলেন, সাধারণত নির্বাচিত সরকার বাজেট প্রণয়নের সময় এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল সুপারিশে সীমাবদ্ধ থাকা।

    এর পাশাপাশি উন্নয়ন ব্যয়ের দুর্বল বাস্তবায়নও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন হার নেমে আসে ৬৭ দশমিক ৮৫ শতাংশে, যা দেড় দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ কমলেও প্রথম ছয় মাসে বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ—রেকর্ড সর্বনিম্ন।

    পরিকল্পনাবিদদের মতে, প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারে আগামী সরকারকে উন্নয়ন ব্যয় বাড়াতে হবে, কিন্তু রাজস্ব আয়ের বড় অংশ যদি পরিচালন ব্যয়েই খরচ হয়ে যায়, তাহলে সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়বে।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদও সতর্ক করে বলেছেন, জিডিপির ৭–৮ শতাংশের মধ্যে রাজস্ব আদায় আটকে থাকলে কোনো উন্নয়ন কৌশলই টেকসই হতে পারে না। তাঁর মতে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো খাতে ঋণের ওপর নির্ভর করে টেকসই উন্নয়ন অর্জনের কোনো আন্তর্জাতিক নজির নেই।

    বেতন কমিশনের সুপারিশের একটি যুক্তি হলো—বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে এবং সেবার মান উন্নত হবে। তবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ২০১৫ সালের বড় বেতন বৃদ্ধির পর দুর্নীতি কমেছে—এমন কোনো প্রমাণ নেই। তাঁর মতে, জবাবদিহির শক্ত কাঠামো ছাড়া শুধু বেতন বাড়িয়ে দুর্নীতি কমানো সম্ভব নয়।

    সব মিলিয়ে অর্থনীতিবিদদের অভিমত, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদশেষে নেওয়া ব্যয় সিদ্ধান্তগুলো পরবর্তী সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনার পরিসর মারাত্মকভাবে সংকুচিত করেছে। তাই গভীর আর্থিক সংকট এড়াতে এখনই রাজস্ব সংস্কার, ব্যয় অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ এবং কাঠামোগত জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে। ●

    অকা/রা/ই/সকাল/৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 4 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    অফশোর ঋণে কর ফেরানোর ভাবনা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    অফশোর ঋণে কর ফেরানোর ভাবনা

    চামড়াশিল্পে সংকটের ছায়া

    ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে খুরশীদ আলম

    মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার চাপে কোরবানির বাজারে মন্দার শঙ্কা

    কর্পোরেট সুশাসন এবং মালিকানা দ্বন্দ্ব

    পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নতুন উদ্যোগ

    নন লাইফ বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সিইওদের সঙ্গে বিআইএর সভা

    বিদেশি বিনিয়োগে বাধা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    ঋণ প্রবৃদ্ধিতে ঐতিহাসিক ধস, বিনিয়োগে আস্থাহীনতা গভীরতর

    হাওড়ে ফসল ডুবি ও টেকসই স্থানীয় জাতের ধান চাষাবাদ

    ন্যূনতম কর ফেরতে আসতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    ব্যাংক খাতে মূলধন সংকটের গভীরতা বাড়ছে

    কঠিন সংস্কার ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন

    রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির শঙ্কা

    নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছেন গ্রাহকরা

    নতুন নোট সংকটে চাপে ব্যাংকগুলো

    বিদেশি বিনিয়োগ কমায় চাপে শেয়ার বাজার

    ঋণ খেলাপ বিলম্বে দণ্ড সুদ কমালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    পুনর্গঠিত কোম্পানির জন্য শেয়ার ধারণে শিথিলতা

    আস্থাহীনতায় চাপে শেয়ার বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.