Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন খাত
      • তৈরি পোশাক শিল্প
      • ওষুধ শিল্প
      • কৃষি শিল্প
      • ই-কমার্স
      • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
      • চামড়া শিল্প
      • তথ্য ও প্রযুক্তি
      • পর্যটন
      • বিশেষ প্রতিবেদন
      • বাণিজ্য
      • প্রবাসী আয়
      • পোলট্রি খাত
      • বাজার
      • শিক্ষা খাত
      • শিল্প খাত
      • রাজস্ব
      • মৎস্য খাত
      • শ্রম বাজার
      • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
      • হিমায়িত খাদ্য
      • যোগাযোগ
      • পরিবহন খাত
      • নগর দর্পন
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভিনদেশ
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • পুঁজি বাজার
    • নির্বাচিত লেখা
    • আলাপন
    • পরিবেশ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • ওষুধ শিল্প
          • চামড়া শিল্প
          • বাণিজ্য
          • বাজার
          • মৎস্য খাত
          • যোগাযোগ
          • হিমায়িত খাদ্য
          • বিশেষ প্রতিবেদন
          • তথ্য ও প্রযুক্তি
          • প্রবাসী আয়
          • শিক্ষা খাত
          • কৃষি শিল্প
          • শ্রম বাজার
          • পরিবহন খাত
          • ভিনদেশ
          • রাজস্ব
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • আবাসন খাত
          • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প
          • ই-কমার্স
          • পর্যটন
          • পোলট্রি খাত
          • শিল্প খাত
          • স্বাস্থ্য অর্থনীতি
          • তৈরি পোশাক শিল্প
          • নগর দর্পন
    রবিবার, ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ৩ মে, ২০২৬
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    ২০২৪ : রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২ শতাংশ

    ডিসেম্বর ৩১, ২০২৪ ৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ6
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    ২০২৪ সালে সালে ডলারের অফিসিয়াল রেট ৯ শতাংশ বেড়ে যাওয়া এবং বছরের শেষ পাঁচ মাসে অর্থ পাচার কমে যাওয়ায় প্রায় চলতি বছর বাংলাদেশ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে বৈধ বা আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬.৬৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালের পুরো বছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১.৯২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে গত বছরের চেয়ে ২০২৪ সালে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৪.৭ বিলিয়ন ডলার।

    ২০২৪ সালের রেমিট্যান্স প্রবাহ কেমন ছিল, তা বুঝতে শুধু একটি তথ্যের দিকে চোখ রাখলেই চলে। গত বছর যেখানে মাত্র দুই মাস মাসিক রেমিট্যান্স প্রবাহ ২ বিলিয়ন ডলার পার করেছিল, সেখানে চলতি বছর জুলাই মাস বাদে বাকি ১১ মাসই ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ। জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ইন্টারনেট ও ব্যাংক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং প্রবাসীরা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশের কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গিয়েছিল।

    সর্বশেষ চলতি মাসে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২.৪২ বিলিয়ন ডলার, যা এরইমধ্যে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাওয়া মাসের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে চলে এসেছে। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ২.৫৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল করোনা মহামারিকালে ২০২০ সালের জুলাইয়ে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, আইএমএফ-এর বিপিএম৬ ফর্মুলা অনুসারে গতকাল (২৯ ডিসেম্বর) দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২১.৩৩ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। 

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা বলেন, গত কয়েকমাসে টাকা পাচারের পরিমাণ কমায় হুন্ডির চাহিদাও কমে এসেছে। ফলে যেসব রেমিট্যান্স হুন্ডি চ্যানেলে আসত, তার একটা বড় অংশ ফরমাল চ্যানেলে আসছে। 

    এছাড়া ডলারের অফিশিয়াল রেট বেড়ে যাওয়া এবং চাহিদা কমায় আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলে ডলারের রেটের পার্থক্য ১ টাকার কাছাকাছি চলে এসেছে। 

    হুসনে আরা শিখা বলেন, 'সবমিলিয়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিকে আমরা ভালো বলব। একইসঙ্গে আগামী বছর আরও ভালো ইনফ্লো আশা করছি।'

    বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, রেমিট্যান্সের বাজার সবসময়ই 'রেট সেন্সিটিভ'। যখন ডলারের দর বেড়ে যায়, তখন রেমিট্যান্সের প্রবাহও বাড়ে। 

    বিষয়টি বুঝতে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসটিকে আদর্শ হিসেবে ধরা যায়। ওই মাসে বেশি রেট দিয়ে রেমিট্যান্স সংগ্রহ না করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বেশি রেটে রেমিট্যান্সের ডলার কেনায় অন্তত ১০টি ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানদের শাস্তি দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর জের ধরে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আসে মাত্র ১.৩৩ বিলিয়ন ডলার। 

    তবে ২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডলারের রেট বাড়ানো হয়, ব্যাংকগুলোকে বেশি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করায় তেমন চাপাচাপি করা হয়নি। যার ফল দেশ দেখতে পাচ্ছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে ডলারের অফিসিয়াল রেট ছিল ১১০ টাকা।  পরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য করা মুদ্রানীতিতে একদিনের ব্যবধানে ইতিহাসে বাংলাদেশি মুদ্রার সবচেয়ে বড় অবমূল্যায়ন করে ডলারের বিপরীতে ৭ টাকা দাম কমায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

    তখন বিনিময় হারে ক্রলিং পেগ মিড রেট হিসেবে ১১৭ টাকাকে ভিত্তি রেখে ডলার কেনাবেচা করতে বলা হয়েছিল ব্যাংকগুলোকে। এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ১ টাকা যোগ করে ডলারের রেট সর্বোচ্চ ১১৮ টাকা করার মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। 

    আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিনিময় হার বাড়িয়ে ১২০ টাকা করা হয়। অবশ্য ডিসেম্বরে ডলারের রেট বেড়ে ১২৮ টাকা পর্যন্ত চলে গেলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা রেটে লেনদেন করতে বলা হয়। অর্থাৎ ডলারের দর বেড়েছে অন্তত ১০ টাকা বা ৯ শতাংশ। 

    ডলারের রেটের এই ক্রমবর্ধমান ধারা রেমিট্যান্স বাড়াতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকাররা। 

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, রেমিট্যান্স বাড়ার পেছনে ডলারের রেটই মূল ভূমিকা পালন করে। যে কারণে ডলারের দর বেড়ে গেলে রেমিট্যান্সের প্রবাহও বেড়ে যায়। 

    এর বাইরে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হুন্ডির চাহিদাও কিছুটা কমে এসেছে। তবে এটা সাময়িক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চক্র জড়িত থাকায় দীর্ঘমেয়াদে হুন্ডির চাহিদা কমানো কঠিন বলে মন্তব্য করেন এই অর্থনীতিবিদ।

    রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়াতে গেলে রেমিট্যান্স প্রেরকদের ডলারের ভালো রেট দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে ফাহমিদা খাতুন বলেন, 'আমাদের রেমিটারদের অবশ্যই কোনো না কোনোভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যেসব প্রবাসী ভাই-বোনেরা দেশে ফেরেন, তাদেরকে স্বল্প দূরত্বে বা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত যাতায়াতের ব্যবস্থা করাসহ অনেক পদক্ষেপই নেওয়া যেতে পারে। 

    'এই স্বীকৃতির ব্যবস্থা করা গেলে তারা ফরমাল চ্যানেলে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত হবেন।' ●
    অকা/ব্যাংখা/ই/ সকাল, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 1 year আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ
    বিশ্বজুড়ে সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক – আস্থাহীনতার ঘূর্ণিতে একীভূত উদ্যোগ

    মহান মে দিবস আজ
    শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টির দিন

    মহান মে দিবসের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
    নারী শ্রমে মানবতা ও বাস্তবতা

    সংস্কারের মাঝেও সংকুচিত বীমা খাত

    সাপ্লিমেন্ট আমদানিতে নতুন কড়াকড়ি

    বোতলজাত তেলের দাম বাড়লো লিটারে ৪ টাকা

    এক হাটের ইজারায় দর উঠলো ১৪ কোটি টাকা

    ইসলামপুরে সুপেয় পানির স্বস্তি, ঘরে ঘরে সরকারি সরবরাহ

    বাজেটে কালো টাকার সুযোগ এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি

    বিএসইসির বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
    অনলাইনে বিনিয়োগে সাবধান

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ
    ডলারের সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ

    বসছে বাংলাদেশ-ইইউ সংলাপ; বাড়বে ব্যবসা-বাণিজ্য

    জুলাইয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের বিদ্যুৎ

    রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হলেন সাইফুল ইসলাম

    পুঁজি বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে কঠোর ডিএসই: কোম্পানি পরিদর্শনে তাৎক্ষণিক ক্ষমতা

    মোবাইল রিচার্জে কর কমানোর উদ্যোগ: ১০০ টাকায় ৩৮ টাকা কাটাকে ‘অযৌক্তিক’ ঘোষণা

    বাজারে অস্থিরতা—দাম বাড়ার চাপ ও সিন্ডিকেটের প্রভাব

    ন্যূনতম ১০০-১০০০ টাকা প্রতীকী কর প্রবর্তনের দাবি

    টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, বেসরকারি খাতকে সুরক্ষা দেবে সরকার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.