Close Menu
অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
      • আর্থিক খাত
      • আবাসন
      • তৈরি পোশাক
      • তথ্যপ্রযুক্তি
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • শিল্প ও বাণিজ্য
      • রেমিট্যান্স
      • শিক্ষা
      • শিল্প
      • শ্রম বাজার
      • যোগাযোগ
      • জাতীয় অর্থনীতি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ
    • ব্যাংক
    • বীমা
    • শেয়ার বাজার
    • পর্যবেক্ষণ
    • আরও
          • আর্থিক খাত
          • শিল্প ও বাণিজ্য
          • যোগাযোগ
          • অপরাধ ও দুর্নীতি
          • তথ্যপ্রযুক্তি
          • রেমিট্যান্স
          • শিক্ষা
          • শ্রম বাজার
          • জাতীয় অর্থনীতি
          • আবাসন
          • বিশ্ব অর্থনীতি
          • শিল্প
          • তৈরি পোশাক
    , |
    অর্থকাগজঅর্থকাগজ

    চট্টগ্রাম বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধি – বিদেশি প্রভাব না অর্থনৈতিক প্রয়োজন?

    অক্টোবর ৯, ২০২৫ ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ12
    শেয়ার
    Facebook Twitter LinkedIn Email WhatsApp Copy Link

    অর্থকাগজ প্রতিবেদন ●

    চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) সাম্প্রতিক মাশুল বৃদ্ধির ঘোষণাটি দেশের ব্যবসায়িক মহলে তীব্র আলোড়ন তুলেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথমবার ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে—এ যেন অনেকটা সময়োচিত সমন্বয়। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল ‘সমন্বয়’ নয়; বরং এক জটিল প্রভাবের ফল, যেখানে সরকারি সিদ্ধান্তের পেছনে বিদেশি উপদেষ্টাদের প্রভাব, স্বার্থসংঘাত এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার মিশ্রণ কাজ করছে।

    ১৯৮৬ সালে যখন বন্দরের ট্যারিফ সর্বশেষ নির্ধারিত হয়, তখন এক ডলারের মান ছিল মাত্র ২৭ টাকা। এখন তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২২ টাকায়। অর্থাৎ চার দশকে ট্যারিফ না বাড়িয়েও বন্দরের টাকায় আয় বাস্তবে চারগুণ বেড়েছে। তবু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২,৯১৩ কোটি টাকার রেকর্ড মুনাফার পরও কেন হঠাৎ এই মাশুল বাড়ানো হলো—এই প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, দীর্ঘদিনের স্থবির কাঠামো হালনাগাদ করা হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনে। কিন্তু প্রাপ্ত নথি বলছে, নতুন ট্যারিফ কাঠামোটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বেসরকারি শাখা ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)–এর প্রস্তাবিত মডেলের সঙ্গে প্রায় হুবহু মিলে যায়। এই আইএফসি-ই আবার পতেঙ্গা ও লালদিয়া টার্মিনালের কনসেশন চুক্তির পরামর্শদাতা, যেখানে বিদেশি অপারেটরদের জন্য বাজার “বিনিয়োগবান্ধব” করে তোলাই ছিল মূল লক্ষ্য।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখানেই তৈরি হয়েছে মূল স্বার্থসংঘাত। আইএফসি একদিকে সরকারের পরামর্শদাতা, অন্যদিকে বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের সম্ভাব্য অর্থায়নকারী। যেমন, সিঙ্গাপুরের বন্দর অপারেটর পিএসএ যে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বে টার্মিনাল প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে, সেটিতেও আইএফসি অর্থায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অর্থাৎ, যারা নীতিনির্ধারণ করছে, তারাই বিনিয়োগকারী হিসেবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

    বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান এম. শাহজাহান বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে বলেন, “যদি একই প্রতিষ্ঠান সরকারকে নীতিগত পরামর্শ দেয় এবং বিনিয়োগেও অংশ নেয়, তবে এটি নীতিগত নিরপেক্ষতা নষ্ট করে।” অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “এটি এক ধরনের নরম বাণিজ্যিক উপনিবেশ—যেখানে সিদ্ধান্ত সরকারের নয়, পরামর্শদাতার কলমেই লেখা হয়।”

    ২০২৪ সালের জুনে বিশ্বব্যাংক বে টার্মিনালের জন্য ৬৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন দেয়। সেই বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল—আইএফসি একই প্রকল্পে সরাসরি বিনিয়োগ বিবেচনা করছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, আইএফসি কি নীতিনির্ধারণের মুখোশে বন্দর অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তারের নতুন কৌশল নিয়েছে?

    আইএফসি অবশ্য দাবি করেছে, তারা সরকারের স্বার্থে কাজ করে এবং “অপারেশনাল কনফ্লিক্ট নীতি” অনুসারে বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা দল আলাদা রাখা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই নীতিগুলোর প্রয়োগ কতটা কার্যকর, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায়।

    ট্যারিফ বৃদ্ধির বিশ্লেষণে দেখা যায়, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, ক্রেন অপারেশন, রিফার প্লাগ-ইনসহ যেসব সেবায় বেসরকারি অপারেটরদের সরাসরি লাভ, সেসব খাতেই বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি—গড়ে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০ ফুট রিফার কনটেইনারের প্লাগ-ইন চার্জ ৯ ডলার থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ২১ ডলার।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে তাদের ব্যয় আরও বাড়াবে। ২০২০ সালে যখন এক ডলারের দাম ছিল ৮৫ টাকা, তখন ৪৩ ডলারের হ্যান্ডলিং ফি ছিল ৩,৬৫৫ টাকা। এখন ডলার ১২৪ টাকায় দাঁড়ানোয় একই ফি হয়ে গেছে ৫,৩৩২ টাকা—অর্থাৎ ৪৫ শতাংশ বেশি। তার ওপর আবার নতুন ট্যারিফের বোঝা।

    র‍্যাপিড চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক মনে করেন, “বন্দর ট্যারিফ বাড়ানো একেবারে অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু এটি ধাপে ধাপে করা উচিত ছিল। একবারে এতটা বৃদ্ধি ব্যবসায়ীদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।”

    অন্যদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষের যুক্তি, চার দশক পর এই সমন্বয় না করলে ভবিষ্যতের বড় বিনিয়োগ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অর্থের ঘাটতি তৈরি হতো। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের আসল সংকট ট্যারিফ নয়, বরং দক্ষতা, জট ও স্বচ্ছতার অভাব। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম যেখানে ২৪ ঘণ্টার কম, সেখানে চট্টগ্রামে লাগে ৫ থেকে ৭ দিন—যা ব্যবসায়ীদের প্রকৃত খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

    সব মিলিয়ে এই ট্যারিফ বৃদ্ধি কেবল মাশুলের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের বন্দরনীতি, বিদেশি প্রভাব ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রমাণ করবে—বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন কি সত্যিই জাতীয় প্রয়োজনে হচ্ছে, নাকি বিদেশি বিনিয়োগের শর্তে গড়ে উঠছে এক নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতা। ●
    অকা/রা/ই/সকাল/৯ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

    সর্বশেষ হালনাগাদ 10 months আগে

    এই বিষয়ে আরও সংবাদ

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যারা

    ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    Leave A Reply Cancel Reply

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার নতুন কমিটি গঠন

    মার্কিন শুল্ক: কী করবে বাংলাদেশ?

    সিডিবিএলকে সমন্বিত সফটওয়্যার তৈরির নির্দেশ

    ‘ঠিকানা বাংলাদেশ’-এর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু

    আমেরিকা ট্যুরে কনা, গাইবেন ১৬ শহরে

    আবারও বাবা হলেন কাঞ্চন মল্লিক

    কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

    ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতায় রূপালী ব্যাংক

    ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সিজেপির কর্মসূচি প্রত্যাহার

    পূর্বাচলের ক্ষত শুকায়নি, এবার রূপগঞ্জে নতুন উচ্ছেদের শঙ্কা

    চিকিৎসার খরচে বিপর্যস্ত ইয়াসমিনের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

    অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

    সরকারি অধিগ্রহণের উদ্যোগে উদ্বেগ, বসতভিটা অক্ষত রাখার দাবি

    সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশে আরএকে সিরামিকস গ্রুপের সিইও আবদাল্লাহ মাসাদ

    সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি

    দেদারে ক্যানসেল হচ্ছে আমিরাত প্রবাসীদের ভিসা

    ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জিডি

    মার্কিন শুল্কনীতিতে বাড়তি সুবিধা
    যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শক্তিশালী অবস্থানে বাংলাদেশ

    রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার, লাভ যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে
    এমআরপির বাইরে সিগারেটের বাজার

    সম্পাদক প্রণব কুমার মজুমদার

    সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয় - ৬২/১, পুরানা পল্টন (দোতলা), দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, ঢাকা, বাংলাদেশ।

    বিটিসিএল ফোন +৮৮০২৪১০৫১৪৫০ +৮৮০২৪১০৫১৪৫১ +৮৮০১৫৫২৫৪১৬১৯ (বিকাশ) +৮৮০১৭১৩১৮০০৫৩

    ইমেইল - arthakagaj@gmail.com

    Editor PRANAB K. MAJUMDER
    Editorial & Commercial Office - 62/1, Purana Paltan (1st Floor), Dainik Bangla Crossing, Paltan, Dhaka, Bangladesh.
    BTCL Phone +880241051450 +880241051451 +8801552541619 (bkash) +8801713180053
    Email - arthakagaj@gmail.com

    ২০২৪
    অর্থকাগজ
    | আমাদের বৃত্তান্ত | গোপনীয়তা নীতি | শর্তাবলি ও নীতিমালা | প্রচার | বিজ্ঞাপন | বিজ্ঞপ্তি | যোগাযোগ

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.